Smart AI Education
পরীক্ষার প্রস্তুতি, দ্রুত রিভিশন এবং স্মার্ট স্টাডির জন্য AI-এর জাদুকরী ব্যবহার শিখুন।
Study Smart, Not Just Hard
AI কে আপনার পার্সোনাল টিউটর হিসেবে ব্যবহার করুন। যেকোনো কঠিন বিষয় বোঝা, নোটস বানানো, কিংবা পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা—সবকিছুই এখন ৩ গুণ দ্রুত!
DOWNLOAD PDF AI GUIDE DAY 1 জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (Biology and Human Welfare) CLASS NOTES
অধ্যায় ৪: জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ
Biology and Human Welfare (পৃষ্ঠা ৫৫-৬৫)
শিক্ষকের বার্তা
স্বাগতম ছাত্রছাত্রীরা! এই অধ্যায়ে আমরা জানব কীভাবে জীববিদ্যা আমাদের শরীরকে রক্ষা করে এবং বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। চল শুরু করি!
৪.১ রোগ ও অনাক্রম্যতা
অ্যান্টিজেন (Antigen)
বহিরাগত বিজাতীয় বস্তু যা শরীরে রোগ সৃষ্টি করে।
অ্যান্টিবডি (Antibody)
শরীরের প্রতিরক্ষা প্রোটিন যাকে ইমিউনোগ্লোবিউলিন বলা হয়।
টিকা (Vaccine)
রোগের বিরুদ্ধে অর্জিত অনাক্রম্যতা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪.২ মানব রোগসমূহ
ম্যালেরিয়া
- কারণ: প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স নামক আদ্যপ্রাণী।
- বাহক: স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা।
জলবাহিত রোগ
ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিস: মূলত দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে এই রোগগুলি ছড়ায়।
⚡ চটজলদি যাচাই (Quick Check)
অধ্যায় ৪: জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ
নবম শ্রেণী | জীবনবিজ্ঞান ও পরিবেশ
S সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions - SAQ)
১. অ্যান্টিজেন কাকে বলে?
উত্তর: অ্যান্টিজেন হলো শরীরের বাইরে থেকে আসা বিজাতীয় বস্তু যা শরীরে প্রবেশ করলে রোগ সৃষ্টি করতে পারে এবং অনাক্রম্যতা তন্ত্রকে উদ্দীপিত করে।
২. অ্যান্টিবডি কী?
উত্তর: অ্যান্টিবডি হলো শরীরের প্রতিরক্ষা প্রোটিন, যা ইমিউনোগ্লোবিউলিন নামে পরিচিত। এটি অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
৩. ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর নাম কী?
উত্তর: ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর নাম হলো প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স (Plasmodium vivax)।
৪. ম্যালেরিয়া রোগের বাহক কে?
উত্তর: ম্যালেরিয়া রোগের বাহক হলো স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা।
৫. টিকা (Vaccine) কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: নির্দিষ্ট কোনো রোগের বিরুদ্ধে অর্জিত অনাক্রম্যতা প্রদানের জন্য টিকা ব্যবহার করা হয়।
৬. দুটি জলবাহিত রোগের নাম লেখো।
উত্তর: ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিস হলো দুটি জলবাহিত রোগ।
৭. BCG টিকা কোন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে?
উত্তর: BCG টিকা যক্ষ্মা (Tuberculosis) রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।
৮. ইমিউনোগ্লোবিউলিন আসলে কী?
উত্তর: ইমিউনোগ্লোবিউলিন হলো এক প্রকার বিশেষ প্রতিরক্ষা প্রোটিন যা অ্যান্টিবডি হিসেবে কাজ করে।
৯. প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স কী ধরনের জীব?
উত্তর: এটি একটি আদ্যপ্রাণী বা প্রোটোজোয়া।
১০. ডায়রিয়া কীভাবে ছড়ায়?
উত্তর: দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে ডায়রিয়া ছড়ায়।
১১. পোলিও টিকা কেন দেওয়া হয়?
