স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা (তৃতীয় শ্রেণি)
অধ্যায় ১১: যোগাসন
অধ্যায়ের সারসংক্ষেপ
এই অধ্যায়ে কিছু উপকারী যোগাসন, সেগুলি করার পদ্ধতি ও উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
১. তুলাদণ্ডাসন
- পদ্ধতি: সোজা দাঁড়িয়ে, এক পায়ে ভর দিয়ে অন্য পা পিছনে শূন্যে তুলতে হয়। পা ও দেহ মাটির সমান্তরালে থাকে।
- উপকারিতা: পায়ের পেশির দুর্বলতা, হাঁটাচলায় পায়ের ব্যথা ও শিশুদের ‘গ্রোথ পেন’ সারাতে উপকারী।
২. গোমুখাসন
- পদ্ধতি: বসে এক হাঁটুর উপর অন্য হাঁটু রাখতে হয়। হাত দুটি পিছনে হুকের মতো আঁকড়ে ধরতে হয়।
- উপকারিতা: একাগ্রতার অভাব ও মূত্রদোষে উপকারী এবং মনের স্থিরতা আনতে সাহায্য করে।
৩. বজ্রাসন
- পদ্ধতি: হাঁটু মুড়ে গোড়ালি ফাঁক করে তার ওপর নিতম্ব রেখে বসতে হয়। শিরদাঁড়া সোজা থাকে।
- উপকারিতা: হজমশক্তি বাড়ায়, গ্যাস ও অম্বল দূর করে। হাঁটুর ব্যথা ও পায়ের পেশির দুর্বলতা সারায়।
৪. হস্তপদাসন
- পদ্ধতি: সোজা দাঁড়িয়ে, সামনের দিকে ঝুঁকে দু-হাতের আঙুল দিয়ে দু-পা ছুঁতে হয়।
- উপকারিতা: ডায়াবেটিস, ক্ষুধামান্দ্য, পেটে মেদ ও দৃষ্টিশক্তির ক্ষীণতায় উপকারী।
৫. শলভাসন
- পদ্ধতি: চিবুক মাটিতে লাগিয়ে উপুড় হয়ে শুতে হয়। হাতের তালুর ওপর চাপ দিয়ে পা দুটিকে জোড়া অবস্থায় সোজা করে উপরে তুলতে হয়।
- উপকারিতা: কোষ্ঠবদ্ধতা, ক্ষিদে না হওয়া এবং কোমরের ব্যথায় উপকারী।
৬. বক্রাসন
- পদ্ধতি: দু-পা সোজা করে বসে, দেহকে ডান দিকে ও বাঁ-দিকে মোচড় দিতে হয়।
- উপকারিতা: আলস্যতা দূর করে, পেটে বায়ু জমতে দেয় না এবং পিঠের ব্যথায় উপকারী।
বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নাবলী (MCQ)
সঠিক উত্তরটি বেছে নাও: