DAY 1 Dhibor-brittanto CLASS NOTES
ধীবর-বৃত্তান্ত - অধ্যায় পরিচিতি
Class IX | বাংলা (প্রথম ভাষা)

ধীবর-বৃত্তান্ত

মূল: মহাকবি কালিদাস | তর্জমা: সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী

উৎস ও প্রেক্ষাপট

মহাকবি কালিদাসের জগদ্বিখ্যাত নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ষষ্ঠ অঙ্ক থেকে এই অংশটি গৃহীত হয়েছে।

গল্পের প্রেক্ষাপট ও মূল কাহিনী

মহর্ষি কণ্বের আশ্রমে পালিতা কন্যা শকুন্তলার সাথে রাজা দুষ্মন্তের গান্ধর্ব মতে বিবাহ হয়। বিদায়কালে রাজা শকুন্তলাকে রাজচিহ্নিত একটি আংটি পরিয়ে দেন। কিন্তু শকুন্তলা যখন স্বামীর কাছে যাচ্ছিলেন, তখন পথে 'শচিতীর্থে' স্নান করার সময় আংটিটি হাত থেকে খুলে পড়ে যায়। ঘটনাক্রমে সেই আংটিটি একটি রুই মাছ গিলে ফেলে।

একজন দরিদ্র ধীবর (জেলে) মাছটি ধরার পর তার পেট কাটলে সেই মহামূল্যবান আংটিটি উদ্ধার করে। সে যখন এটি বাজারে বিক্রি করতে যায়, তখন রাজকীয় খোদাই করা নাম দেখে রাজরক্ষীরা তাকে চোর সন্দেহে ধরে রাজশ্যালকের কাছে নিয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত আংটিটি দেখে রাজা দুষ্মন্তের স্মৃতি ফিরে আসে এবং ধীবর নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে পুরস্কৃত হয়।

প্রধান চরিত্রসমূহ

ধীবর

দরিদ্র কিন্তু সৎ ও স্পষ্টভাষী। সে দাবি করে যে চুরি নয়, মাছের পেট থেকেই সে আংটি পেয়েছে।

রাজশ্যালক

অহংকারী ও সন্দেহপ্রবণ। শুরুতে ধীবরকে বিদ্রূপ করলেও রাজার সন্তুষ্টি দেখে সে ধীবরকে বন্ধু বলে স্বীকার করে।

রক্ষীদ্বয়

সূচক ও জানুক। তারা নিষ্ঠুর ও ব্যঙ্গপ্রিয়। তারা ধীবরকে প্রহার করতেও দ্বিধা করেনি।

রাজা দুষ্মন্ত

বিচারক ও সত্যসন্ধানী। আংটি দেখে তিনি শকুন্তলার স্মৃতি ফিরে পান।

গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি

"তোর জাতি-ধর্ম নিয়ে কি টানাটানি?"

— ধীবরের জীবিকার প্রতি সম্মানের বহিঃপ্রকাশ।

"এখন থেকে তুমি আমার একজন বিশিষ্ট বন্ধু হলে"

— রাজশ্যালকের মানসিক পরিবর্তনের মুহূর্ত।

শব্দার্থ কোষ

ধীবর: মৎস্যজীবী শুঁড়াগার: মদ্যপানশালা মণিভচিত: রত্ন বসানো পারিতোষিক: পুরস্কার উত্‍কোচ: ঘুস
ধীবর-বৃত্তান্ত - নোটস | WBBSE AI Engine

ধীবর-বৃত্তান্ত

মহাকবি কালিদাস | তর্জমা: সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী

Class: IX Subject: বাংলা Tab: Notes

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (SAQ) - ২০টি

১. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি কোন মূল নাটক থেকে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর: মহাকবি কালিদাসের জগদ্বিখ্যাত নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ষষ্ঠ অঙ্ক থেকে নেওয়া হয়েছে।

২. নাট্যাংশটির তর্জমা কে করেছেন?

উত্তর: সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী।

৩. শকুন্তলা কার আশ্রমে পালিতা কন্যা ছিলেন?

উত্তর: মহর্ষি কণ্বের আশ্রমে।

৪. রাজা দুষ্মন্ত ও শকুন্তলার বিবাহ কোন মতে হয়েছিল?

উত্তর: গান্ধর্ব মতে।

৫. রাজা বিদায়কালে শকুন্তলাকে কী উপহার দিয়েছিলেন?

উত্তর: একটি রাজচিহ্নিত আংটি।

৬. আংটিটি কোথায় হারিয়ে গিয়েছিল?

উত্তর: 'শচিতীর্থে' স্নান করার সময়।

৭. আংটিটি কে গিলে ফেলেছিল?

উত্তর: একটি রুই মাছ।

৮. ধীবর আংটিটি কোথায় পেয়েছিল?

উত্তর: একটি রুই মাছ ধরার পর তার পেট কাটলে ধীবর আংটিটি পায়।

৯. রাজরক্ষীরা ধীবরকে কেন ধরেছিল?

উত্তর: আংটিতে রাজার নাম খোদাই করা দেখে তাকে চোর সন্দেহে ধরা হয়েছিল।

১০. দুই রক্ষীর নাম কী ছিল?

উত্তর: সূচক ও জানুক।

১১. রাজশ্যালকের চরিত্রটি শুরুতে কেমন ছিল?

উত্তর: অহংকারী ও সন্দেহপ্রবণ।

১২. আংটিটি দেখার পর রাজার প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল?

উত্তর: রাজার শোকাতুর স্মৃতি ফিরে এসেছিল।

১৩. রাজা ধীবরকে কী দিয়েছিলেন?

উত্তর: আংটির সমমূল্যের পারিতোষিক বা পুরস্কার।

১৪. গল্পের শেষে রাজশ্যালক ও ধীবরের সম্পর্ক কেমন হয়?

উত্তর: তারা মদ্যপানের মাধ্যমে বন্ধুত্ব স্থাপন করে।

১৫. 'ধীবর' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: মৎস্যজীবী বা জেলে।

১৬. 'শুঁড়াগার' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: যেখানে মদ্যপান করা হয়।

১৭. 'পারিতোষিক' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: পুরস্কার।

১৮. 'উত্‍কোচ' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: ঘুস।

১৯. 'মণিভচিত' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: মূল্যবান রত্ন বসানো।

২০. ধীবর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে কী যুক্তি দিয়েছিল?

উত্তর: সে জানিয়েছিল যে চুরি নয়, মাছের পেট থেকেই সে আংটিটি পেয়েছে।

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (LAQ) - ২০টি

১. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশে ধীবর চরিত্রের সততা ও স্পষ্টভাষিতার পরিচয় দাও।

উত্তর: নাট্যাংশে ধীবর একজন দরিদ্র মৎস্যজীবী হলেও সে অত্যন্ত সৎ ও নির্ভীক। রাজরক্ষীরা তাকে চোর অপবাদ দিয়ে মারধর করলেও সে নিজের বক্তব্যে অটল থাকে। সে স্পষ্টভাবে জানায় যে আংটিটি সে চুরি করেনি, বরং মাছের পেট কাটার সময় পেয়েছে। এমনকি রাজশ্যালকের উপহাসের মুখেও সে নিজের জীবিকার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে কথা বলেছে। রাজার কাছ থেকে পুরস্কার পাওয়ার পর তার সততা প্রমাণিত হয়।

২. রাজশ্যালকের চরিত্রের বিবর্তন আলোচনা করো।

উত্তর: নাটকের শুরুতে রাজশ্যালককে একজন অহংকারী ও সন্দেহপ্রবণ রাজকর্মচারী হিসেবে দেখা যায়। সে ধীবরকে 'চোর' ও 'গাঁটকাটা' বলে সম্বোধন করে এবং তার পেশা নিয়ে বিদ্রূপ করে। কিন্তু যখন রাজা আংটিটি দেখে ধীবরকে পুরস্কৃত করেন এবং তাকে নির্দোষ ঘোষণা করেন, তখন রাজশ্যালকের মনোভাব বদলে যায়। সে ধীবরের গুরুত্ব বুঝতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে 'বিশিষ্ট বন্ধু' হিসেবে গ্রহণ করে মদ্যপানের আমন্ত্রণ জানায়।

৩. "তোর জাতি-ধর্ম নিয়ে কি টানাটানি?" - উক্তিটির প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: রাজরক্ষীরা যখন ধীবরের মাছ ধরার পেশা নিয়ে ব্যঙ্গ করছিল এবং তার বংশ পরিচয় নিয়ে কটূক্তি করছিল, তখন ধীবর এই প্রতিবাদী উক্তিটি করে। এর মাধ্যমে ধীবর বোঝাতে চেয়েছে যে কোনো পেশাই তুচ্ছ নয়। মানুষ তার জীবিকা নির্বাহের জন্য যে কাজই করুক না কেন, তার মধ্যে তার আত্মসম্মান জড়িয়ে থাকে। শ্রমের মর্যাদাকে ছোট করে দেখা অনুচিত—এটাই এই উক্তির মূল তাৎপর্য।

৪. আংটিটি কীভাবে রাজার কাছে পৌঁছাল? ঘটনাক্রমটি সংক্ষেপে লেখো।

উত্তর: শকুন্তলা শচিতীর্থে স্নানের সময় অসাবধানতাবশত আংটিটি হারিয়ে ফেলেন। একটি রুই মাছ সেটি গিলে ফেলে। এক ধীবর সেই মাছটি ধরার পর তার পেট কাটলে আংটিটি উদ্ধার করে। সে যখন বাজারে এটি বিক্রি করতে যায়, তখন রাজরক্ষীরা তাকে চোর সন্দেহে ধরে রাজশ্যালকের কাছে নিয়ে আসে। রাজশ্যালক আংটিটি নিয়ে রাজার কাছে গেলে রাজা সেটি চিনতে পারেন এবং ধীবরকে মুক্তি দিয়ে পুরস্কৃত করেন।

৫. রাজা দুষ্মন্তের আংটিটি দেখে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল এবং কেন?

উত্তর: আংটিটি দেখার সাথে সাথে রাজা দুষ্মন্তের শোকাতুর স্মৃতি ফিরে আসে। তিনি শকুন্তলার কথা মনে করতে পারেন, যাকে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন। আংটিটি ছিল তাদের বিবাহের স্মারক। স্মৃতি ফিরে আসায় রাজা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং ধীবরকে তার প্রাপ্য সম্মান ও পুরস্কার দেওয়ার নির্দেশ দেন।

৬. রক্ষীদ্বয় সূচক ও জানুকের আচরণের বর্ণনা দাও।

উত্তর: রক্ষীদ্বয় সূচক ও জানুক ছিল অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও ব্যঙ্গপ্রিয়। তারা ধীবরকে মানুষ হিসেবে নূন্যতম সম্মান দেয়নি। তাকে চোর সাব্যস্ত করে তারা প্রহার করতে উদ্যত হয়েছিল এবং তার মৃত্যু কামনা করছিল। তাদের আচরণে সাধারণ মানুষের প্রতি রাজশক্তি বা রক্ষীদের অমানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে।

৭. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশে 'শ্রমের মর্যাদা' বিষয়টি কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?

উত্তর: নাট্যাংশে ধীবর তার মৎস্যজীবী পেশাকে গর্বের সাথে তুলে ধরেছে। রক্ষীরা যখন তাকে নিচু জাতের বলে উপহাস করে, তখন সে প্রতিবাদ করে জানায় যে কোনো কাজই ঘৃণ্য নয়। রাজার পুরস্কার পাওয়ার পর প্রমাণিত হয় যে একজন সামান্য ধীবরও সত্যনিষ্ঠ হতে পারে। এই ঘটনার মাধ্যমে কালিদাস শ্রমজীবী মানুষের আত্মসম্মান ও মর্যাদাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

৮. "এখন থেকে তুমি আমার একজন বিশিষ্ট বন্ধু হলে" - বক্তা কে? কেন তিনি এমন কথা বলেছেন?

উত্তর: বক্তা হলেন রাজশ্যালক। শুরুতে তিনি ধীবরকে ঘৃণা ও সন্দেহ করলেও, রাজার কাছে ধীবরের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর তার ধারণা বদলে যায়। রাজা ধীবরকে বিপুল পুরস্কার দেওয়ায় রাজশ্যালক বুঝতে পারেন যে ধীবর রাজার বিশেষ কৃপাধন্য। এই সামাজিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণেই তিনি ধীবরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেন।

৯. ধীবরকে দেওয়া রাজার পুরস্কারের তাৎপর্য কী?

উত্তর: রাজার দেওয়া পুরস্কারটি কেবল অর্থের প্রতীক ছিল না, এটি ছিল ধীবরের সততার স্বীকৃতি। আংটিটি রাজার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান ছিল কারণ তা শকুন্তলার স্মৃতি বহন করছিল। ধীবর আংটিটি ফিরিয়ে দিয়ে রাজাকে তাঁর হারানো স্মৃতি ফিরিয়ে দিয়েছিল, তাই রাজা খুশি হয়ে তাকে আংটির সমমূল্যের পারিতোষিক দেন।

১০. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তর: নাট্যাংশটির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো একজন ধীবর বা জেলে। তাকে ঘিরেই কাহিনীর শুরু, আংটি প্রাপ্তি, লাঞ্ছনা এবং শেষ পর্যন্ত পুরস্কার প্রাপ্তি ও সম্মান লাভ। পুরো গল্পে ধীবরের জীবনসংগ্রাম, তার সততা এবং তার ভাগ্যের পরিবর্তন বর্ণিত হয়েছে। তাই 'ধীবর-বৃত্তান্ত' বা ধীবরের কাহিনী হিসেবে নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক হয়েছে।

১১. শকুন্তলার আংটি হারানোর ঘটনাটি নাটকের মোড় কীভাবে ঘুরিয়ে দেয়?

উত্তর: শকুন্তলার আংটি হারানো ছিল কাহিনীর এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এই আংটি হারানোর ফলে রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে চিনতে অস্বীকার করেছিলেন। আবার এই আংটিটি ধীবরের মাধ্যমে ফিরে আসার ফলেই রাজার স্মৃতি ফিরে আসে। অর্থাৎ, আংটিটি বিচ্ছেদ ও পুনর্মিলনের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছে।

১২. ধীবরের পেশা সম্পর্কে রাজশ্যালকের প্রাথমিক ধারণা কী ছিল?

উত্তর: রাজশ্যালক শুরুতে ধীবরের পেশাকে অত্যন্ত নিচু চোখে দেখতেন। তিনি মনে করতেন মাছ ধরা একটি ঘৃণ্য কাজ এবং যারা এই কাজ করে তারা স্বভাবতই চোর বা অসাধু হয়। তিনি ধীবরকে 'পবিত্র ব্রাহ্মণ' বলে ব্যঙ্গ করে তার পেশাকে অপমান করেছিলেন।

১৩. রাজার বিচারবুদ্ধি সম্পর্কে নাট্যাংশ থেকে কী জানা যায়?

