Smart AI Education
পরীক্ষার প্রস্তুতি, দ্রুত রিভিশন এবং স্মার্ট স্টাডির জন্য AI-এর জাদুকরী ব্যবহার শিখুন।
Study Smart, Not Just Hard
AI কে আপনার পার্সোনাল টিউটর হিসেবে ব্যবহার করুন। যেকোনো কঠিন বিষয় বোঝা, নোটস বানানো, কিংবা পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা—সবকিছুই এখন ৩ গুণ দ্রুত!
DOWNLOAD PDF AI GUIDE Day 1: Class VII • History ১. ইতিহাসের ধারণা SUMMERY
১. ইতিহাসের ধারণা
The Concept of History
অধ্যায় সারসংক্ষেপ
ইতিহাস মানে কেবল রাজা-উজিরের নাম বা যুদ্ধের সাল-তারিখ মুখস্থ করা নয়। ইতিহাস হলো বছরের পর বছর ঘটা নানান ঘটনার কারণ এবং ফলাফল বোঝার চেষ্টা। এই অধ্যায়ে আমরা জানব কীভাবে ঐতিহাসিকরা একজন গোয়েন্দার মতো বিভিন্ন উপাদান (যেমন: শিলালিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য) ব্যবহার করে অতীতের ছবি আমাদের সামনে তুলে ধরেন।
আপনি কি জানেন?
"বাবার হইল আবার জ্বর সারিল ঔষধে" — এই একটি বাক্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ছয়জন মুঘল সম্রাটের নাম! ইতিহাস পড়ার সময় এরকম অনেক মজার ধাঁধা আমাদের সাল-তারিখ মনে রাখতে সাহায্য করে।
ইতিহাসের উপাদান
লেখ (শিলালেখ, তাম্রলেখ), মুদ্রা, স্থাপত্য-ভাস্কর্য ও লিখিত উপাদান থেকে ইতিহাস জানা যায়।
নামের বিবর্তন
'ইন্ডিয়া' ও 'হিন্দুস্তান' নামের উৎপত্তি এবং সময়ের সাথে শব্দের অর্থ বদলানোর ধারণা।
আদি-মধ্যযুগ
প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণকে বলা হয় আদি-মধ্যযুগ। ইতিহাস রাতারাতি বদলে যায় না।
ঐতিহাসিক গোয়েন্দা
ঐতিহাসিকরা টুকরো টুকরো সূত্র (Clue) খুঁজে যুক্তি দিয়ে বিচার করে সঠিক ইতিহাস সাজান।
পৃথিবীর পরিক্রমণ
WBBSE AI Engine - অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর ও নোটস
সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (SAQ) - ২০টি
১. মহাকর্ষ কাকে বলে?
মহাকাশে প্রতিটি বস্তু পরস্পরকে আকর্ষণ করে বা নিজের দিকে টানে। এই আকর্ষণ বলকেই মহাকর্ষ বলে।
২. পৃথিবীর অক্ষ (Axis) কী?
যে কাল্পনিক রেখার চারিদিকে পৃথিবী আবর্তন করে, তাকেই পৃথিবীর অক্ষ বলে।
৩. পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির বেগ কত?
পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির বেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩০ কিলোমিটার।
৪. অপসূর অবস্থান কাকে বলে?
৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি (১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি) হয়, একে অপসূর বলে।
৫. অনুসূর অবস্থান কবে হয়?
প্রতি বছর ৩ জানুয়ারি পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে, একে অনুসূর বলে।
৬. 'চান্দ্রমাস' বলতে কী বোঝো?
চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ২৮ দিন সময় নেয়, এই সময়কালকে চান্দ্রমাস বলে।
৭. অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার কত দিনে হয়?
অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার ৩৬৬ দিনে হয়।
৮. কক্ষতল কাকে বলে?
পৃথিবীর কক্ষপথ মহাশূন্যে যে কাল্পনিক সমতলে অবস্থিত, তাকে কক্ষতল বলে।
৯. পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সাথে কত ডিগ্রি কোণে থাকে?
পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সাথে ৬৬.৫° (৬৬ ১/২°) কোণে হেলে থাকে।
১০. 'বিষুব' কথাটির অর্থ কী?
'বিষুব' কথাটির অর্থ হলো সমান দিন ও রাত্রি।
১১. মহাবিষুব কবে হয়?
প্রতি বছর ২১ মার্চ মহাবিষুব বা বসন্তকালীন বিষুব হয়।
১২. কর্কটসংক্রান্তি কোন তারিখে হয়?
২১ জুন তারিখে কর্কটসংক্রান্তি হয়।
১৩. মকরসংক্রান্তি কাকে বলে?
২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি রেখায় সূর্যের লম্বরশ্মি পড়ে, একে মকরসংক্রান্তি বলে।
১৪. রবিমার্গ কী?
সূর্যের বার্ষিক আপাত গতিপথকে রবিমার্গ বলা হয়।
১৫. উত্তরায়ণ বলতে কী বোঝো?
২২ ডিসেম্বর থেকে ২১ জুন পর্যন্ত সূর্যের উত্তরমুখী আপাত গতিকে উত্তরায়ণ বলে।
১৬. জলবিষুব কবে হয়?
২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে জলবিষুব বা শরৎকালীন বিষুব হয়।
১৭. কক্ষপথ কাকে বলে?
পৃথিবী যে নির্দিষ্ট পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তাকে কক্ষপথ বলে।
১৮. সৌর বছর কাকে বলে?
পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৩৬৫ দিন সময় নেয়, একে সৌর বছর বলে।
১৯. সুমেরুবৃত্তের অক্ষাংশ কত?
সুমেরুবৃত্তের অক্ষাংশ হলো ৬৬.৫° উত্তর।
২০. সূর্যের দৈনিক আপাত গতি কেন হয়?
পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করে বলে সূর্যকে প্রতিদিন পুব থেকে পশ্চিমে চলাচল করতে দেখা যায়।
দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (LAQ) - ২০টি
১. পৃথিবী কেন সূর্যের ওপর আছড়ে পড়ে না?
সূর্য পৃথিবীর তুলনায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়ো এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হওয়ায় এর আকর্ষণ প্রবল। পৃথিবী যদি স্থির থাকতো, তবে সূর্যের টানে তার ওপর আছড়ে পড়ত। কিন্তু সৃষ্টির সময় পৃথিবী সূর্য থেকে দূরে সরে যায় এবং পরিক্রমণ গতির কারণে সূর্যের চারিদিকে ঘুরতে থাকে। এই ঘূর্ণন গতির ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বল এবং সূর্যের মহাকর্ষ বলের ভারসাম্যের কারণে পৃথিবী সূর্যের ওপর আছড়ে পড়ে না।
২. পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি বা বার্ষিক গতি কাকে বলে? এর বৈশিষ্ট্য লেখো।
পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর আবর্তন করতে করতে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট সময়ে (৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড) সূর্যের চারিদিকে ঘোরে। একেই পরিক্রমণ গতি বলে। এর বৈশিষ্ট্য হলো: ১) এই গতির বেগ সেকেন্ডে ৩০ কিমি। ২) কক্ষপথটি উপবৃত্তাকার। ৩) এই গতির ফলে ঋতু পরিবর্তন হয়।
৩. গ্রহদের গতি সংক্রান্ত কেপলারের প্রথম সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।
বিজ্ঞানী কেপলার গ্রহদের গতি নিয়ে তিনটি সূত্র দেন। প্রথম সূত্র অনুযায়ী: "প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং সূর্য ওই উপবৃত্তের একটি ফোকাসে থাকে।" এর অর্থ হলো কক্ষপথটি সম্পূর্ণ গোল নয় এবং সূর্য কক্ষপথের ঠিক কেন্দ্রে না থেকে একটু একপাশে অবস্থান করে।
৪. অপসূর ও অনুসূর অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো।
অপসূর অবস্থানে (৪ জুলাই) সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয় (১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি)। অন্যদিকে, অনুসূর অবস্থানে (৩ জানুয়ারি) এই দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় (১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি)। কক্ষপথ উপবৃত্তাকার হওয়ার কারণেই এই দূরত্বের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।
৫. অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার কেন পালন করা হয়?
