DAY 1 Professor Shonku: Byomjatrir Diary CLASS NOTES
প্রফেসর শঙ্কু: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি - Intro Card
Class IX | সহায়ক পাঠ সত্যজিৎ রায়

প্রফেসর শঙ্কু: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

এটি প্রফেসর শঙ্কু সিরিজের প্রথম গল্প। গিরিডির বিজ্ঞানী ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর মঙ্গল অভিযানের রোমাঞ্চকর কাহিনী এবং এক অবিনশ্বর ডায়রির রহস্য নিয়ে এই অধ্যায়টি আবর্তিত।

প্রধান চরিত্রসমূহ

প্রফেসর শঙ্কু

গিরিডিনিবাসী অদ্ভুতকর্মা বিজ্ঞানী। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও আবিষ্কারই গল্পের মূল ভিত্তি।

নিউটন

প্রফেসর শঙ্কুর প্রিয় পোষ্য বিড়াল এবং প্রতিটি অভিযানের বিশ্বস্ত সাথী।

প্রহ্লাদ

শঙ্কুর অনুগত ভৃত্য। কিছুটা বোকা হলেও সে মঙ্গল অভিযানে শঙ্কুর সঙ্গী হয়।

বিধুশেখর

শঙ্কুর তৈরি রোবট। মঙ্গলে পৌঁছে সে মানুষের মতো ভয় পেতে শুরু করে।

গল্পের সারাংশ

প্রফেসর শঙ্কু নিজের তৈরি রকেটে করে মঙ্গল অভিযানে যান। তাঁর সঙ্গী হয় নিউটন, প্রহ্লাদ ও বিধুশেখর। মঙ্গলের প্রকৃতি পৃথিবীর চেয়ে আলাদা—সেখানে ঘাস লাল এবং নদী স্বচ্ছ।

মঙ্গলের ভয়ানক অধিবাসীদের আক্রমণের মুখে পড়ে তাঁরা প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যান এবং রকেটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এক অজানা গ্রহে পৌঁছায়।

শঙ্কুর বিস্ময়কর আবিষ্কার

বটিকা ইন্ডিকা: খিদে-তৃষ্ণা মেটানোর বড়ি।

মিরাকিউরল: সর্বরোগনাশক ঔষধ।

স্নাফগান: প্রাণীকে অজ্ঞান করার বন্দুক।

অবিনশ্বর ডায়রি: যা আগুনে পোড়ে না এবং যার কালির রং বদলায়।

গবেষণাগার

গিরিডি (ঝাড়খণ্ড)

ডায়রির বিশেষত্ব

অবিনশ্বর ও রং পরিবর্তনশীল

মঙ্গলের প্রকৃতি

লাল ঘাস ও স্বচ্ছ নদী

WBBSE AI Engine - Interactive Learning Module

প্রফেসর শঙ্কু - ব্যোমযাত্রীর ডায়রি নোটস
WBBSE AI Notes

প্রফেসর শঙ্কু: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

শ্রেণি: নবম | বিষয়: সহায়ক পাঠ | লেখক: সত্যজিৎ রায়

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (SAQ) - ২০টি

১. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পটি কোন সিরিজের অন্তর্ভুক্ত?

উত্তর: এটি সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত 'প্রফেসর শঙ্কু' সিরিজের প্রথম গল্প।

২. প্রফেসর শঙ্কুর পুরো নাম কী এবং তিনি কোথায় থাকেন?

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর পুরো নাম ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু এবং তিনি ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে বাস করেন।

৩. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রিটির বিশেষত্ব কী?

উত্তর: ডায়রিটি অবিনশ্বর (নষ্ট করা যায় না), এর কালির রং পরিবর্তন হয় এবং কামড়ালে রাবারের মতো মনে হয়।

৪. নিউটন কে?

উত্তর: নিউটন হলো প্রফেসর শঙ্কুর প্রিয় পোষ্য বিড়াল এবং তাঁর অভিযানের সঙ্গী।

৫. প্রহ্লাদ কে? তার স্বভাব কেমন?

উত্তর: প্রহ্লাদ শঙ্কুর বিশ্বস্ত ভৃত্য। সে কিছুটা বোকা প্রকৃতির হলেও অত্যন্ত অনুগত।

৬. বিধুশেখর কে?

উত্তর: বিধুশেখর হলো প্রফেসর শঙ্কুর তৈরি একটি রোবট বা যান্ত্রিক মানুষ।

৭. 'বটিকা ইন্ডিকা' কী কাজে লাগে?

উত্তর: এটি এক ধরণের বড়ি যা খেলে খিদে-তৃষ্ণা মেটে এবং শরীরে শক্তি বজায় থাকে।

৮. 'মিরাকিউরল' বড়ির গুণাগুণ কী?