উত্তর: রাজা দুষ্মন্ত একজন ন্যায়পরায়ণ ও সত্যসন্ধানী বিচারক ছিলেন। তিনি কেবল রক্ষীদের কথায় বিশ্বাস না করে আংটিটি পরীক্ষা করেন। আংটিটি দেখে তিনি সত্য উপলব্ধি করেন এবং নিরপরাধ ধীবরকে মুক্তি দিয়ে তাকে পুরস্কৃত করেন। এটি তাঁর নিরপেক্ষ বিচারবুদ্ধির পরিচয় দেয়।

১৪. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশে তৎকালীন সমাজের কোন চিত্র ফুটে উঠেছে?

উত্তর: নাট্যাংশে তৎকালীন সমাজের শ্রেণিবিভেদ ও পেশাভিত্তিক বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে। রাজকর্মচারীদের সাধারণ মানুষের প্রতি অবজ্ঞা, সন্দেহপ্রবণতা এবং ক্ষমতার দম্ভ স্পষ্ট। আবার সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য সত্ত্বেও তাদের সততা ও পেশার প্রতি নিষ্ঠার দিকটিও এখানে উজ্জ্বলভাবে দেখানো হয়েছে।

১৫. ধীবর কীভাবে রাজশ্যালক ও রক্ষীদের মন জয় করল?

উত্তর: ধীবর তার নিজের কোনো বিশেষ গুণ বা চাটুকারিতা দিয়ে তাদের মন জয় করেনি। বরং রাজার দেওয়া বিপুল পুরস্কার এবং রাজার সন্তুষ্টি দেখে রাজশ্যালক ও রক্ষীদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। তারা বুঝতে পারে যে ধীবর এখন রাজার প্রিয়পাত্র, তাই তারা তার সাথে বন্ধুত্ব করতে আগ্রহী হয়।

১৬. "মণি খচিত এই আংটিটা তুই কোথায় পেলি?" - এই প্রশ্নের মাধ্যমে রাজশ্যালকের কোন মনোভাব প্রকাশ পায়?

উত্তর: এই প্রশ্নের মাধ্যমে রাজশ্যালকের সন্দেহপ্রবণ ও অবজ্ঞাপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায়। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে একজন দরিদ্র জেলের কাছে এত মূল্যবান আংটি থাকতে পারে। তিনি আগে থেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে ধীবর এটি চুরি করেছে। এটি তাঁর সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।

১৭. 'শচিতীর্থ' ও 'রুই মাছ' - এই দুটি উপাদানের গুরুত্ব নাট্যাংশে কতখানি?

উত্তর: 'শচিতীর্থ' হলো সেই স্থান যেখানে আংটিটি হারিয়েছিল, যা কাহিনীর জটিলতা তৈরি করে। আর 'রুই মাছ' হলো সেই মাধ্যম যার মাধ্যমে আংটিটি ধীবরের কাছে পৌঁছায়। এই দুটি উপাদান না থাকলে আংটিটি উদ্ধার হতো না এবং রাজার স্মৃতিও ফিরে আসত না। তাই কাহিনীর অগ্রগতিতে এদের ভূমিকা অপরিসীম।

১৮. ধীবরের স্পষ্টভাষিতার একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: যখন রাজশ্যালক ধীবরকে চোর বলে গালি দিচ্ছিলেন, তখন ধীবর ভয় না পেয়ে বলেছিল যে সে জাল ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। সে কোনো অন্যায় করেনি। তার এই নির্ভীক উক্তি প্রমাণ করে যে সে দরিদ্র হলেও সত্যের পথে অটল ছিল।

১৯. নাট্যাংশটির শেষে মদ্যপানের দৃশ্যটি কী ইঙ্গিত দেয়?

উত্তর: নাটকের শেষে মদ্যপানের দৃশ্যটি সামাজিক মেলবন্ধনের ইঙ্গিত দেয়। যে রাজশ্যালক ধীবরকে ঘৃণা করতেন, তিনিই তাকে বন্ধু বলে জড়িয়ে ধরছেন। এটি ক্ষমতার দম্ভের পরাজয় এবং মানবিক সম্পর্কের জয়ের একটি হালকা মেজাজের বহিঃপ্রকাশ।

২০. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?

উত্তর: এই নাট্যাংশ থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে কোনো মানুষকে তার পেশা বা পোশাক দেখে বিচার করা উচিত নয়। সততা ও সত্যনিষ্ঠা যে কোনো মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। এছাড়া, সত্য কখনো চাপা থাকে না, তা উপযুক্ত সময়ে প্রকাশিত হবেই—যেমনটি ধীবরের মাধ্যমে রাজার স্মৃতি ফিরে আসার ক্ষেত্রে ঘটেছে।

© 2024 WBBSE AI Engine - শিক্ষা ও প্রগতির পথে।

WBBSE Mock Test: ধীবর-বৃত্তান্ত
Class IX | Bengali WBBSE AI Engine • Mock Tab

ধীবর-বৃত্তান্ত

মহাকবি কালিদাস (তর্জমা: সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী)

৬-টি বিভাগ
৬০-টি প্রশ্ন

নির্দেশিকা: নিচের প্রশ্নগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ো। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের জন্য 'উত্তর দেখুন' বাটনে ক্লিক করো।

© WBBSE Interactive Learning System - ধীবর-বৃত্তান্ত অধ্যায়

অনলাইন পরীক্ষা: ধীবর-বৃত্তান্ত | WBBSE Class IX

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)

অনলাইন মূল্যায়ন: ধীবর-বৃত্তান্ত (কালিদাস)

শ্রেণি: নবম বিষয়: বাংলা (প্রথম ভাষা) পূর্ণমান: ৫০

বিভাগ - ক বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ)

১. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি কালিদাসের কোন নাটক থেকে গৃহীত?