পৃথিবীর একবার সূর্য পরিক্রমণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড। কিন্তু ক্যালেন্ডারে ৩৬৫ দিনে বছর ধরা হয়। ফলে প্রতি বছর প্রায় ৬ ঘণ্টা সময় বাড়তি থেকে যায়। এই বাড়তি সময়ের হিসাব মেলাতে প্রতি চার বছর অন্তর একটি পুরো দিন (২৪ ঘণ্টা) ফেব্রুয়ারি মাসের সাথে যোগ করে বছরটিকে ৩৬৬ দিনের করা হয়। একেই অধিবর্ষ বলে।
৬. ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলি কী কী?
ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলি হলো: ১) পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ ও দূরত্বের পরিবর্তন। ২) পৃথিবীর অক্ষের ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকা। ৩) পরিক্রমণ গতির ফলে সূর্যের লম্বরশ্মি ও তির্যক রশ্মির পতন। ৪) দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি।
৭. সূর্যরশ্মির পতন কোণের সাথে উত্তাপের সম্পর্ক বুঝিয়ে বলো।
সূর্যরশ্মি যখন লম্বভাবে পড়ে, তখন তা অল্প জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে এবং ওই অঞ্চলকে অনেক বেশি উত্তপ্ত করে। কিন্তু সূর্যরশ্মি তির্যক বা বাঁকাভাবে পড়লে তা অনেক বড়ো জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে, ফলে উত্তাপের তীব্রতা কমে যায়। এই কারণেই গ্রীষ্মকালে সূর্য মাথার ওপর থাকায় বেশি গরম লাগে এবং শীতকালে সূর্য হেলে থাকায় কম গরম লাগে।
৮. ২১ জুন তারিখের গুরুত্ব আলোচনা করো।
২১ জুন পৃথিবী তার কক্ষপথে এমন অবস্থানে থাকে যে উত্তর গোলার্ধে কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ে। এই দিন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড়ো এবং রাত সবচেয়ে ছোটো হয়। একে কর্কটসংক্রান্তি বলা হয়। এই সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
৯. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ দুটির বিশেষত্ব কী?
এই দুই দিন সূর্য বিষুবরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এর ফলে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত সমান (১২ ঘণ্টা করে) হয়। ২১ মার্চকে মহাবিষুব এবং ২৩ সেপ্টেম্বরকে জলবিষুব বলা হয়।
১০. মেরু অঞ্চলে 'আলোকিত রাত্রি' ও 'অন্ধকার দিন' কেন হয়?
পৃথিবীর অক্ষ হেলে থাকার কারণে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মেরু অঞ্চলগুলি সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে। মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত সুমেরু অঞ্চলে সূর্য দিগন্তের নিচে অস্ত যায় না, ফলে ২৪ ঘণ্টাই দিনের আলো থাকে (আলোকিত রাত্রি)। আবার সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেখানে সূর্য একেবারেই ওঠে না, ফলে একটানা অন্ধকার থাকে। কুমেরু অঞ্চলেও বিপরীত সময়ে একই ঘটনা ঘটে।
১১. সূর্যের বার্ষিক আপাত গতি বা রবিমার্গ বর্ণনা করো।
পৃথিবীর অক্ষ হেলে থাকার কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের লম্বরশ্মি বিষুবরেখা থেকে উত্তরে কর্কটক্রান্তি এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি রেখা পর্যন্ত চলাচল করে বলে মনে হয়। সূর্যের এই উত্তর-দক্ষিণ সরণকেই রবিমার্গ বলে। এর উত্তরমুখী সরণকে উত্তরায়ণ এবং দক্ষিণমুখী সরণকে দক্ষিণায়ন বলে।
১২. উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন কোন ঋতু এবং কেন?
উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল। কারণ এই সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে এবং সেখানে সূর্যরশ্মি লম্বভাবে পড়ে। বিপরীতে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে দূরে হেলে থাকে এবং সেখানে সূর্যরশ্মি অত্যন্ত তির্যকভাবে পড়ে, ফলে উত্তাপ কম হয় এবং শীতকাল দেখা দেয়।
১৩. সময় মাপার তিনটি প্রাকৃতিক উপায় ব্যাখ্যা করো।
সময় মাপার তিনটি উপায় হলো: ১) আহ্নিক গতি: ২৪ ঘণ্টায় একবার দিন-রাত্রির পর্যায়ক্রম। ২) চান্দ্রমাস: চাঁদ পৃথিবীকে প্রায় ২৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। ৩) সৌর বছর: পৃথিবী সূর্যকে প্রায় ৩৬৫ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এই প্রাকৃতিক ঘটনাগুলো থেকেই দিন, মাস ও বছরের ধারণা এসেছে।
১৪. ২২ ডিসেম্বর তারিখের ভৌগোলিক গুরুত্ব লেখো।
২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড়ো এবং রাত সবচেয়ে ছোটো হয়, একে মকরসংক্রান্তি বলে। উত্তর গোলার্ধে এই দিনটি বছরের ক্ষুদ্রতম দিন এবং এখানে তখন প্রবল শীতকাল থাকে।
১৫. উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও শরৎকাল কখন এবং কেন হয়?
২১ মার্চ সূর্য বিষুবরেখায় লম্বভাবে কিরণ দিলে উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল হয়। আবার ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য পুনরায় বিষুবরেখায় লম্বভাবে কিরণ দিলে উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল হয়। এই দুই সময়েই দিন ও রাত্রি সমান হয় এবং আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ থাকে।
১৬. মহাকর্ষের নিয়ম অনুযায়ী পৃথিবী ও চাঁদের ঘূর্ণন ব্যাখ্যা করো।
মহাকর্ষের নিয়ম অনুযায়ী যার ভর বেশি তার আকর্ষণ বেশি। সূর্য পৃথিবীর চেয়ে অনেক বড়ো তাই পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। আবার পৃথিবী চাঁদের চেয়ে বড়ো হওয়ায় চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এই টানাটানির খেলায় প্রতিটি বস্তু একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ বজায় রেখে ঘূর্ণায়মান থাকে।
১৭. পৃথিবীর কক্ষপথ কেন প্রায় বৃত্তাকার মনে হয়?
পৃথিবীর কক্ষপথ প্রকৃতপক্ষে উপবৃত্তাকার হলেও এর উৎকেন্দ্রিকতা খুব কম। অর্থাৎ উপবৃত্তটির আকার বৃত্তের খুব কাছাকাছি। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিমি হলেও অপসূর ও অনুসূর অবস্থানের দূরত্বের পার্থক্য মাত্র ৫০ লক্ষ কিমি, যা সামগ্রিক দূরত্বের তুলনায় খুবই সামান্য। তাই একে প্রায় বৃত্তাকার মনে হয়।
১৮. দক্ষিণায়ন বলতে কী বোঝো? এর সময়কাল উল্লেখ করো।
২১ জুনের পর থেকে সূর্যের দক্ষিণমুখী আপাত গতি শুরু হয়। এই সময় সূর্যের লম্বরশ্মি ক্রমশ কর্কটক্রান্তি রেখা থেকে বিষুবরেখার দিকে এবং পরে মকরক্রান্তি রেখার দিকে সরতে থাকে। ২১ জুন থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ৬ মাস সময়কালকে দক্ষিণায়ন বলা হয়।
১৯. মেরু অঞ্চলে একটানা ৬ মাস দিন ও ৬ মাস রাত হওয়ার কারণ কী?
পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সাথে ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকার ফলে পরিক্রমণের সময় উত্তর মেরু একটানা ৬ মাস সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে (২১ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর), তখন সেখানে একটানা দিন থাকে। এই সময় দক্ষিণ মেরু সূর্য থেকে দূরে থাকায় সেখানে একটানা রাত থাকে। পরবর্তী ৬ মাস এর বিপরীত অবস্থা ঘটে।
২০. নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখায় ঋতু পরিবর্তন হয় না কেন?