উত্তর: মিরাকিউরল হলো প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কৃত একটি সর্বরোগনাশক বড়ি।

৯. 'স্নাফগান' কী ধরনের অস্ত্র?

উত্তর: এটি এমন এক বন্দুক যা প্রয়োগ করলে মানুষ বা প্রাণী মারা যায় না, কেবল সাময়িকভাবে অজ্ঞান হয়ে যায়।

১০. শঙ্কুর রকেট প্রথমবার উৎক্ষেপণে কী হয়েছিল?

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর রকেট প্রথমবার উৎক্ষেপণে ব্যর্থ হয়েছিল।

১১. মঙ্গল অভিযানের যাত্রী কারা ছিলেন?

উত্তর: যাত্রী ছিলেন প্রফেসর শঙ্কু, নিউটন (বিড়াল), প্রহ্লাদ (ভৃত্য) এবং বিধুশেখর (রোবট)।

১২. মঙ্গলের ঘাসের রং কেমন ছিল?

উত্তর: মঙ্গলের ঘাস ছিল নরম এবং লাল রঙের।

১৩. মঙ্গলের নদীগুলির বৈশিষ্ট্য কী ছিল?

উত্তর: মঙ্গলের নদীগুলির ধারা ছিল স্বচ্ছ।

১৪. মঙ্গলের অধিবাসীরা দেখতে কেমন ছিল?

উত্তর: তারা দেখতে অনেকটা মানুষের মতো হলেও তাদের শরীর ছিল অদ্ভুত এবং চোখগুলো ছিল উজ্জ্বল।

১৫. মঙ্গলে পৌঁছে বিধুশেখরের আচরণ কেমন হয়েছিল?

উত্তর: বিধুশেখর মঙ্গলে পৌঁছে মানুষের মতো ভয় পেতে শুরু করেছিল।

১৬. মঙ্গলবাসীদের হাত থেকে কে সাহসের সাথে লড়াই করেছিল?

উত্তর: রোবট বিধুশেখর মঙ্গলবাসীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাহসের সাথে লড়াই করেছিল।

১৭. মঙ্গল থেকে পালানোর পর রকেটটি কোথায় পৌঁছায়?

উত্তর: রকেটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এক অজানা গ্রহে গিয়ে পৌঁছায়।

১৮. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রি আগুনে পোড়ে না কেন?

উত্তর: কারণ ডায়রিটির কাগজ সাধারণ নয়, এটি প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কৃত এক বিশেষ অবিনশ্বর উপাদানে তৈরি।

১৯. গিরিডি জায়গাটি কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: গিরিডি ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে অবস্থিত।

২০. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পটির মূল ভিত্তি কী?

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর অগাধ জ্ঞান এবং তাঁর অদ্ভুত সব বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারই এই গল্পের মূল ভিত্তি।

রচনাধর্মী প্রশ্ন (LAQ) - ২০টি

১. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রিটির ভৌত বৈশিষ্ট্য ও বিস্ময়কর দিকগুলি আলোচনা করো।

উত্তর: 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হলো প্রফেসর শঙ্কুর সেই অদ্ভুত ডায়রিটি। এটি কোনো সাধারণ কাগজে তৈরি নয়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি অবিনশ্বর—অর্থাৎ একে কোনোভাবেই নষ্ট করা যায় না। আগুনে ফেললে এটি পোড়ে না, এমনকি কামড়ালে রাবারের মতো অনুভূত হয়। ডায়রিটির আরেকটি বিস্ময়কর দিক হলো এর কালির রং। সময়ের সাথে সাথে এর কালির রং পরিবর্তিত হতে থাকে। এই ডায়রি থেকেই আমরা প্রফেসর শঙ্কুর মঙ্গল অভিযানের রোমাঞ্চকর কাহিনী জানতে পারি।

২. প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি পাঠ্য অনুসরণে লেখো।

উত্তর: প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু একজন অদ্ভুতকর্মা বিজ্ঞানী। তিনি ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে বাস করেন। তাঁর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর অগাধ জ্ঞান এবং অদম্য কৌতূহল। তিনি মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহী এবং নিজের চেষ্টায় রকেট তৈরি করেন। তিনি কেবল একজন তাত্ত্বিক বিজ্ঞানী নন, বরং একজন সফল উদ্ভাবকও বটে। বটিকা ইন্ডিকা বা মিরাকিউরলের মতো আবিষ্কার তাঁর প্রতিভার পরিচয় দেয়। তিনি সাহসী এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শান্ত থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, যা তাঁর মঙ্গল অভিযানে প্রমাণিত হয়েছে।

