এই অধ্যায়ের নোট এবং প্রশ্ন ও উত্তর
অবাকপথে
লেখক: অতুল গুপ্ত
অধ্যায়
ভ্রমণমূলক রচনা
🤔 চলো ভাবি...
কখনও কি এমন হয়েছে যে তুমি একটা চেনা রাস্তায় যাচ্ছিলে, হঠাত ভুল করে অন্য পথে ঢুকে পড়লে? আর সেই ভুল পথেই খুঁজে পেলে অদ্ভুত সুন্দর কিছু দৃশ্য?
'অবাকপথে' গল্পে লেখক অতুল গুপ্ত আমাদের এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়েছেন। যেখানে পথ হারানো মানে ভয় নয়, বরং নতুন কিছু আবিষ্কারের আনন্দ!
অচেনা পথ
পরিচিত গণ্ডির বাইরে বেরোলে পৃথিবীটা কত সুন্দর হতে পারে।
বাংলার প্রকৃতি
গ্রাম বাংলার শান্ত, স্নিগ্ধ রূপের এক অপূর্ব বর্ণনা।
শব্দার্থের ঝুলি (Vocabulary)
- দিগ্বিদিক
চারদিক বা সকল দিক।
- প্রান্তর
বিস্তৃত মাঠ বা ফাঁকা জায়গা।
- আকস্মিক
হঠাৎ করে ঘটা কোনো ঘটনা।
গল্পটি পড়ার জন্য প্রস্তুত?
"পথ হারানো মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়, নতুন কিছু পাওয়া।"
অবাকপথে
অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর (Notes)
রচনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর (মান: ৫)
নিচের প্রশ্নগুলির বিস্তারিত উত্তর দাও (২০টি প্রশ্ন)
১. 'শংকর সেনাপতি' গল্পে শংকরের চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা 'শংকর সেনাপতি' গল্পের প্রধান চরিত্র হলো শংকর। সে আকন্দবাড়ি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। শংকর অত্যন্ত কল্পনাপ্রবণ ও প্রকৃতিপ্রেমিক। ক্লাসের পড়াশোনার চেয়ে বাইরের জগত, আকাশ, পাখি এবং প্রকৃতি তাকে বেশি টানে। সে স্বপ্নের জগতে বাস করে এবং তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অসাধারণ। শিক্ষকের বকুনি খেয়েও সে তার কল্পনার জগত থেকে সরে আসে না, বরং সাহসের সাথে নিজের দেখা অভিজ্ঞতার কথা বলে। তার এই সরলতা ও প্রকৃতিপ্রেম তাকে অনন্য করে তুলেছে।
২. বিভীষণ দাস মাস্টারের চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর: বিভীষণ দাস হলেন আকন্দবাড়ি স্কুলের প্রকৃতিবিজ্ঞানের শিক্ষক। তিনি অত্যন্ত কড়া মেজাজের এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ। ক্লাসে অমনোযোগী ছাত্রদের তিনি পছন্দ করেন না। তবে তিনি একজন জ্ঞানী শিক্ষক। তিনি এমু পাখি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ক্লাসে দেন। শংকর যখন ভুল উত্তর দেয়, তিনি প্রথমে রেগে গেলেও পরে শংকরের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ও কল্পনাশক্তির পরিচয় পেয়ে তাকে উৎসাহ দেন। তিনি শংকরকে চোখ খুলে পৃথিবীকে দেখার উপদেশ দেন, যা তার উদার মানসিকতার পরিচয় দেয়।
৩. শংকর ক্লাসে বসে কী স্বপ্ন দেখছিল? বর্ণনা করো।
উত্তর: শংকর ক্লাসে বসে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখছিল। সে দেখছিল নারকেল গাছের মাথার ওপর দিয়ে ডানা মেলে শঙ্খচিল ভাসছে। তার মনে হচ্ছিল সে নিজেও যেন পাখির মতো আকাশে ভাসছে। বাতাসের শব্দ, মেঘের ওড়াউড়ি এবং প্রকৃতির রূপ তাকে ক্লাসের পরিবেশ থেকে অনেক দূরে নিয়ে গিয়েছিল। সে কল্পনায় নিজেকে প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ভাবছিল।
৪. এমু পাখি সম্পর্কে বিভীষণ দাস ক্লাসে কী কী তথ্য দিয়েছিলেন?
উত্তর: বিভীষণ দাস ক্লাসে জানিয়েছিলেন যে এমু হলো এক ধরণের দৌড়বাজ পাখি। এরা উড়তে পারে না। এমু পাখি মূলত দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় দেখা যায়। এদের শরীর বেশ বড় এবং শক্তিশালী। তিনি আরও বলেন যে, এমুরা খুব জোরে দৌড়াতে পারে এবং এদের বাসস্থান ও জীবনযাত্রা অন্যান্য পাখিদের থেকে আলাদা।
৫. শংকর কীভাবে এমু পাখির বর্ণনা দিয়েছিল?
উত্তর: শংকর তার কল্পনায় দেখা ঘোলপুকুরের বড় দিঘির পাড়ে এক অদ্ভুত পাখির কথা বলেছিল। সে বলেছিল পাখিটি খুব দ্রুত ওড়ে না, বরং জোরে দৌড়ায়। তার বর্ণনায় পাখিটির রং ছিল ছাই-ধূসর বা মাটির মতো। সে দাবি করেছিল যে সে নিজেই এই পাখি দেখেছে, যা আসলে তার কল্পনার এমু বা অন্য কোনো স্থানীয় পাখি হতে পারে। তার এই বর্ণনা শুনে শিক্ষক মহাশয় অবাক হয়ে গিয়েছিলেন।
৬. "চোখদুটো বড় বড় করে রেখে যা দেখবার সব দেখে নিও" - কথাটি কে, কাকে এবং কেন বলেছিলেন?
উত্তর: এই কথাটি প্রকৃতিবিজ্ঞানের শিক্ষক বিভীষণ দাস শংকরকে বলেছিলেন। শংকর যখন ক্লাসে এমু পাখির অদ্ভুত বর্ণনা দেয়, তখন শিক্ষক বুঝতে পারেন শংকর খুব কল্পনাপ্রবণ এবং সে প্রকৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। তাই তিনি তাকে বইয়ের পাতার বাইরে আসল পৃথিবীকে খোলা চোখে দেখার পরামর্শ দেন, যাতে তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হয়।
৭. আকন্দবাড়ি স্কুলের পরিবেশ কেমন ছিল?
উত্তর: আকন্দবাড়ি স্কুলটি ছিল গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত। স্কুলের চারপাশে ছিল গাছপালা ও প্রকৃতির ছোঁয়া। জানলা দিয়ে নারকেল গাছ, আকাশ এবং পাখি দেখা যেত। স্কুলের পরিবেশ ছিল শান্ত, কিন্তু ক্লাসরুমের ভেতরে কড়া শাসনের ব্যবস্থা ছিল। ছাত্ররা ভয়ে ভয়ে থাকত, বিশেষ করে বিভীষণ দাসের ক্লাসে। তবুও বাইরের প্রকৃতির হাতছানি স্কুলের পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে রাখত।
৮. শংকরের স্বপ্নের জগত ও বাস্তব জগতের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: শংকরের বাস্তব জগত হলো তার স্কুল, কড়া শিক্ষক এবং পাঠ্যবইয়ের সীমাবদ্ধ গণ্ডি। সেখানে তাকে নিয়ম মেনে চলতে হয়। অন্যদিকে, তার স্বপ্নের জগত হলো অসীম আকাশ, পাখি, বাতাস এবং স্বাধীনতা। স্বপ্নের জগতে সে যা খুশি তাই হতে পারে, যেখানে কোনো ভয় বা বাধা নেই। বাস্তবে সে একজন সাধারণ ছাত্র হলেও, স্বপ্নের জগতে সে প্রকৃতির এক নির্ভীক পর্যটক।
৯. গল্পে প্রকৃতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: গল্পে প্রকৃতির এক সজীব চিত্র ফুটে উঠেছে। নারকেল গাছের দুলুনি, শঙ্খচিলের ওড়া, বাতাসের শব্দ এবং মেঘের আনাগোনা—সব মিলিয়ে এক মনোরম গ্রামীণ প্রকৃতির ছবি পাওয়া যায়। ঘোলপুকুরের দিঘি, গাব গাছ এবং বিভিন্ন পাখির উল্লেখ প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে। প্রকৃতি এখানে কেবল পটভূমি নয়, বরং শংকরের মনের সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত।
১০. শংকরকে কেন 'সেনাপতি' বলা হয়েছে? নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তর: শংকরের পদবি 'সেনাপতি'। তবে গল্পের নামকরণে এর একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে। শংকর বাস্তব জীবনে ভীতু বা সাধারণ ছাত্র হলেও, কল্পনার জগতে সে এক বীর সেনাপতির মতো সাহসী। সে প্রকৃতির রাজ্যে নির্ভয়ে বিচরণ করে। তার এই মানসিক শক্তি ও কল্পনার ব্যাপ্তি তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। তাই 'শংকর সেনাপতি' নামকরণটি ব্যঞ্জনাধর্মী ও সার্থক।
১১. ক্লাসে শংকরের অমনোযোগিতার কারণ কী ছিল?