নিরক্ষরেখায় সারা বছরই সূর্যরশ্মি প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। সূর্যরশ্মির পতন কোণের বিশেষ পরিবর্তন না হওয়ায় এখানে উত্তাপের তারতম্য ঘটে না। ফলে নিরক্ষীয় অঞ্চলে ঋতু পরিবর্তন অনুভূত হয় না, সারা বছরই গ্রীষ্মকাল থাকে।
© ২০২৪ WBBSE AI Engine - আপনার শিক্ষার বিশ্বস্ত সঙ্গী
Day 2: Class VII • History ১. ইতিহাসের ধারণা MOCK TEST
মক টেস্ট ১ (Mock Test 1)
বিষয়: ইতিহাস | প্রথম অধ্যায়: ইতিহাসের ধারণা
Day 3: MOCK TEST
WBBSE Mock Test 2
বিষয়: ইতিহাস | প্রথম অধ্যায়: ইতিহাসের ধারণা
শ্রেণি: সপ্তম | সময়: ৪৫ মিনিট | পূর্ণমান: ২০
নির্দেশিকা: নিচের প্রশ্নগুলি পাঠ্যবইয়ের ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো বা চিন্তা করে উত্তর দাও।
১. ইতিহাস বইতে সাল-তারিখ কেন জরুরি? কেবল মুখস্থ করার জন্য নাকি অন্য কোনো কারণে?
উত্তরের সূত্র: ঘটনার সময়কাল ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
২. সুলতানি যুগে একজন ব্যক্তি দিল্লি থেকে বাংলায় এলে গ্রামবাসীরা তাকে 'অজনবি' বলতেন। বর্তমান যুগে 'অজনবি' বা 'বিদেশি' শব্দের অর্থ কীভাবে বদলে গেছে?
উত্তরের সূত্র: আগে গ্রাম/শহরের বাইরের লোক ছিল বিদেশি, এখন অন্য দেশের লোক বিদেশি।
৩. "বাবার হইল আবার জ্বর সারিল ঔষধে" - এই ছড়াটি ব্যবহার করে তুমি কীভাবে মুঘল সম্রাটদের নাম মনে রাখবে? 'আবার' শব্দটি কোন সম্রাটকে বোঝায়?
৪. তুমি মাটির নিচে একটি তামার পাত খোদাই করা লেখা খুঁজে পেলে। ইতিহাসের উপাদান হিসেবে একে তুমি কী নামে ডাকবে?
৫. গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস কেন সিন্ধু নদ সংলগ্ন অঞ্চলকে 'ইন্ডিয়া' বলেছিলেন? এর পেছনে ভাষার কোন পরিবর্তন কাজ করেছিল?
উত্তরের সূত্র: 'স' থেকে 'হ' এবং 'হ' এর বদলে গ্রিক 'ই' উচ্চারণ।
৬. 'আদি-মধ্যযুগ' বলতে তুমি কী বোঝো? এটি কি একটি নির্দিষ্ট দিন থেকে শুরু হয়েছিল?
উত্তরের সূত্র: প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিক্ষণ; এটি রাতারাতি শুরু হয় না।
৭. মধ্যযুগের ভারতে রান্নায় 'আলু'র ব্যবহার শুরু হয়। এই পরিবর্তনের জন্য কোন বিদেশি শক্তি দায়ী ছিল?
৮. ঐতিহাসিককে কেন 'গোয়েন্দা' বলা হয়েছে? গোয়েন্দার 'ক্লু' আর ইতিহাসের 'উপাদান' কি একই জিনিস?
উত্তরের সূত্র: টুকরো সূত্র জুড়ে সত্য উদঘাটন করা।
৯. তাজমহল বা বড় মন্দিরগুলির গায়ে সাধারণ কারিগরদের নাম পাওয়া যায় না কেন? এতে ইতিহাসের কোন সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পায়?