৩. মঙ্গল অভিযানে প্রফেসর শঙ্কুর সঙ্গী কারা ছিলেন? তাঁদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর মঙ্গল অভিযানে তাঁর সাথে তিনজন সঙ্গী ছিলেন: ১) নিউটন: শঙ্কুর অত্যন্ত প্রিয় পোষ্য বিড়াল, যে সব সময় তাঁর সাথে থাকে। ২) প্রহ্লাদ: শঙ্কুর দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ভৃত্য। সে কিছুটা সহজ-সরল ও বোকা প্রকৃতির হলেও শঙ্কুর প্রতি অত্যন্ত অনুগত। ৩) বিধুশেখর: এটি শঙ্কুর নিজের হাতে তৈরি একটি রোবট বা যান্ত্রিক মানুষ। সে অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং মঙ্গলে গিয়ে মানুষের মতো আবেগ (ভয়) প্রকাশ করে অবাক করে দেয়।

৪. প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কৃত 'বটিকা ইন্ডিকা' ও 'মিরাকিউরল' সম্পর্কে যা জানো লেখো।

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু তাঁর গবেষণাগারে বহু বিস্ময়কর ওষুধ আবিষ্কার করেছেন। 'বটিকা ইন্ডিকা' হলো এক বিশেষ ধরণের বড়ি, যা মহাকাশ ভ্রমণের সময় অত্যন্ত কার্যকর। এটি খেলে দীর্ঘক্ষণ খিদে বা তৃষ্ণা পায় না এবং শরীরে পূর্ণ শক্তি বজায় থাকে। অন্যদিকে, 'মিরাকিউরল' হলো একটি সর্বরোগনাশক বড়ি। যেকোনো কঠিন অসুখ সারাতে এই বড়িটি অব্যর্থ। এই আবিষ্কারগুলি প্রমাণ করে যে শঙ্কু চিকিৎসা বিজ্ঞান ও রসায়নে কতটা পারদর্শী ছিলেন।

৫. মঙ্গল গ্রহের প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও।

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু মঙ্গলে পৌঁছে দেখেন যে সেখানকার প্রকৃতি পৃথিবীর চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মঙ্গলের ঘাস ছিল অত্যন্ত নরম এবং তার রং ছিল লাল। সেখানকার নদীগুলোর জল ছিল স্বচ্ছ ধারার মতো। সামগ্রিকভাবে মঙ্গলের পরিবেশ ছিল রহস্যময় এবং পৃথিবীর মানুষের কাছে তা ছিল এক নতুন অভিজ্ঞতা। তবে এই সুন্দর প্রকৃতির আড়ালে লুকিয়ে ছিল সেখানকার ভয়ানক অধিবাসীদের আতঙ্ক।

৬. মঙ্গলের অধিবাসীদের সাথে শঙ্কুর দলের সংঘর্ষের বিবরণ দাও।

উত্তর: মঙ্গলে পৌঁছানোর পর শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীরা সেখানকার ভয়ানক অধিবাসীদের সম্মুখীন হন। তারা দেখতে অনেকটা মানুষের মতো হলেও তাদের শারীরিক গঠন ছিল অদ্ভুত এবং চোখগুলো ছিল উজ্জ্বল। তারা শঙ্কুর দলকে আক্রমণ করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এই সময় রোবট বিধুশেখর অত্যন্ত সাহসের সাথে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। শেষ পর্যন্ত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কু তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে রকেটে করে সেই অভিশপ্ত পরিবেশ থেকে পালিয়ে বাঁচেন।

৭. রোবট বিধুশেখরের ভূমিকা 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: বিধুশেখর কেবল একটি যন্ত্র নয়, গল্পের এক অবিচ্ছেদ্য চরিত্র। সে শঙ্কুর বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের প্রতীক। অভিযানে সে কেবল ভারবহন বা সাহায্য করেনি, বরং মঙ্গলে পৌঁছে সে মানুষের মতো ভয় পেয়ে এক অদ্ভুত আচরণ প্রদর্শন করে। মঙ্গলবাসীদের আক্রমণের সময় সে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় এবং সাহসের সাথে লড়াই করে শঙ্কু ও অন্যদের প্রাণ রক্ষা করে। তার এই যান্ত্রিক ও মানবিক আচরণের সংমিশ্রণ গল্পটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

৮. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পে বিজ্ঞানের সাথে কল্পনার মেলবন্ধন কীভাবে ঘটেছে?

উত্তর: এই গল্পটি কল্পবিজ্ঞানের এক অনন্য উদাহরণ। এখানে রকেট তৈরি, মহাকাশ ভ্রমণ এবং রোবট তৈরির মতো বৈজ্ঞানিক বিষয়ের সাথে অবিনশ্বর ডায়রি, সর্বরোগনাশক বড়ি এবং ভিনগ্রহের অদ্ভুত প্রাণীর মতো কাল্পনিক উপাদান যুক্ত হয়েছে। সত্যজিৎ রায় অত্যন্ত নিপুণভাবে গিরিডির এক সাধারণ পরিবেশ থেকে শুরু করে মহাকাশের অজানার উদ্দেশ্যে যাত্রার কাহিনী বুনেছেন, যেখানে বিজ্ঞান ও রোমাঞ্চ হাত ধরাধরি করে চলেছে।

৯. শঙ্কুর রকেট অভিযান ও তার পরিণাম সম্পর্কে লেখো।

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর একটি রকেট তৈরি করেন। প্রথমবার ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয়বার তিনি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেন। রকেটে করে তিনি মঙ্গলে পৌঁছান এবং সেখানকার প্রতিকূল পরিবেশের সম্মুখীন হন। মঙ্গলবাসীদের আক্রমণের কারণে তাঁরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন। তবে ফেরার পথে রকেটটি তার নির্দিষ্ট পথ হারিয়ে ফেলে এবং লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এক অজানা গ্রহে গিয়ে আশ্রয় নেয়।

১০. 'স্নাফগান' এর কার্যকারিতা এবং এর নৈতিক দিকটি আলোচনা করো।

উত্তর: 'স্নাফগান' প্রফেসর শঙ্কুর এক মানবিক আবিষ্কার। এটি একটি বন্দুক হলেও এর উদ্দেশ্য প্রাণহানি নয়। এটি প্রয়োগ করলে যেকোনো মানুষ বা প্রাণী সাময়িকভাবে অজ্ঞান হয়ে যায় কিন্তু মারা যায় না। এটি আত্মরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়। শঙ্কুর এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে তিনি একজন অহিংস বিজ্ঞানী ছিলেন, যিনি বিজ্ঞানের শক্তিকে ধ্বংসের বদলে আত্মরক্ষা ও কল্যাণের কাজে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন।

১১. প্রহ্লাদ চরিত্রটি গল্পের হাস্যরস ও বিশ্বস্ততার প্রতীক—আলোচনা করো।

উত্তর: প্রহ্লাদ প্রফেসর শঙ্কুর ভৃত্য এবং তাঁর অভিযানের অন্যতম সঙ্গী। সে সহজ-সরল এবং কিছুটা বোকা হওয়ার কারণে গল্পে অনেক সময় হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। তবে তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো তার আনুগত্য। প্রাণের ঝুঁকি জেনেও সে শঙ্কুর সাথে মঙ্গলে যেতে দ্বিধা করেনি। তার এই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সেবা শঙ্কুর গবেষণার কাজেও মানসিক শক্তি জোগায়।

১২. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তর: গল্পের নাম 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' অত্যন্ত সার্থক। 'ব্যোম' শব্দের অর্থ আকাশ বা মহাকাশ। এখানে প্রফেসর শঙ্কু একজন ব্যোমযাত্রী বা মহাকাশচারী। পুরো গল্পটি বর্ণিত হয়েছে তাঁর লেখা একটি ডায়রির মাধ্যমে। ডায়রিটি নিজেই এক রহস্যময় বস্তু। যেহেতু ডায়রির পাতায় পাতায় শঙ্কুর মহাকাশ ভ্রমণের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ আছে, তাই এই নামকরণটি বিষয়বস্তুর সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।

১৩. মঙ্গলে পৌঁছে শঙ্কুর দলের প্রাথমিক অভিজ্ঞতার বর্ণনা দাও।

উত্তর: মঙ্গলে নামার পর শঙ্কুর দল এক অদ্ভুত ও শান্ত পরিবেশ দেখতে পায়। লাল ঘাস এবং স্বচ্ছ জলের নদী তাঁদের অবাক করে। পৃথিবীর সাথে এই গ্রহের কোনো মিল ছিল না। প্রথম দিকে পরিবেশটি শান্ত মনে হলেও শীঘ্রই তাঁরা বুঝতে পারেন যে সেখানকার আবহাওয়া এবং প্রাণীরা তাঁদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ নয়। বিধুশেখরের ভীতি প্রদর্শন তাঁদের বিপদের সংকেত দেয়।

১৪. প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারের তালিকায় 'অবিনশ্বর ডায়রি' কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: শঙ্কুর আবিষ্কৃত ডায়রিটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি তাঁর সমস্ত গবেষণার সাক্ষী। যদি ডায়রিটি সাধারণ হতো, তবে হয়তো মহাকাশ ভ্রমণের প্রতিকূলতায় বা সময়ের সাথে সাথে তা নষ্ট হয়ে যেত। ডায়রিটির অবিনশ্বরতা নিশ্চিত করে যে শঙ্কুর জ্ঞান এবং তাঁর অভিযানের কাহিনী চিরকাল সংরক্ষিত থাকবে। এর পরিবর্তনশীল কালির রং ডায়রিটিকে এক অতিপ্রাকৃত মাত্রা দান করেছে।

১৫. মঙ্গলবাসীদের আক্রমণের সময় বিধুশেখর কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল?

উত্তর: মঙ্গলবাসীরা যখন শঙ্কুর দলকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ করতে উদ্যত হয়, তখন বিধুশেখর তার যান্ত্রিক শক্তি প্রদর্শন করে। সে ভয় পেলেও তার প্রোগ্রামিং অনুযায়ী শঙ্কুকে রক্ষা করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সে মঙ্গলবাসীদের সাথে হাতাহাতি লড়াই করে এবং তাদের প্রতিহত করে। বিধুশেখরের এই সক্রিয়তা না থাকলে শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীদের পক্ষে মঙ্গলে প্রাণ বাঁচানো অসম্ভব হতো।

১৬. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণাগার ও গিরিডির পরিবেশের বর্ণনা দাও।

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কু গিরিডিতে একটি নির্জন পরিবেশে তাঁর গবেষণাগার স্থাপন করেছিলেন। সেখানে তিনি দিনরাত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতেন। গিরিডির শান্ত পরিবেশ তাঁর রকেট তৈরি ও অন্যান্য উদ্ভাবনের জন্য সহায়ক ছিল। তাঁর এই গবেষণাগার থেকেই 'বটিকা ইন্ডিকা' ও 'স্নাফগান'-এর মতো বিস্ময়কর জিনিসের জন্ম হয়েছে।

১৭. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পে ভয়ের উপাদানগুলি কী কী?

উত্তর: গল্পের ভয়ের প্রধান উপাদান হলো মঙ্গলের অদ্ভুত দর্শন অধিবাসীরা। তাদের উজ্জ্বল চোখ এবং অস্বাভাবিক শরীর এক ধরণের আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এছাড়া, মহাকাশ ভ্রমণের অনিশ্চয়তা, রকেটের লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া এবং বিধুশেখরের মতো একটি যন্ত্রের ভয় পাওয়া—এই সব কিছুই গল্পের মধ্যে এক রহস্যময় ও ভীতিপ্রদ পরিবেশ তৈরি করেছে।

১৮. শঙ্কুর রকেট কেন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল এবং তার ফল কী হয়েছিল?

উত্তর: মঙ্গলের ভয়ানক অধিবাসীদের হাত থেকে দ্রুত পালানোর তাড়াহুড়োয় রকেটটি তার সঠিক পথ বজায় রাখতে পারেনি। যান্ত্রিক ত্রুটি বা তাড়াহুড়োর কারণে এটি মহাকাশে দিক হারিয়ে ফেলে। এর ফলে শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীরা পৃথিবীতে ফিরতে না পেরে এক অজানা গ্রহে গিয়ে পৌঁছান। এটি গল্পের শেষে এক নতুন রহস্যের ইঙ্গিত দেয়।

১৯. সত্যজিৎ রায়ের বিজ্ঞানমনস্কতা এই গল্পে কীভাবে ফুটে উঠেছে?

উত্তর: সত্যজিৎ রায় এই গল্পে কেবল কল্পনা করেননি, বরং বিজ্ঞানের বিভিন্ন দিককে গুরুত্ব দিয়েছেন। রকেট উৎক্ষেপণের ব্যর্থতা ও সাফল্য, মহাকাশে খাদ্যের সমস্যা মেটাতে বড়ি আবিষ্কার, এবং রোবটের কার্যকারিতা—এই সবকিছুর বর্ণনায় এক ধরণের যৌক্তিকতা রয়েছে। তিনি প্রফেসর শঙ্কুকে একজন আন্তর্জাতিক মানের বিজ্ঞানী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন যা বাঙালির বিজ্ঞানমনস্কতাকে গর্বিত করে।

২০. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পের উপসংহার থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?

উত্তর: গল্পের উপসংহার আমাদের শেখায় যে অজানাকে জানার পথে অনেক বিপদ আসতে পারে, কিন্তু সাহস ও বুদ্ধির প্রয়োগ করলে সেই বিপদ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। প্রফেসর শঙ্কুর অদম্য জেদ এবং তাঁর সঙ্গীদের পারস্পরিক সহযোগিতা (যেমন বিধুশেখরের লড়াই বা প্রহ্লাদের আনুগত্য) যেকোনো কঠিন অভিযানে সফল হওয়ার মূল চাবিকাঠি। এছাড়া বিজ্ঞানের অপব্যবহার নয়, বরং উদ্ভাবনী শক্তির জয়গানই এই গল্পের মূল শিক্ষা।

© 2024 WBBSE AI Engine - প্রফেসর শঙ্কু সিরিজ নোটস

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি | সত্যজিৎ রায়

WBBSE Mock Test - ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

প্রফেসর শঙ্কু: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

শ্রেণি: নবম | বিষয়: সহায়ক পাঠ | মক টেস্ট

মোট প্রশ্ন: ৬০

নির্দেশিকা: প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো। পরীক্ষা শেষে 'Submit Test' বাটনে ক্লিক করে তোমার স্কোর দেখে নাও।

WBBSE Online Exam - ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)

অনলাইন মূল্যায়ন: ২০২৪-২৫

শ্রেণি: নবম বিষয়: সহায়ক পাঠ অধ্যায়: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (MCQ) - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো

১. প্রফেসর শঙ্কু কোথায় বাস করেন?

