Day 1: (AMADER PRITHIBI) Chapbaloy o Bayupravah CHAPTER NOTES
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ
Pressure Belts and Wind Systems
স্বাভাবিক বায়ুচাপ
১০১৩.২৫ mb
(সমুদ্রপৃষ্ঠে)
পরিমাপক যন্ত্র
ব্যারোমিটার
Barometer
প্রধান বলয় সংখ্যা
৭টি
Major Pressure Belts
উষ্ণ বায়ু হালকা হয়ে ওপরে ওঠে (নিম্নচাপ), শীতল বায়ু ভারী হয়ে নিচে নামে (উচ্চচাপ)।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে যাওয়া যায়, বায়ুর চাপ তত কমে।
জলীয় বাষ্প সাধারণ বায়ুর চেয়ে হালকা, তাই এটি বাড়লে বায়ুর চাপ কমে।
আবর্তনের ফলে বায়ু বিক্ষিপ্ত হয়, যা চাপের তারতম্য ঘটায়।
নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় (৫° উঃ - ৫° দঃ)
সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়। একে 'শান্ত বলয়' বা ডোলড্রামস (Doldrums) বলে।
কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় (২৫° - ৩৫°)
বায়ু শীতল হয়ে নিচে নেমে আসে। একে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলা হয়।
সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় (৬০° - ৭০°)
পৃথিবীর আবর্তনের কারণে এখানে বায়ু ছিটকে বেরিয়ে যায়।
সুমেরু ও কুমেরু উচ্চচাপ বলয়
মেরু অঞ্চলে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে বায়ু ভারী হয়ে উচ্চচাপ তৈরি করে।
কোরিওলিস বল (Coriolis Force)
পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন এক প্রকার বল যা বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে।
ফেরেলের সূত্র
বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
বাইস ব্যালট সূত্র
উত্তর গোলার্ধে বায়ুর দিকে পিছন ফিরে দাঁড়ালে ডানদিকে উচ্চচাপ এবং বামদিকে নিম্নচাপ থাকে।
নিয়ত বায়ু
আয়ন, পশ্চিমী, মেরু বায়ু
সাময়িক বায়ু
স্থল, সমুদ্র, মৌসুমি বায়ু
আকস্মিক বায়ু
ঘূর্ণবাত, প্রতীপ ঘূর্ণবাত
স্থানীয় বায়ু
লু, আঁধি, ফন, চিনুক
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ
শ্রেণি: অষ্টম | বিষয়: আমাদের পৃথিবী
A সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions)
১. বায়ুর চাপ কাকে বলে?
উত্তর: বায়ু তার ওজনের জন্য চারদিকে যে চাপ দেয় তাকে বায়ুর চাপ বলে।
২. সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপের পরিমাণ কত?
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ হলো ১০১৩.২৫ মিলিবার (mb)।
৩. বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী?
উত্তর: বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার।
৪. বায়ু কোন দিক থেকে কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
উত্তর: বায়ু সবসময় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
৫. উষ্ণ বায়ু কেন নিম্নচাপ তৈরি করে?
উত্তর: বায়ু উষ্ণ হলে হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায়, ফলে সেখানে বায়ুর ঘনত্ব কমে নিম্নচাপ তৈরি হয়।
৬. উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে যাওয়া যায়, বায়ুর চাপ তত কমে।
৭. জলীয় বাষ্প বায়ুর চাপের ওপর কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: জলীয় বাষ্প সাধারণ বায়ুর চেয়ে হালকা। তাই বায়ুতে জলীয় বাষ্প বেশি থাকলে বায়ুর চাপ কমে যায়।
৮. পৃথিবীতে মোট কয়টি প্রধান বায়ুচাপ বলয় আছে?
উত্তর: পৃথিবীতে মোট ৭টি প্রধান বায়ুচাপ বলয় রয়েছে।
৯. নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের বিস্তার কতটুকু?
উত্তর: নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° উত্তর থেকে ৫° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে এই বলয় অবস্থিত।
১০. 'ডোলড্রামস' বা শান্ত বলয় কাকে বলে?
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে বায়ু উষ্ণ হয়ে সোজা ওপরে উঠে যায় বলে এখানে বায়ুর কোনো পার্শ্বপ্রবাহ থাকে না, একেই ডোলড্রামস বলে।
১১. কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: উভয় গোলার্ধে ২৫° থেকে ৩৫° অক্ষাংশের মধ্যে এই বলয় দুটি অবস্থিত।
১২. অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলতে কী বোঝো?
উত্তর: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয়ে বায়ু শান্ত থাকে বলে প্রাচীনকালে পালতোলা জাহাজ চলাচলে অসুবিধা হতো, একেই অশ্ব অক্ষাংশ বলে।
১৩. সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত প্রদেশে কেন নিম্নচাপ তৈরি হয়?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তনের কারণে এই অঞ্চল থেকে বায়ু বাইরের দিকে ছিটকে বেরিয়ে যায় বলে এখানে নিম্নচাপ তৈরি হয়।
১৪. কোরিওলিস বল কী?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন এক প্রকার বল যা বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে।
১৫. ফেরেলের সূত্রটি লেখো।
উত্তর: কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
১৬. বাইস ব্যালট সূত্রটি কী?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধে বায়ু যেদিক থেকে বইছে সেদিকে পিছন ফিরে দাঁড়ালে ডানদিকে উচ্চচাপ এবং বামদিকে নিম্নচাপ থাকে।
১৭. নিয়ত বায়ু কাকে বলে?
উত্তর: যে বায়ু সারাবছর নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
১৮. সাময়িক বায়ুর দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
১৯. আকস্মিক বায়ু কাকে বলে?