উত্তর: পোলিও রোগের বিরুদ্ধে শরীরে অনাক্রম্যতা বা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য।
১২. হেপাটাইটিস রোগের প্রধান উৎস কী?
উত্তর: দূষিত পানীয় জল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য।
১৩. বাহক কাকে বলে?
উত্তর: যে জীব কোনো রোগের জীবাণু বহন করে সুস্থ দেহে সঞ্চারিত করে, তাকে বাহক বলে (যেমন: মশা)।
১৪. অনাক্রম্যতা কী?
উত্তর: শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকে অনাক্রম্যতা বলা হয়।
১৫. অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: অ্যান্টিজেন রোগ সৃষ্টি করে, আর অ্যান্টিবডি রোগ প্রতিরোধ করে।
১৬. ম্যালেরিয়া দমনে একটি ব্যবস্থার নাম লেখো।
উত্তর: মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করা বা মশারি ব্যবহার করা।
১৭. বিজাতীয় বস্তু বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: শরীরের নিজস্ব অংশ নয় এমন কোনো বাইরের ক্ষতিকর উপাদান বা জীবাণু।
১৮. ইমিউনোগ্লোবিউলিনকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
উত্তর: সংক্ষেপে 'Ig' বলা হয়।
১৯. খাদ্যবাহিত একটি রোগের নাম লেখো।
উত্তর: ডায়রিয়া।
২০. BCG-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: Bacillus Calmette-Guérin।
L দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions - LAQ)
১. অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির সম্পর্ক হলো 'তালা-চাবি'র মতো। যখন কোনো বিজাতীয় অ্যান্টিজেন শরীরে প্রবেশ করে, তখন শরীরের অনাক্রম্যতা তন্ত্র উদ্দীপিত হয় এবং নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি (ইমিউনোগ্লোবিউলিন) তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করে দেয়। এইভাবে অ্যান্টিবডি শরীরকে অ্যান্টিজেনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
২. ম্যালেরিয়া রোগের কারণ, বাহক ও প্রতিকার সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর: কারণ: ম্যালেরিয়া প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স নামক একপ্রকার আদ্যপ্রাণীর সংক্রমণে হয়।
বাহক: স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা এই রোগের জীবাণু বহন করে।
প্রতিকার: মশার কামড় থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার করা, বাড়ির আশেপাশে জল জমতে না দেওয়া যাতে মশা বংশবৃদ্ধি করতে না পারে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে কুইনাইন জাতীয় ওষুধ সেবন করা।
৩. মানব কল্যাণে টিকার গুরুত্ব বর্ণনা করো।
উত্তর: টিকা বা ভ্যাকসিন মানব কল্যাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরে কৃত্রিমভাবে অনাক্রম্যতা তৈরি করে। টিকার মাধ্যমে মৃত বা দুর্বল জীবাণু শরীরে প্রবেশ করানো হয়, যা শরীরকে ভবিষ্যতে ওই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত রাখে। যেমন—পোলিও টিকা পোলিও রোগ নির্মূল করতে সাহায্য করেছে এবং BCG টিকা শিশুদের যক্ষ্মা থেকে রক্ষা করে।
৪. জলবাহিত রোগ হিসেবে ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিসের সংক্রমণ পদ্ধতি লেখো।
উত্তর: ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিস উভয়ই দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। খোলা খাবার বা দূষিত পানীয় জলের মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু মানুষের অন্ত্রে প্রবেশ করে। হেপাটাইটিস মূলত যকৃৎকে আক্রান্ত করে এবং ডায়রিয়া অন্ত্রের পাচন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জল ফুটিয়ে পান করা এই রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায়।
৫. অনাক্রম্যতা বৃদ্ধিতে জীববিদ্যার ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর: জীববিদ্যা আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা অনাক্রম্যতা সম্পর্কে জ্ঞান প্রদান করে। অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির ক্রিয়া পদ্ধতি বোঝার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন রোগের টিকা আবিষ্কার করেছেন। এই টিকার মাধ্যমেই আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান মহামারী প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে, যা মানবজাতির আয়ু বৃদ্ধি ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করেছে।
৬. স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশাকে কেন ম্যালেরিয়ার বাহক বলা হয়?
উত্তর: স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা যখন কোনো ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত পান করে, তখন প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স জীবাণু মশার দেহে প্রবেশ করে। পরে ওই মশা যখন কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন লালার মাধ্যমে জীবাণুটি সুস্থ ব্যক্তির রক্তে মিশে যায়। মশা নিজে আক্রান্ত না হয়ে কেবল জীবাণু বহন করে এক দেহ থেকে অন্য দেহে পৌঁছে দেয় বলে একে বাহক বলা হয়।
৭. ইমিউনোগ্লোবিউলিন কীভাবে শরীরকে রক্ষা করে?
উত্তর: ইমিউনোগ্লোবিউলিন বা অ্যান্টিবডি হলো প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। এটি রক্তের প্লাজমায় থাকে। যখন কোনো ক্ষতিকর অ্যান্টিজেন শরীরে ঢোকে, তখন ইমিউনোগ্লোবিউলিন সেই অ্যান্টিজেনের গায়ে আটকে যায় এবং তাকে চিহ্নিত করে। এরপর শরীরের শ্বেত রক্তকণিকা বা অন্যান্য প্রতিরক্ষা কোষগুলো সেই চিহ্নিত অ্যান্টিজেনকে সহজে ধ্বংস করে ফেলে।
৮. পোলিও ও BCG টিকার মধ্যে পার্থক্য ও উপযোগিতা লেখো।
উত্তর: পোলিও টিকা পোলিওভাইরাস জনিত পক্ষাঘাত বা পোলিও রোগ প্রতিরোধের জন্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে BCG টিকা দেওয়া হয় যক্ষ্মা বা টিউবারকুলোসিস প্রতিরোধের জন্য। উভয় টিকাই শিশুকে জন্মের পর নির্দিষ্ট সময়ে দেওয়া হয় যাতে তাদের শরীরে আজীবন ওই রোগগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় থাকে।
৯. ডায়রিয়া প্রতিরোধের জন্য কী কী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত?
উত্তর: ডায়রিয়া প্রতিরোধের জন্য ১) সর্বদা পরিশ্রুত বা ফোটানো জল পান করতে হবে। ২) খাবার আগে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। ৩) রাস্তাঘাটের খোলা খাবার বা কাটা ফল খাওয়া বর্জন করতে হবে। ৪) বাসনপত্র পরিষ্কার জলে ধুতে হবে এবং ৫) চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
১০. প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্সের জীবনচক্রে মানুষের ভূমিকা কী?
উত্তর: প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স তার জীবনচক্রের একটি অংশ মানুষের দেহে সম্পন্ন করে। মানুষের রক্তে প্রবেশের পর এটি যকৃৎ ও লোহিত রক্তকণিকায় বংশবৃদ্ধি করে। এর ফলে লোহিত রক্তকণিকা ফেটে যায় এবং মানুষের দেহে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে, যা ম্যালেরিয়ার প্রধান লক্ষণ। মানুষ এখানে 'পোষক' হিসেবে কাজ করে।
১১. অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির গঠনগত পার্থক্য আলোচনা করো।
উত্তর: অ্যান্টিজেন সাধারণত প্রোটিন বা পলিস্যাকারাইড দিয়ে গঠিত বিজাতীয় বস্তু। অন্যদিকে অ্যান্টিবডি হলো ওয়াই (Y) আকৃতির গ্লাইকোপ্রোটিন যা শরীরের নিজস্ব প্লাজমা কোষ থেকে উৎপন্ন হয়।
১২. হেপাটাইটিস রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার লেখো।
উত্তর: লক্ষণ: জন্ডিস বা চোখ-প্রস্রাব হলুদ হওয়া, ক্লান্তি, পেটে ব্যথা। প্রতিকার: পরিশ্রুত জল পান, হেপাটাইটিস টিকা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
১৩. মশা নিধনে জীববিদ্যার প্রয়োগ কীভাবে করা যায়?
উত্তর: মশার লার্ভা ভক্ষণকারী মাছ (যেমন গাম্বুসিয়া) জলাশয়ে ছেড়ে দিয়ে জৈবিক পদ্ধতিতে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি।
১৪. অর্জিত অনাক্রম্যতা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: জন্মের পর টিকা গ্রহণ বা কোনো রোগের সংক্রমণের ফলে শরীরে যে নির্দিষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে, তাকে অর্জিত অনাক্রম্যতা বলে।
১৫. প্যাথোজেন ও ভেক্টরের মধ্যে সম্পর্ক উদাহরণসহ লেখো।
উত্তর: প্যাথোজেন হলো রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু (যেমন: প্লাজমোডিয়াম), আর ভেক্টর হলো সেই জীবাণুর বাহক (যেমন: মশা)। ভেক্টর প্যাথোজেনকে এক দেহ থেকে অন্য দেহে বহন করে।
১৬. কেন ডায়রিয়াকে মহামারী বলা হতে পারে?
উত্তর: যদি কোনো এলাকায় পানীয় জলের উৎস দূষিত হয়, তবে খুব দ্রুত বিপুল সংখ্যক মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে, যা মহামারীর আকার ধারণ করে।
১৭. ইমিউনোগ্লোবিউলিনের প্রকারভেদ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: মানবদেহে মূলত পাঁচ ধরনের ইমিউনোগ্লোবিউলিন থাকে—IgG, IgA, IgM, IgE এবং IgD। এগুলি শরীরের বিভিন্ন অংশে বিভিন্নভাবে সুরক্ষা প্রদান করে।
১৮. ম্যালেরিয়া জ্বরের পর্যায়গুলি কী কী?
উত্তর: ম্যালেরিয়া জ্বরের তিনটি প্রধান পর্যায় থাকে—শীতল পর্যায় (কাঁপুনি), উষ্ণ পর্যায় (তীব্র জ্বর) এবং ঘর্ম পর্যায় (ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়া)।
১৯. স্বাস্থ্য ও রোগমুক্ত অবস্থার মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: রোগমুক্ত অবস্থা মানে কেবল শরীরে কোনো জীবাণু নেই। কিন্তু স্বাস্থ্য হলো শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকার একটি অবস্থা।
২০. জীববিদ্যা কীভাবে জনস্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়?
উত্তর: রোগ নির্ণয়, ওষুধের আবিষ্কার, টিকার উদ্ভাবন এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে জীববিদ্যা জনস্বাস্থ্যের আমূল পরিবর্তন ও উন্নতি ঘটায়।
DAY 2 জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (Biology and Human Welfare) MOCK TEST
WBBSE AI Engine
অধ্যায় ৪ ও ৫: জীবনবিজ্ঞান ও পরিবেশ (নবম শ্রেণী)
লোড হচ্ছে...
আপনার স্কোর
DAY 3 জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (Biology and Human Welfare) ONLINE EXAM
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)
অনলাইন মূল্যায়ন: জীবনবিজ্ঞান ও পরিবেশ
শ্রেণী: নবম | অধ্যায় ৪: জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (এবং অধ্যায় ৫)
আপনার ফলাফল
MCQ স্কোর
0/10
বর্ণনামূলক প্রশ্ন
শিক্ষক দ্বারা মূল্যায়নের অপেক্ষায়
DAY 4 জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (Biology and Human Welfare) QUESTIONS'S SOLUTIONS
অধ্যায় ৪: জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ
Biology and Human Welfare - Activities & Exercises
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
১.১ ম্যালেরিয়া রোগের বাহক কোনটি?
ক) কিউলেক্স মশা খ) স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা গ) এডিস মশা ঘ) মাছি
উত্তর: খ) স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা।
১.২ শরীরের প্রতিরক্ষা প্রোটিন বা ইমিউনোগ্লোবিউলিনকে কী বলা হয়?
ক) অ্যান্টিজেন খ) হরমোন গ) অ্যান্টিবডি ঘ) এনজাইম
উত্তর: গ) অ্যান্টিবডি।
১.৩ BCG কোন রোগের টিকা হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
ক) ম্যালেরিয়া খ) যক্ষ্মা (রোগের বিরুদ্ধে অনাক্রম্যতা) গ) ডায়রিয়া ঘ) হেপাটাইটিস
উত্তর: খ) যক্ষ্মা (রোগের বিরুদ্ধে অর্জিত অনাক্রম্যতা প্রদানের জন্য)।
অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (VSA)
প্রশ্ন: অ্যান্টিজেন কী?
উত্তর: অ্যান্টিজেন হলো বহিরাগত বিজাতীয় বস্তু যা শরীরে প্রবেশ করে রোগ সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন: ম্যালেরিয়া রোগের আদ্যপ্রাণীর নাম কী?
উত্তর: ম্যালেরিয়া রোগের আদ্যপ্রাণীর নাম হলো প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স (Plasmodium vivax)।
প্রশ্ন: টিকা (Vaccine) কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: নির্দিষ্ট রোগের বিরুদ্ধে অর্জিত অনাক্রম্যতা প্রদানের জন্য টিকা ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন: ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিস কীভাবে ছড়ায়?
উত্তর: এই রোগগুলি মূলত দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়।
শূন্যস্থান পূরণ করো
১. অ্যান্টিবডি হলো এক প্রকারের ________ প্রোটিন।
উত্তর: প্রতিরক্ষা (ইমিউনোগ্লোবিউলিন)
২. পোলিও রোগের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ________ দেওয়া হয়।
উত্তর: টিকা (Vaccine)
৩. স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা হলো ম্যালেরিয়া রোগের ________।
উত্তর: বাহক
DAY 5 জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (Biology and Human Welfare) Revision & Mistake Analysis / Active Recall & Teaching Method
অধ্যায় ৪: জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ
Class IX | Life Science (জীবনবিজ্ঞান ও পরিবেশ)
WBBSE AI Engine
Expert Subject Teacher Persona
Mistake Analysis: সাধারণ ভুল ও সংশোধন
| সাধারণ ভুল (Common Mistake) | সঠিক ধারণা (Correction/Fact) |
|---|---|
| অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডি-কে একই মনে করা। | অ্যান্টিজেন হলো বহিরাগত বিজাতীয় বস্তু যা রোগ সৃষ্টি করে। অ্যান্টিবডি হলো শরীরের প্রতিরক্ষা প্রোটিন (ইমিউনোগ্লোবিউলিন) যা রোগ প্রতিরোধ করে। |
| ম্যালেরিয়া ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় বলে ভাবা। | ম্যালেরিয়া প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স নামক একটি আদ্যপ্রাণী (Protozoa) দ্বারা সৃষ্ট রোগ। |
| স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশাকে ম্যালেরিয়ার কারণ মনে করা। | মশা হলো রোগের বাহক (Vector) মাত্র; প্রকৃত রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু হলো প্লাজমোডিয়াম। |
| টিকা (Vaccine) কেবল রোগ হওয়ার পর দেওয়া হয়। | টিকা রোগের বিরুদ্ধে অর্জিত অনাক্রম্যতা প্রদানের জন্য আগে থেকেই ব্যবহার করা হয় (যেমন: পোলিও, BCG)। |
| ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিস কেবল বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায়। | এই রোগগুলি মূলত দূষিত জল ও খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। |
Power Revision Summary: শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
অনাক্রম্যতা ও প্রতিরক্ষা
- • অ্যান্টিজেন: শরীরের বাইরের ক্ষতিকারক বস্তু যা ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে।
- • অ্যান্টিবডি: এটি এক ধরণের ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রোটিন যা অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে।
- • টিকা (Vaccine): কৃত্রিমভাবে শরীরে অনাক্রম্যতা তৈরির পদ্ধতি। উদাহরণ: BCG, পোলিও টিকা।
মানব রোগ ও প্রতিকার
- • ম্যালেরিয়া: জীবাণু - Plasmodium vivax; বাহক - স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা।
- • জলবাহিত রোগ: ডায়রিয়া ও হেপাটাইটিস দূষিত পানীয় জল ও অপরিচ্ছন্ন খাবার থেকে ছড়ায়।
- • প্রতিরোধ: পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিশুদ্ধ জল পান করা এবং সঠিক সময়ে টিকাকরণ।
Active Recall Toolkit
অধ্যায় ৪: জীববিদ্যা ও মানবকল্যাণ (Class IX)
WBBSE AI Engine১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)
প্রশ্ন ০১
অ্যান্টিজেন কাকে বলে?