২. শঙ্কুর প্রিয় পোষ্য বিড়ালটির নাম কী?

৩. 'বটিকা ইন্ডিকা' আসলে কী?

৪. মঙ্গলের ঘাসের রং কেমন ছিল?

৫. প্রফেসর শঙ্কুর তৈরি রোবটের নাম কী?

৬. 'মিরাকিউরল' বড়িটি কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?

৭. শঙ্কুর বিশ্বস্ত ভৃত্যের নাম কী?

৮. স্নাফগান দিয়ে গুলি করলে কী হয়?

৯. শঙ্কুর ডায়রিটি কামড়ালে কেমন অনুভূতি হয়?

১০. মঙ্গলের নদীগুলির জল কেমন ছিল?

সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন (Descriptive)

১. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রির বিশেষত্বগুলি আলোচনা করো।

২. প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য লেখো।

৩. মঙ্গল অভিযানে শঙ্কুর সঙ্গী কারা ছিল? তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

৪. মঙ্গলের প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও।

৫. মঙ্গল গ্রহের অধিবাসীরা দেখতে কেমন ছিল? তারা কী করেছিল?

৬. 'ব্যোমযাত্রীর ডায়রি' গল্পে বিধুশেখরের ভূমিকা কী ছিল?

৭. প্রফেসর শঙ্কুর তিনটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কারের নাম ও কাজ লেখো।

৮. মঙ্গল অভিযান শেষে শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীরা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন?

৯. প্রহ্লাদ সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত করো।

১০. কেন শঙ্কুর ডায়রিটিকে 'অবিনশ্বর' বলা হয়েছে?

প্রফেসর শঙ্কু - ব্যোমযাত্রীর ডায়রি | WBBSE AI Engine
Class IX | সহায়ক পাঠ WBBSE AI Engine

প্রফেসর শঙ্কু: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

সত্যজিৎ রায়

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন ও সমাধান

প্রশ্ন ১: প্রফেসর শঙ্কুর পুরো নাম কী এবং তিনি কোথায় বাস করেন?

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর পুরো নাম প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু। তিনি ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে বাস করেন।

প্রশ্ন ২: প্রফেসর শঙ্কুর মঙ্গল অভিযানের সঙ্গী কারা ছিল?

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর মঙ্গল অভিযানের সঙ্গী ছিল তাঁর পোষ্য বিড়াল নিউটন, বিশ্বস্ত ভৃত্য প্রহ্লাদ এবং তাঁর তৈরি রোবট বিধুশেখর।

প্রশ্ন ৩: প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রিটির বিশেষত্ব কী?

উত্তর: ডায়রিটির বিশেষত্ব হলো এটি অবিনশ্বর (আগুনে পোড়ে না), কামড়ালে রাবারের মতো অনুভূতি হয় এবং এর কালির রং সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন ও সমাধান

প্রশ্ন ১: মঙ্গলের প্রকৃতির বর্ণনা দাও।

উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর বর্ণনায় মঙ্গলের প্রকৃতি পৃথিবীর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে ঘাস অত্যন্ত নরম এবং লাল রঙের। মঙ্গলের নদীগুলো স্বচ্ছ ধারায় বয়ে যায়। তবে সেখানকার পরিবেশ ছিল অভিশপ্ত এবং অধিবাসীরা ছিল ভয়ানক ও অদ্ভুত দর্শন।

প্রশ্ন ২: বিধুশেখর কে? অভিযানে তার ভূমিকা কী ছিল?

উত্তর: বিধুশেখর হলো প্রফেসর শঙ্কুর তৈরি একটি যান্ত্রিক মানুষ বা রোবট। মঙ্গল অভিযানে সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মঙ্গলে পৌঁছে সে মানুষের মতো ভয় পেতে শুরু করে এবং যখন ভয়ানক মঙ্গলবাসীরা শঙ্কু ও তাঁর সঙ্গীদের আক্রমণ করে, তখন বিধুশেখর সাহসের সাথে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

শঙ্কুর আবিষ্কার ও উপযোগিতা (স্তম্ভ মেলানো)

আবিষ্কারের নামকাজ/উপযোগিতা
বটিকা ইন্ডিকাখিদে-তৃষ্ণা মেটানো এবং শরীরে শক্তি বজায় রাখা।
মিরাকিউরলসর্ব রোগনাশক বড়ি।
স্নাফগানপ্রাণীকে অজ্ঞান করার বন্দুক (প্রাণনাশ করে না)।
অবিনশ্বর ডায়রিনষ্ট না হওয়া এবং রং পরিবর্তনশীল কালিতে লেখা ডায়রি।