২. নাট্যাংশটির তর্জমা কে করেছেন?

৩. শকুন্তলার আংটিটি কোথায় হারিয়ে গিয়েছিল?

৪. আংটিটি কোন মাছ গিলে ফেলেছিল?

৫. রাজরক্ষী দুজনের নাম কী ছিল?

৬. 'শুঁড়াগার' শব্দটির অর্থ কী?

৭. রাজা ধীবরকে কী উপহার দিয়েছিলেন?

৮. ধীবরের চরিত্রটি কেমন ছিল?

৯. "এখন থেকে তুমি আমার একজন বিশিষ্ট বন্ধু হলে" - উক্তিটি কার?

১০. 'পারিতোষিক' শব্দটির অর্থ কী?

বিভাগ - খ সংক্ষিপ্ত ও ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন

১১. ধীবর আংটিটি কীভাবে পেয়েছিল? সংক্ষেপে লেখো।

১২. "তোর জাতি-ধর্ম নিয়ে কি টানাটানি?" - প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ব্যাখ্যা করো।

১৩. রাজশ্যালক ও রক্ষীরা ধীবরের সাথে শুরুতে কীরূপ আচরণ করেছিল?

১৪. আংটিটি দেখার পর রাজা দুষ্মন্তের প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল?

১৫. ধীবর চরিত্রটির সততার পরিচয় দাও।

১৬. গল্পের শেষে রাজশ্যালকের মানসিক পরিবর্তনের কারণ কী?

১৭. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশে 'শচিতীর্থ'-এর গুরুত্ব কী?

১৮. "মণি খচিত এই আংটিটা তুই কোথায় পেলি?" - বক্তা কে? তার সন্দেহের কারণ কী?

১৯. 'উত্‍কোচ' এবং 'মণিভচিত' শব্দ দুটির অর্থ ব্যবহার করে বাক্য রচনা করো।

২০. নাট্যাংশটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

ধীবর-বৃত্তান্ত - অনুশীলনী ও প্রশ্নোত্তর
Class: IX | Bengali WBBSE AI Engine

ধীবর-বৃত্তান্ত

কালিদাস (তর্জমা: সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী)

অনুশীলনী ও প্রশ্নোত্তর (Activities)

১. উৎস ও প্রেক্ষাপট সংক্রান্ত প্রশ্ন

প্রশ্ন ১: 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি মূল কোন নাটক থেকে গৃহীত হয়েছে এবং এর তর্জমা কে করেছেন?

উত্তর: 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি মহাকবি কালিদাসের জগদ্বিখ্যাত নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ষষ্ঠ অঙ্ক থেকে গৃহীত হয়েছে। এর তর্জমা করেছেন সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী।

প্রশ্ন ২: রাজচিহ্নিত আংটিটি শকুন্তলা কোথায় এবং কীভাবে হারিয়েছিলেন?

উত্তর: শকুন্তলা যখন স্বামীর কাছে যাচ্ছিলেন, তখন পথে 'শচিতীর্থে' স্নান করার সময় আংটিটি তাঁর হাত থেকে খুলে পড়ে গিয়ে হারিয়ে যায়।

প্রশ্ন ৩: ধীবর কীভাবে আংটিটি খুঁজে পেয়েছিল?

উত্তর: শকুন্তলার হারিয়ে যাওয়া আংটিটি একটি রুই মাছ গিলে ফেলেছিল। ধীবর মাছটি ধরার পর তার পেট কাটলে সেই মহামূল্যবান আংটিটি উদ্ধার করে।

২. চরিত্র বিশ্লেষণ

প্রশ্ন ৪: ধীবর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?

উত্তর: ধীবর অত্যন্ত দরিদ্র হলেও সে ছিল সৎ এবং স্পষ্টভাষী। রাজরক্ষীদের ভয় ও অপমানের মুখেও সে অবিচল থেকে দাবি করে যে সে আংটিটি চুরি করেনি, বরং মাছের পেট থেকেই পেয়েছে।

প্রশ্ন ৫: রাজশ্যালকের চরিত্রে কী ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়?