উত্তর: শংকরের অমনোযোগিতার মূল কারণ ছিল তার অত্যধিক কল্পনাপ্রবণতা। ক্লাসের চার দেয়ালের চেয়ে বাইরের প্রকৃতি তাকে বেশি আকর্ষণ করত। শিক্ষকের পড়ানোর একঘেয়েমি তাকে স্পর্শ করত না, বরং জানলার বাইরের আকাশ, পাখি এবং বাতাস তাকে অন্য জগতে নিয়ে যেত। তার মন সবসময় প্রকৃতির রহস্য সন্ধানে ব্যস্ত থাকত বলে সে ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারত না।
১২. শংকর কীভাবে 'ঘোলপুকুর'-এর বড় দিঘির পাখির বর্ণনা দিয়েছিল?
উত্তর: শংকর বলেছিল যে ঘোলপুকুরের বড় দিঘির পাড়ে সে এক বিশাল পাখি দেখেছে। পাখিটি নাকি গাব গাছের ডালে বসেছিল। শংকরের মতে, পাখিটি এত বড় যে তার ডানা মেললে আকাশ ঢেকে যায়। সে পাখিটিকে এমুর সাথে তুলনা করেছিল, যদিও বাস্তবে সেটি হয়তো অন্য কোনো বড় পাখি বা তার কল্পনার সৃষ্টি ছিল। তার এই বর্ণনা ছিল অত্যন্ত জীবন্ত ও রোমাঞ্চকর।
১৩. বিভীষণ দাস শংকরকে কী শাস্তি দিতে চেয়েছিলেন এবং কেন দেননি?
উত্তর: বিভীষণ দাস প্রথমে শংকরকে অমনোযোগী হওয়ার জন্য এবং ভুল উত্তর দেওয়ার জন্য শাস্তি দিতে চেয়েছিলেন। তিনি তাকে বেঞ্চের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে বা কান ধরে দাঁড়াতে বলতে পারতেন। কিন্তু শংকরের মুখে পাখির নিখুঁত ও আবেগপূর্ণ বর্ণনা শুনে তিনি মুগ্ধ হন। তিনি বুঝতে পারেন শংকর সাধারণ ছাত্র নয়, তার মধ্যে বিশেষ প্রতিভা আছে। তাই তিনি শাস্তি না দিয়ে তাকে উৎসাহ দেন।
১৪. "স্বপ্ন তো আর সত্যি হয় না" - এই উক্তিটির প্রেক্ষিতে শংকরের মানসিকতা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: সাধারণ মানুষের কাছে স্বপ্ন সত্যি হয় না, কিন্তু শংকরের কাছে স্বপ্নই হলো আসল সত্য। সে তার কল্পনার জগতকে বাস্তবের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দেয়। তার কাছে স্বপ্নে দেখা পাখি বা প্রকৃতি বাস্তবের মতোই জীবন্ত। এই উক্তিটি শংকরের মানসিকতার বিপরীত মেরুর চিন্তাভাবনা প্রকাশ করে, কারণ শংকর বিশ্বাস করে যে মন দিয়ে দেখলে সব স্বপ্নই অনুভব করা যায়।
১৫. গল্পে 'বাতাস' কীভাবে একটি চরিত্র হয়ে উঠেছে?