শূন্যস্থান পূরণ করো

১. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণাগার ________ নামক স্থানে অবস্থিত।

উত্তর: গিরিডি

২. মঙ্গলের ঘাসের রং ছিল ________।

উত্তর: লাল

৩. শঙ্কুর রকেটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এক ________ গ্রহে পৌঁছায়।

উত্তর: অজানা

৪. প্রহ্লাদ ছিল শঙ্কুর অত্যন্ত ________ ভৃত্য।

উত্তর: অনুগত

© WBBSE AI Engine - ব্যোমযাত্রীর ডায়রি পাঠ্যভিত্তিক অনুশীলনী

WBBSE Revision: ব্যোমযাত্রীর ডায়রি
Revision Tab

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি: প্রফেসর শঙ্কু

শ্রেণী: নবম | বিষয়: সহায়ক পাঠ (সত্যজিৎ রায়)

Mistake Analysis (ভুল সংশোধন ও সতর্কতা)

সাধারণ ভুল (Common Mistake)সঠিক ধারণা (Correction/Fact)
মনে করা যে প্রফেসর শঙ্কু কলকাতায় থাকেন।প্রফেসর শঙ্কু ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে বাস করেন।
নিউটনকে কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণী ভাবা।নিউটন হলো প্রফেসর শঙ্কুর প্রিয় পোষ্য বিড়াল
স্নাফগান দিয়ে শত্রু হত্যা করা হয় বলে মনে করা।স্নাফগান মানুষকে অজ্ঞান করে দেয়, কিন্তু মেরে ফেলে না।
মঙ্গলের ঘাস পৃথিবীর মতো সবুজ মনে করা।মঙ্গলের ঘাস ছিল নরম এবং লাল রঙের
ডায়রিটি সাধারণ কাগজের তৈরি মনে করা।ডায়রিটি অবিনশ্বর (আগুনে পোড়ে না) এবং এর কালির রং সময়ের সাথে বদলায়।
মঙ্গল অভিযানের পর তাঁরা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।তাঁরা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এক অজানা গ্রহে গিয়ে পৌঁছান।

Power Revision Summary (দ্রুত রিভিশন)

চরিত্র ও প্রেক্ষাপট

  • প্রফেসর শঙ্কু: গিরিডিনিবাসী অদ্ভুতকর্মা বিজ্ঞানী।
  • অভিযাত্রী দল: শঙ্কু, নিউটন (বিড়াল), প্রহ্লাদ (ভৃত্য) ও বিধুশেখর (রোবট)।
  • ডায়রির বৈশিষ্ট্য: অবিনশ্বর, রং পরিবর্তনকারী এবং কামড়ালে রাবারের মতো লাগে।

আবিষ্কার ও অভিযান

  • বটিকা ইন্ডিকা: খিদে-তৃষ্ণা মেটানোর বড়ি।
  • মিরাকিউরল: সর্বরোগনাশক ঔষধ।
  • মঙ্গলের পরিবেশ: লাল ঘাস, স্বচ্ছ নদী এবং ভয়ানক আক্রমণাত্মক অধিবাসী।
  • পরিণতি: মঙ্গলের বিভীষিকা থেকে বাঁচতে রকেট নিয়ে অজানা গ্রহে প্রস্থান।

💡 পরীক্ষার টিপস:

প্রফেসর শঙ্কুর আবিষ্কারগুলোর নাম এবং তাদের কাজ আলাদাভাবে মনে রাখবে। বিশেষ করে 'বটিকা ইন্ডিকা' এবং 'মিরাকিউরল'-এর মধ্যে গুলিয়ে ফেলো না।

© WBBSE AI Engine - Revision Module | Class IX Sahayak Path
Active Recall Toolkit - ব্যোমযাত্রীর ডায়রি
Class IX | সহায়ক পাঠ

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি

প্রফেসর শঙ্কু (সত্যজিৎ রায়) - Active Recall Toolkit

1. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

১. প্রফেসর শঙ্কুর পুরো নাম কী?

২. প্রফেসর শঙ্কু কোথায় বাস করেন?

৩. শঙ্কুর পোষ্য বিড়ালটির নাম কী?

৪. শঙ্কুর ভৃত্যের নাম কী এবং সে কেমন প্রকৃতির?

৫. বিধুশেখর আসলে কী?

৬. মঙ্গলে যাওয়ার জন্য শঙ্কু কী যান তৈরি করেছিলেন?

৭. মঙ্গলের ঘাসের রঙ কেমন ছিল?

৮. 'বটিকা ইন্ডিকা' নামক বড়িটির কাজ কী?

৯. 'মিরাকিউরল' বড়িটি কী কাজে ব্যবহৃত হয়?