উত্তর: রাজশ্যালক শুরুতে অত্যন্ত অহংকারী ও সন্দেহপ্রবণ ছিল। সে ধীবরকে বিদ্রূপ ও চোর অপবাদ দিয়েছিল। কিন্তু রাজার নির্দেশে ধীবর নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর এবং রাজার সন্তুষ্টি দেখে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায় এবং সে ধীবরকে 'বিশিষ্ট বন্ধু' বলে স্বীকার করে।

৩. গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতির ব্যাখ্যা

প্রশ্ন ৬: "তোর জাতি-ধর্ম নিয়ে কি টানাটানি?"—উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: রাজরক্ষীরা যখন ধীবরের মাছ ধরার পেশা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছিল, তখন ধীবর তার জীবিকার প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে এই উক্তিটি করেছিল। এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে কোনো পেশাই তুচ্ছ নয় এবং মানুষের জীবিকা তার সম্মানের পরিমাপক হওয়া উচিত নয়।

প্রশ্ন ৭: রাজা দুষ্মন্ত কেন ধীবরকে পারিতোষিক দিয়েছিলেন?

উত্তর: আংটিটি দেখার পর রাজা দুষ্মন্তের শকুন্তলার স্মৃতি ফিরে আসে। তিনি বুঝতে পারেন ধীবর চোর নয়, বরং সত্য বলছে। তাই তিনি ধীবরকে নির্দোষ ঘোষণা করেন এবং আংটির সমমূল্যের পুরস্কার বা পারিতোষিক দেন।

৪. শব্দার্থ (Vocabulary)

ধীবর মৎস্যজীবী বা জেলে
শুঁড়াগার যেখানে মদ্যপান করা হয়
মণিভচিত মূল্যবান রত্ন বসানো
পারিতোষিক পুরস্কার
উত্‍কোচ ঘুস

© WBBSE AI Engine - পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক সহায়িকা

নবম শ্রেণী বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি | মাস্টার নোট

২.১ ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন

প্রধান প্রক্রিয়া ও উদাহরণ:

স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ (Vowel Insertion)

উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে স্বরধ্বনির আগমন।

রত্ন > রতন | প্রীতি > পীরিতি
অপিনিহিতি (Epenthesis)

শব্দের শেষে থাকা 'ই' বা 'উ' কার আগেই উচ্চারিত হয়।

আজি > আইজ | সাধু > সাউধ
অভিশ্রুতি (Vowel Harmony)

অপিনিহিতি জাত ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে পূর্ববর্তী স্বরের সাথে মিলে যাওয়া।

করিয়া > কইরা > করে | শুনিয়া > শুইনা > শুনে
সমাক্ষরলোপ (Haplology)

শব্দের মধ্যে পাশাপাশি দুটি সমধ্বনি থাকলে একটির লোপ পাওয়া।

বড়দিদি > বড়দি | ছোটকাকা > ছোটকা
ধ্বনির বিপর্যয় (Metathesis)

শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের স্থান পরিবর্তন।

রিকশা > রিশকা | বাক্স > বাস্ক

নিজেকে যাচাই করো (Test Yourself) - ১০টি প্রশ্ন

নিচের শব্দগুলিতে কোন ধ্বনি পরিবর্তন ঘটেছে তা নির্ণয় করো:

১. পিশাচ > পিচাশ
২. রাতি > রাইত
৩. জন্ম > জনম
৪. বলিয়া > বলে
৫. বর্দিদি > বর্দি
৬. ট্রাক > টার্ক
৭. জানালা > জানলা
৮. মুক্তা > মুকুতা
৯. কালি > কাইল
১০. মাছুয়া > মেছো

২.২ শব্দ গঠন (Word Formation)

ক) উপসর্গ (Prefix)

শব্দের বা ধাতুর আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।

উদাহরণ: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' = প্রহার (মারা)।

খ) অনুসর্গ (Postposition)

বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে।

উদাহরণ: গাছ হতে ফল পড়ল।

গ) ধাতু ও প্রত্যয় (Root & Suffix)

বিষয়সংজ্ঞা ও উদাহরণ
কৃৎ প্রত্যয়ধাতুর পরে বসে। (উদা: চল্‌ + অন্ত = চলন্ত)
তদ্ধিত প্রত্যয়শব্দের পরে বসে। (উদা: ঢাকা + আই = ঢাকাই)

নিজেকে যাচাই করো (Test Yourself) - ৮টি প্রশ্ন

নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও:

১. 'উপকূল' শব্দে 'উপ' কী জাতীয় শব্দাংশ?
২. 'পাগলামি' শব্দে মূল শব্দটি কী এবং প্রত্যয় কোনটি?
৩. 'বিনা' স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা? — 'বিনা' কী?
৪. 'প্রদর্শন' শব্দে কোন উপসর্গ আছে?
৫. 'পড়ুয়া' শব্দের ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয় করো।
৬. 'হেডমাস্টার' — এখানে 'হেড' কোন ভাষার উপসর্গ?
৭. 'অনাদর' — এখানে 'অনা' কোন প্রকার উপসর্গ?
৮. 'দিয়ে', 'কর্তৃক' — এগুলো ব্যাকরণে কী নামে পরিচিত?

নির্মিতি: ভাব-সম্প্রসারণ

নিয়মাবলী:

  • মূল ভাবটিকে সহজ ভাষায় সংক্ষেপে বলতে হবে।
  • উদাহরণ বা যুক্তির সাহায্যে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে।
  • শেষে একটি ছোট উপসংহার বা মন্তব্য দিতে হবে।
  • পুনরাবৃত্তি বর্জন করতে হবে।

উদাহরণ (নমুনা):

"শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির / লিখে রেখো এক ফোঁটা দিলেম শিশির।"

মূল ভাব: সামান্য দানে গর্বিত হওয়া এবং অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা নীচ মনের পরিচয়।

সম্প্রসারিত ভাব: দিঘির অসীম জলরাশির ওপর শৈবাল বা শ্যাওলা ভেসে থাকে। দিঘির জলেই শৈবালের জীবন রক্ষা হয়। কিন্তু ভোরের এক ফোঁটা শিশির যখন শৈবালের গায় জমে, তখন সে দিঘিকে তুচ্ছ জ্ঞান করে গর্বের সাথে বলে যে সে দিঘিকে এক ফোঁটা শিশির দান করেছে। বাস্তবে দিঘির অঢেল দানকে সে অস্বীকার করে। সমাজের কিছু মানুষ অন্যের অসীম উপকারের কথা ভুলে গিয়ে সামান্য কিছু করলে তা বড় করে প্রচার করে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

অনুশীলনী (Practice Test) - ৮টি বিষয়

নিচের পঙ্‌ক্তিগুলির ভাব-সম্প্রসারণ অভ্যাস করো:

  • মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে।
  • অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে / তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।
  • আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য।
  • দন্ডের সাথে দন্ডদাতা / কাঁদে যবে সমান আঘাতে সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার।
  • বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা / নয়নের অংশ যেন নয়নের পাতা।
  • পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন / নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।
  • বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।
  • গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন / নহে বিদ্যা, নহে ধন হলে প্রয়োজন।
REVISION TAB Class IX | Bengali (1st Language)

ধীবর-বৃত্তান্ত — কালিদাস

Identify pitfalls and master high-yield concepts for your exams.

Mistake Analysis: Common Pitfalls

সাধারণ ভুল (Common Mistake)সঠিক ধারণা (Correction & Logic)
মনে করা যে ধীবর আংটিটি চুরি করেছিল।ধীবর চোর ছিল না। সে একটি রুই মাছের পেট থেকে আংটিটি পেয়েছিল যা শকুন্তলা 'শচিতীর্থে' স্নানের সময় হারিয়েছিলেন।
আংটি হারানোর স্থান হিসেবে রাজপ্রাসাদ বা বনের কথা লেখা।আংটিটি হারিয়েছিল শচিতীর্থে স্নান করার সময়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
রাজশ্যালককে শুরু থেকেই ধীবরের বন্ধু মনে করা।রাজশ্যালক শুরুতে অত্যন্ত অহংকারী ও সন্দেহপ্রবণ ছিল। রাজার পারিতোষিক পাওয়ার পরেই তার মানসিক পরিবর্তন ঘটে।
অনুবাদক হিসেবে কালিদাসের নাম লেখা।মূল লেখক কালিদাস, কিন্তু পাঠ্য অংশটির তর্জমা বা অনুবাদ করেছেন সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী
ধীবরের পেশাকে সে নিজেই তুচ্ছ মনে করত বলে ভাবা।ধীবর তার পেশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিল। সে রক্ষীদের বলেছিল যে কোনো পেশাই তুচ্ছ নয়, এমনকি তা যদি নিষ্ঠুরও হয়।

Power Revision Summary

মূল তথ্য (Key Facts)

  • উৎস: 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নাটকের ষষ্ঠ অঙ্ক।
  • মাছের প্রজাতি: রুই মাছ আংটিটি গিলে ফেলেছিল।
  • রক্ষীদের নাম: সূচক এবং জানুক।
  • উপহার: রাজা ধীবরকে আংটির সমমূল্যের পারিতোষিক দেন।

চরিত্রের বৈশিষ্ট্য (Character Traits)

  • ধীবর: স্পষ্টভাষী, সৎ এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন।
  • রাজশ্যালক: ক্ষমতার দম্ভ থেকে বন্ধুত্বের উত্তরণ।
  • রাজা দুষ্মন্ত: ন্যায়পরায়ণ এবং স্মৃতিভারাক্রান্ত।
  • রক্ষীদ্বয়: নিষ্ঠুর, ব্যঙ্গপ্রিয় এবং লোভী।

গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ (Quick Vocabulary)

শুঁড়াগার: মদালয়
পারিতোষিক: পুরস্কার
উত্‍কোচ: ঘুস
মণিভচিত: রত্নখচিত
ধীবর: জেলে
© WBBSE AI Engine - Revision Module | Class IX Bengali
Active Recall Toolkit - ধীবর-বৃত্তান্ত
WBBSE Class IX | Bengali

Active Recall Toolkit: ধীবর-বৃত্তান্ত

মহাকবি কালিদাস (তর্জমা: সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী)

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

১. 'ধীবর-বৃত্তান্ত' নাট্যাংশটি কালিদাসের কোন মূল নাটক থেকে নেওয়া হয়েছে?

২. নাটকটির তর্জমা কে করেছেন?