উত্তর: গল্পে বাতাস কেবল আবহাওয়ার অংশ নয়, শংকরের বন্ধু হিসেবে উপস্থিত। শংকর বাতাসের শব্দ শোনে, বাতাসের গতি অনুভব করে। তার মনে হয় বাতাস যেন তার সাথে কথা বলছে। জানলা দিয়ে আসা বাতাস তাকে ক্লাসের বাইরে ডাক দেয়। বাতাসের এই উপস্থিতি শংকরের একাকীত্ব দূর করে এবং তার কল্পনার জগতকে আরও প্রসারিত করে।
১৬. শংকরের সহপাঠীদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
উত্তর: শংকরের সহপাঠীরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করত। যখন সে ক্লাসে অদ্ভুত সব কথা বলত বা শিক্ষকের বকুনি খেত, তখন অন্যরা মজা পেত। তারা শংকরকে বোকা বা পাগল ভাবত। কেউ তার কল্পনার জগতের কদর করত না। শংকর তাদের মাঝে থেকেও যেন সম্পূর্ণ একা ছিল, কারণ তার মানসিক জগত অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিল।
১৭. এমু পাখির বাসস্থান সম্পর্কে বইয়ের তথ্যের সাথে শংকরের ধারণার অমিল কোথায়?
উত্তর: বইয়ের তথ্য অনুযায়ী এমু পাখি দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় থাকে। কিন্তু শংকর দাবি করে যে সে ঘোলপুকুরের দিঘির পাড়ে এমু বা তার মতো পাখি দেখেছে। বইয়ের ভৌগোলিক সত্যের সাথে শংকরের অভিজ্ঞতার এই অমিল প্রমাণ করে যে শংকর বইয়ের চেয়ে নিজের চোখ ও কল্পনাকে বেশি বিশ্বাস করে।
১৮. বিভীষণ দাসের শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
উত্তর: বিভীষণ দাস একজন আদর্শ শিক্ষক। তিনি প্রথমে কড়া হলেও পরে ছাত্রের মনস্তত্ত্ব বুঝতে পারেন। তিনি কেবল বইয়ের পড়া মুখস্থ করান না, বরং ছাত্রদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেন। শংকরকে শাস্তি না দিয়ে তাকে প্রকৃতি দেখার উপদেশ দেওয়া তার আধুনিক ও সহানুভূতিশীল শিক্ষাদান পদ্ধতির পরিচয় বহন করে।
১৯. গল্পে উল্লিখিত অন্যান্য পাখিদের নাম ও তাদের বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর: গল্পে এমু ছাড়াও শঙ্খচিল, মাছরাঙা, হাড়িচাচা, ডৌখোল ইত্যাদি পাখির উল্লেখ পাওয়া যায়। শঙ্খচিল আকাশে ডানা মেলে ভাসে। মাছরাঙা পুকুরের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। হাড়িচাচা ও ডৌখোল গ্রামের পরিচিত পাখি। এই পাখিরা শংকরের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী এবং তার প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের প্রধান বিষয়বস্তু।
২০. 'অবাকপথে' বা 'শংকর সেনাপতি' গল্পটি পড়ে তুমি কী শিক্ষা পেলে?
উত্তর: এই গল্পটি আমাদের শেখায় যে পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতি আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। শংকরের মতো আমাদেরও উচিত খোলা চোখে চারপাশের জগতকে দেখা এবং অনুভব করা। কল্পনাশক্তি মানুষকে সৃজনশীল করে তোলে, যা জীবনের এক বড় সম্পদ।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (মান: ১/২)
এক কথায় বা একটি বাক্যে উত্তর দাও (২০টি প্রশ্ন)
১. 'শংকর সেনাপতি' গল্পটির লেখক কে?
উত্তর: শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়।
২. শংকর কোন স্কুলের ছাত্র ছিল?
উত্তর: আকন্দবাড়ি স্কুলের।
৩. শংকরের প্রকৃতিবিজ্ঞানের শিক্ষকের নাম কী?
উত্তর: বিভীষণ দাস।
৪. শিক্ষক মহাশয় ক্লাসে কোন পাখির কথা পড়াচ্ছিলেন?
উত্তর: এমু পাখির কথা।
৫. এমু পাখি কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায়।
৬. শংকর স্বপ্নে কোন পাখির মতো ভাসছিল?