১০. 'স্নাফগান' বন্দুকটি ব্যবহার করলে কী ঘটে?

১১. শঙ্কুর ডায়রিটির দুটি বিশেষত্ব উল্লেখ করো।

১২. মঙ্গলের অধিবাসীরা দেখতে কেমন ছিল?

১৩. মঙ্গলে পৌঁছে কে মানুষের মতো ভয় পেতে শুরু করেছিল?

১৪. মঙ্গলের নদীগুলির জল কেমন ছিল?

১৫. মঙ্গল থেকে পালিয়ে রকেটটি শেষ পর্যন্ত কোথায় পৌঁছায়?

2. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

৫ বছরের শিশুকে বোঝানোর মতো করে মূল বিষয়টি ব্যাখ্যা করো:

"মনে করো গিরিডিতে একজন খুব বুদ্ধিমান দাদু বিজ্ঞানী থাকেন, যাঁর নাম প্রফেসর শঙ্কু। তাঁর কাছে একটা জাদুকরী ডায়রি আছে যা আগুনেও পোড়ে না আর কামড়ালে রাবারের মতো লাগে! তিনি মঙ্গলে যাওয়ার জন্য একটা বড় রকেট বানালেন। সাথে নিলেন তাঁর বিড়াল নিউটন, ভৃত্য প্রহ্লাদ আর একটা লোহার রোবট বন্ধু বিধুশেখরকে। মঙ্গলে গিয়ে তাঁরা দেখলেন সেখানকার ঘাস লাল রঙের! কিন্তু সেখানকার মানুষগুলো খুব ভয়ংকর ছিল। রোবট বিধুশেখর তাঁদের বাঁচাল আর তাঁরা রকেটে করে পালিয়ে এক অজানা গ্রহে চলে গেলেন।"

3. Spaced Repetition Schedule (পুনরাবৃত্তি তালিকা)

১ দিন পর (Day 1)

প্রধান চরিত্রসমূহ (শঙ্কু, নিউটন, প্রহ্লাদ, বিধুশেখর) এবং তাঁদের পরিচয় পুনরায় ঝালিয়ে নাও।

৩ দিন পর (Day 3)

শঙ্কুর ৪টি বিশেষ আবিষ্কার (বটিকা ইন্ডিকা, মিরাকিউরল, স্নাফগান, অবিনশ্বর ডায়রি) এবং এগুলোর কাজ মনে করো।

৭ দিন পর (Day 7)

মঙ্গলের পরিবেশের বর্ণনা এবং সেখানে ঘটা রোমাঞ্চকর ঘটনাগুলো নিজের ভাষায় বলার চেষ্টা করো।

© WBBSE AI Engine - Educational Toolkit for Class IX
WBSSC GROWTH ACADEMY - Master Hub

WBSSC GROWTH ACADEMY

“অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ও ভবিষ্যতের নেতৃত্বের পূর্ণাঙ্গ প্ল্যাটফর্ম”

1 Month Access

₹99

বেসিক এনরোলমেন্ট এবং ৩৬৫ দিনের ট্র্যাকার এক্সেস।

Enroll Now

3 Months Access

₹249

সেমিস্টার প্রস্তুতি গাইডলাইন এবং এআই টিপস।

Enroll Now

12 Months Access

₹499

লাইফটাইম অ্যাকাডেমিক সাপোর্ট ও লিডারশিপ হাব।

Enroll Now

Syllabus Breakdown (All Classes)

এক নজরে সব শ্রেণীর সিলেবাস বিন্যাস

🤖

AI Usage for Fast Studying

১. দ্রুত পড়ার কৌশল (Summarization)

এআই ব্যবহার করে যেকোনো বড় অধ্যায়ের মূল কথা ৫ মিনিটে বুঝে নিন।

২. কুইজ ও আত্ম-মূল্যায়ন

পড়া শেষে এআই-কে দিয়ে প্রশ্নপত্র বানিয়ে পরীক্ষা দিন।

৩. প্রোডাক্টিভিটি বুস্ট

আপনার নোটগুলো এআই-কে দিন এবং উন্নত গ্রামার ও ভোকাবুলারি সাজেশন নিন।

🚀

Master Plan for Confidence

🗣️

Spoken English & Communication

প্রতিদিন ২০টি ভার্ব মুখস্থ করা এবং ইংরেজিতে কথা বলার বিশেষ প্র্যাকটিস।

🎤

Public Speaking Skills

মঞ্চের ভয় কাটিয়ে সবার সামনে গুছিয়ে কথা বলার প্রশিক্ষণ।

💼

Business & Wealth Education

টাকা উপার্জনের লজিক এবং ম্যানেজমেন্ট স্কিল বাড়ানোর মাস্টার ক্লাস।

BISWAZ GROWTH ACADEMY - Class Menu