৩. শকুন্তলা কোথায় স্নান করার সময় আংটিটি হারিয়েছিলেন?

৪. আংটিটি কোন মাছ গিলে ফেলেছিল?

৫. ধীবর আংটিটি কোথা থেকে উদ্ধার করেছিল?

৬. রাজরক্ষী দুজনের নাম কী কী ছিল?

৭. রাজশ্যালক ধীবরকে প্রথমে কী বলে সন্দেহ করেছিলেন?

৮. আংটিটি দেখে রাজা দুষ্মন্তের কার কথা মনে পড়ে গিয়েছিল?

৯. রাজা ধীবরকে পুরস্কার হিসেবে কী দিয়েছিলেন?

১০. ধীবরের পেশা বা জীবিকা কী ছিল?

১১. "তোর জাতি-ধর্ম নিয়ে কি টানাটানি?"—বক্তা কে?

১২. গল্পের শেষে রাজশ্যালক ধীবরকে কী বলে সম্বোধন করেন?

১৩. 'শুঁড়াগার' শব্দের অর্থ কী?

১৪. 'উত্‍কোচ' শব্দটির অর্থ কী?

১৫. ধীবর চরিত্রটির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

৫ বছরের শিশুকে বোঝানোর মতো স্ক্রিপ্ট:

"শোনো ছোটু, এক ছিল খুব গরিব কিন্তু সৎ জেলে। সে একদিন একটা বড় রুই মাছ ধরল। মাছটা কাটার পর তার পেটের ভেতরে সে একটা ঝকঝকে হীরের আংটি পেল। আসলে ওই আংটিটা ছিল রাজার রানির, যেটা নদীতে হারিয়ে গিয়েছিল। জেলে যখন ওটা বাজারে নিয়ে গেল, পুলিশরা ভাবল সে ওটা চুরি করেছে। তারা তাকে খুব বকা দিল। কিন্তু রাজা যখন আংটিটা দেখলেন, তাঁর খুব প্রিয় রানির কথা মনে পড়ে গেল আর তিনি খুব খুশি হলেন। রাজা জেলেকে অনেক পুরস্কার দিলেন। যারা আগে জেলেকে বকাবকি করছিল, তারা পরে তার বন্ধু হয়ে গেল।"

৩. Spaced Repetition Schedule (পুনরাবৃত্তি তালিকা)

১ দিন পর (Day 1)

  • • গল্পের মূল কাহিনী ও প্রেক্ষাপট।
  • • চরিত্রগুলোর নাম ও পরিচয় (ধীবর, রাজশ্যালক, সূচক, জানুক)।

৩ দিন পর (Day 3)

  • • গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ (শুঁড়াগার, পারিতোষিক, উত্‍কোচ)।
  • • গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি ও তাদের তাৎপর্য বিশ্লেষণ।

৭ দিন পর (Day 7)

  • • ধীবর ও রাজশ্যালক চরিত্রের বিবর্তন।
  • • উৎস ও তর্জমাকারীর নামসহ সম্পূর্ণ অধ্যায় রিভিশন।

WBBSE AI Engine - Active Recall Module

WBSSC GROWTH ACADEMY - Master Hub

WBSSC GROWTH ACADEMY

“অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট ও ভবিষ্যতের নেতৃত্বের পূর্ণাঙ্গ প্ল্যাটফর্ম”

1 Month Access

₹99

বেসিক এনরোলমেন্ট এবং ৩৬৫ দিনের ট্র্যাকার এক্সেস।

Enroll Now

3 Months Access

₹249

সেমিস্টার প্রস্তুতি গাইডলাইন এবং এআই টিপস।

Enroll Now

12 Months Access

₹499

লাইফটাইম অ্যাকাডেমিক সাপোর্ট ও লিডারশিপ হাব।

Enroll Now

Syllabus Breakdown (All Classes)

এক নজরে সব শ্রেণীর সিলেবাস বিন্যাস

🤖

AI Usage for Fast Studying

১. দ্রুত পড়ার কৌশল (Summarization)

এআই ব্যবহার করে যেকোনো বড় অধ্যায়ের মূল কথা ৫ মিনিটে বুঝে নিন।

২. কুইজ ও আত্ম-মূল্যায়ন

পড়া শেষে এআই-কে দিয়ে প্রশ্নপত্র বানিয়ে পরীক্ষা দিন।

৩. প্রোডাক্টিভিটি বুস্ট

আপনার নোটগুলো এআই-কে দিন এবং উন্নত গ্রামার ও ভোকাবুলারি সাজেশন নিন।

🚀

Master Plan for Confidence

🗣️

Spoken English & Communication

প্রতিদিন ২০টি ভার্ব মুখস্থ করা এবং ইংরেজিতে কথা বলার বিশেষ প্র্যাকটিস।

🎤

Public Speaking Skills

মঞ্চের ভয় কাটিয়ে সবার সামনে গুছিয়ে কথা বলার প্রশিক্ষণ।

💼

Business & Wealth Education

টাকা উপার্জনের লজিক এবং ম্যানেজমেন্ট স্কিল বাড়ানোর মাস্টার ক্লাস।

BISWAZ GROWTH ACADEMY - Class Menu