উত্তর: শঙ্খচিলের মতো।
৭. শংকরের বাবার নাম কী?
উত্তর: অভিমন্যু সেনাপতি।
৮. ঘোলপুকুরের বড় দিঘির পাড়ে কোন গাছ ছিল?
উত্তর: গাব গাছ।
৯. এমু পাখি কি উড়তে পারে?
উত্তর: না, এমু পাখি উড়তে পারে না, দৌড়াতে পারে।
১০. বিভীষণ দাস শংকরকে কী উপদেশ দিয়েছিলেন?
উত্তর: চোখ খুলে পৃথিবীকে দেখার উপদেশ দিয়েছিলেন।
১১. 'পাম্পাস' কী?
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি।
১২. শংকর ক্লাসে কীসের স্বপ্ন দেখছিল?
উত্তর: প্রকৃতি ও পাখির স্বপ্ন দেখছিল।
১৩. শংকরের বাড়ি কোন গ্রামে?
উত্তর: আকন্দবাড়ি গ্রামে (স্কুলের নামানুসারে)।
১৪. এমু পাখির রং কেমন?
উত্তর: ছাই-ধূসর বা মাটির মতো।
১৫. শংকর কোন গাছে এমু পাখি দেখেছিল বলে দাবি করে?
উত্তর: গাব গাছে।
১৬. বিভীষণ দাস কোন বিষয়ে পারদর্শী ছিলেন?
উত্তর: প্রকৃতিবিজ্ঞান।
১৭. শংকরকে ক্লাসে কে ধমক দিয়েছিল?
উত্তর: শিক্ষক বিভীষণ দাস।
১৮. 'সেনাপতি' শংকরের কী?
উত্তর: পদবি।
১৯. শংকর কোন দিকে তাকিয়ে বসেছিল?
উত্তর: জানলার বাইরের দিকে।
২০. গল্পে কোন ঋতুর আভাস পাওয়া যায়?
উত্তর: বাতাসের বর্ণনা থেকে শরৎ বা বসন্তের আভাস পাওয়া যায়।
এই অধ্যায়ের অনলাইন মক টেস্ট
অধ্যায়: অবাকপথে
ইন্টার্যাক্টিভ মক টেস্ট ব্যাংক • ৬০টি প্রশ্ন
ONLINE EXAM ON THIS CHAPTER
অনলাইন মূল্যায়ন (Online Exam)
বিষয়: বাংলা | ষষ্ঠ শ্রেণী
পাঠ: অবাকপথে (অতুল গুপ্ত)
ফলাফল (Results)
MCQ Score
নিচে বর্ণনামূলক প্রশ্নের আদর্শ উত্তর দেওয়া হলো। নিজের উত্তরের সাথে মিলিয়ে নাও।
আদর্শ উত্তরপত্র (Model Answers)
- MCQ উত্তর: ১(b), ২(c), ৩(a), ৪(b), ৫(b), ৬(c), ৭(a), ৮(b), ৯(b), ১০(c)।
- বর্ণনামূলক ১: লেখক পরিচিত পথ ছেড়ে এক অজানা পথে পা বাড়িয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি অপ্রত্যাশিত আতিথেয়তা ও অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন, তাই 'অবাকপথে' নামকরণ সার্থক।
- বর্ণনামূলক ২: বর্ষাকালে গ্রামের পথ কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল হয়ে যায়। জল জমে ডোবা ও পুকুর একাকার হয়ে যায়। হাঁটাচলা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
- বর্ণনামূলক ৩: প্রবল বৃষ্টিতে চারদিক ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় এবং শর্টকাট রাস্তা নিতে গিয়ে লেখক দিকভ্রান্ত হয়ে পথ হারিয়ে ফেলেন।
- বর্ণনামূলক ৪: গৃহস্থ লেখককে ভেজা কাপড় ছাড়তে শুকনো কাপড় দেন, আগুনের ব্যবস্থা করেন এবং নিজেরা না খেয়েও অতিথিকে মুড়ি ও বাতাসা খেতে দেন।
- বর্ণনামূলক ১০: বাংলার গ্রামের সহজ-সরল মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আতিথেয়তাই এই গল্পের মূলভাব।