প্রশ্ন ০২
শরীরের প্রতিরক্ষা প্রোটিনকে কী বলা হয়?
প্রশ্ন ০৩
ইমিউনোগ্লোবিউলিন আসলে কী?
প্রশ্ন ০৪
টিকা বা ভ্যাকসিনের মূল কাজ কী?
প্রশ্ন ০৫
পাঠ্যবই অনুযায়ী দুটি টিকার নাম লেখো।
প্রশ্ন ০৬
ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুর বিজ্ঞানসম্মত নাম কী?
প্রশ্ন ০৭
প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স কী জাতীয় জীব?
প্রশ্ন ০৮
ম্যালেরিয়া রোগের বাহক কে?
প্রশ্ন ০৯
ডায়রিয়া কীভাবে ছড়ায়?
প্রশ্ন ১০
হেপাটাইটিস সংক্রমণের প্রধান মাধ্যম কী?
প্রশ্ন ১১
অ্যান্টিজেন কি শরীরের নিজস্ব বস্তু না বিজাতীয় বস্তু?
প্রশ্ন ১২
অর্জিত অনাক্রম্যতা প্রদানের জন্য কী ব্যবহার করা হয়?
প্রশ্ন ১৩
স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা কোন রোগ ছড়ায়?
প্রশ্ন ১৪
দূষিত জল থেকে হতে পারে এমন দুটি রোগের নাম বলো।
প্রশ্ন ১৫
শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রোটিনের ভূমিকা কী?
২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)
"৫ বছরের শিশুকে বোঝানোর মতো করে:"
"মনে করো তোমার শরীরটা একটা সুন্দর কেল্লা। মাঝে মাঝে বাইরে থেকে কিছু দুষ্টু দানব (যাদের নাম অ্যান্টিজেন) কেল্লায় ঢুকে তোমাকে অসুস্থ করতে চায়। কিন্তু তোমার কেল্লায় একদল সাহসী সৈনিক আছে যাদের নাম অ্যান্টিবডি। তারা ওই দানবদের ধরে ফেলে আর তোমাকে সুস্থ রাখে। আর টিকা হলো একটা বিশেষ মহড়া বা ট্রেনিং, যা তোমার সৈনিকদের শিখিয়ে দেয় দানবগুলো দেখতে কেমন, যাতে তারা আগে থেকেই তৈরি থাকতে পারে!"
৩. Spaced Repetition Schedule (স্মৃতি ঝালাই)
অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি এবং টিকার সংজ্ঞা ও উদাহরণ পুনরায় দেখুন।
ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু ও বাহকের নাম এবং সংক্রমণের পদ্ধতি মনে করার চেষ্টা করুন।
পুরো অধ্যায়টি একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে ১৫টি প্রশ্নের উত্তর নিজে নিজে দেওয়ার চেষ্টা করুন।