উত্তরের সূত্র: ইতিহাস মূলত শাসকদের গুণগানে ভরা ছিল, সাধারণ মানুষের কথা কম থাকত।
১০. 'হিন্দুস্তান' শব্দটি ২৬২ খ্রিস্টাব্দে কোন দেশের শাসকের শিলালেখতে প্রথম পাওয়া যায়?
১১. মধ্যযুগে ভক্তিধর্মের প্রসারের ফলে আঞ্চলিক ভাষার উন্নতি হয়েছিল কেন? যুক্তি দাও।
উত্তরের সূত্র: সাধারণ মানুষের মুখের ভাষায় ধর্ম প্রচার করা হতো।
১২. "ইতিহাস মানেই শুধু রাজা-উজিরের যুদ্ধ আর সাল-তারিখ নয়" - পাঠ্যবই অনুসারে ইতিহাস জানার আসল উদ্দেশ্য কী?
উত্তরের সূত্র: মানুষের কাজকর্মের কারণ ও ফলাফল বোঝার চেষ্টা করা।
১৩. 'হুদুদ অল্ আলম' গ্রন্থে হিন্দুস্তান বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
১৪. প্রাচীন মুদ্রা থেকে আমরা কীভাবে ইতিহাস জানতে পারি? এটি কি 'লিখিত উপাদান' নাকি অন্য কিছু?
উত্তরের সূত্র: মুদ্রা একটি বস্তুগত উপাদান, যা থেকে সময় ও শাসকের নাম জানা যায়।
১৫. মধ্যযুগে বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় কোন কোন ক্ষেত্রে বড় বদল এসেছিল? (যেমন: জল তোলা বা যুদ্ধ)
উত্তরের সূত্র: কুয়ো থেকে জল তোলা, তাঁত বোনা ও যুদ্ধের অস্ত্র।
১৬. "দেশ" বলতে বর্ধমান জেলাকে বোঝানো হচ্ছে - এটি ইতিহাসের কোন সময়ের প্রেক্ষাপটে সঠিক হতে পারে?
উত্তরের সূত্র: সুলতানি বা মুঘল আমলে যখন 'দেশ' বলতে নির্দিষ্ট অঞ্চল বোঝাত।
১৭. ঐতিহাসিক যখন ইতিহাসের 'ফাঁক' ভরাট করেন, তখন তাকে কেন সাবধান থাকতে হয়?
উত্তরের সূত্র: যাতে ভুল সময়ের টুকরো ভুল জায়গায় না বসে যায়।
১৮. 'সকলোত্তরপথনাথ' বা 'গঙ্গাইকোন্ডচোল' - এই বড় বড় উপাধিগুলি মনে রাখা কঠিন হলেও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তরের সূত্র: এগুলি প্রাচীন মানুষের পরিচয় ও ঐতিহ্যের অংশ।
১৯. ইতিহাসের যুগ বিভাজন (প্রাচীন, মধ্য, আধুনিক) কিসের ওপর ভিত্তি করে করা হয়?
উত্তরের সূত্র: জীবনযাপন, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও দেশশাসনের তফাৎ থেকে।
২০. মধ্যযুগ কি সত্যিই 'অন্ধকারের যুগ' ছিল? তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে যুক্তি দাও।
উত্তরের সূত্র: না, কারণ এই সময়ে প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প ও ধর্মের অনেক উন্নতি হয়েছিল।
© WBBSE AI Engine - Educational Purpose Only
Day 4: Class VII • History ১. ইতিহাসের ধারণা ONLINE EXAM
WBBSE Online Exam 1
বিষয়: ইতিহাস | প্রথম অধ্যায়: ইতিহাসের ধারণা
Class: VII | Full Marks: 30 | Time: 45 Minutes
আপনার ফলাফল
০ / ৩০
Day 5: ONLINE EXAM
WBBSE Online Exam Set 2
শ্রেণি: সপ্তম | বিষয়: ইতিহাস
অধ্যায়: ইতিহাসের ধারণা (Concept of History)
আপনার ফলাফল
0 / 30
Day 6: ONLINE EXAM
WBBSE Online Exam Set 3
বিষয়: ইতিহাস | অধ্যায়: ১ - ইতিহাসের ধারণা