উত্তর: বায়ুমণ্ডলে চাপের পরিবর্তনের ফলে হঠাৎ যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে আকস্মিক বায়ু বলে (যেমন- ঘূর্ণবাত)।
২০. স্থানীয় বায়ু বলতে কী বোঝো?
উত্তর: বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বিশেষ কোনো স্থানে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে স্থানীয় বায়ু বলে (যেমন- লু, আঁধি)।
B দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions)
১. বায়ুর চাপের পার্থক্যের প্রধান কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর: বায়ুর চাপের পার্থক্যের প্রধান কারণগুলি হলো:
- উষ্ণতা: বায়ু উষ্ণ হলে হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায় (নিম্নচাপ), শীতল হলে ভারী হয়ে নিচে নামে (উচ্চচাপ)।
- উচ্চতা: উচ্চতা বাড়লে বায়ুর ঘনত্ব ও ওজন কমে, ফলে চাপও কমে।
- জলীয় বাষ্প: জলীয় বাষ্প সাধারণ বায়ুর চেয়ে হালকা, তাই আর্দ্র বায়ুর চাপ কম হয়।
- পৃথিবীর আবর্তন: আবর্তনের ফলে বায়ু বিক্ষিপ্ত হয়, যা চাপের তারতম্য ঘটায়।
২. নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় কেন তৈরি হয়? একে শান্ত বলয় বলা হয় কেন?
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে এখানকার বায়ু অত্যন্ত উষ্ণ ও হালকা হয়ে সরাসরি ওপরে উঠে যায়। এই শূন্যস্থান পূরণের জন্য পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে বায়ু অনুভূমিকভাবে প্রবাহিত হয় না। বায়ু মূলত ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এখানে কোনো বায়ুপ্রবাহ অনুভূত হয় না। এই শান্ত অবস্থার জন্যই একে 'শান্ত বলয়' বা ডোলড্রামস বলা হয়।
৩. কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু ওপরে উঠে গিয়ে শীতল হয়। এই শীতল ও ভারী বায়ু এবং মেরু অঞ্চল থেকে আসা বায়ু ২৫° থেকে ৩৫° অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে নিচে নেমে আসে। বায়ু নিচে নেমে আসার ফলে এই অঞ্চলে বায়ুর ঘনত্ব ও ওজন বেড়ে যায়, যার ফলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টি হয়।
৪. সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় সম্পর্কে টীকা লেখো।
উত্তর: উভয় গোলার্ধে ৬০° থেকে ৭০° অক্ষাংশের মধ্যে এই বলয় অবস্থিত। এই অঞ্চলে পৃথিবীর আবর্তন গতি মেরু অঞ্চলের তুলনায় বেশি। আবর্তন গতির কারণে এই অঞ্চলের বায়ু বাইরের দিকে ছিটকে বেরিয়ে যায়। ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে গিয়ে এখানে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হয়।
৫. মেরুদেশীয় উচ্চচাপ বলয় কেন সৃষ্টি হয়?
উত্তর: উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সারাবছর সূর্যরশ্মি অত্যন্ত তির্যকভাবে পড়ে। ফলে এখানকার তাপমাত্রা সবসময় হিমাঙ্কের নিচে থাকে। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে বায়ু অত্যন্ত সংকুচিত, ভারী ও ঘন হয়ে থাকে। এই ভারী বায়ুর ওজনের কারণেই মেরু অঞ্চলে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টি হয়।
৬. কোরিওলিস বল বায়ুপ্রবাহকে কীভাবে প্রভাবিত করে?
উত্তর: পৃথিবী তার অক্ষের চারদিকে আবর্তন করার ফলে একটি শক্তির উদ্ভব হয়, যাকে কোরিওলিস বল বলে। এই বল বায়ুপ্রবাহের গতির ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না, কিন্তু বায়ুর দিক পরিবর্তন করে দেয়। এই বলের প্রভাবেই বায়ু সোজাসুজি প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়।
৭. চিত্রসহ ফেরেলের সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: বিজ্ঞানী ফেরেল কোরিওলিস বলের ওপর ভিত্তি করে এই সূত্রটি দেন। তাঁর মতে, উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময় বায়ু পৃথিবীর আবর্তনের কারণে সোজাসুজি না গিয়ে উত্তর গোলার্ধে তার গতির অভিমুখে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। একেই ফেরেলের সূত্র বলে।
৮. নিয়ত বায়ুপ্রবাহের শ্রেণিবিভাগ করো।
উত্তর: নিয়ত বায়ু তিন প্রকারের হয়:
- আয়ন বায়ু: যা ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- পশ্চিমী বায়ু: যা ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- মেরু বায়ু: যা মেরু উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
৯. সাময়িক বায়ু কাকে বলে? এর প্রকারভেদ আলোচনা করো।
উত্তর: বছরের বা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে চাপের পার্থক্যের কারণে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে সাময়িক বায়ু বলে। এর প্রধান ভাগগুলি হলো:
- স্থলবায়ু: রাতে স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত বায়ু।
- সমুদ্রবায়ু: দিনে সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত বায়ু।
- মৌসুমি বায়ু: ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয়।
১০. ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে থাকে নিম্নচাপ এবং বাইরে থাকে উচ্চচাপ, ফলে বায়ু কেন্দ্রের দিকে প্রবল বেগে ছুটে আসে। অন্যদিকে, প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে থাকে উচ্চচাপ এবং বাইরে থাকে নিম্নচাপ, ফলে বায়ু কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে বেরিয়ে যায়। ঘূর্ণবাতে আবহাওয়া অশান্ত থাকে, কিন্তু প্রতীপ ঘূর্ণবাতে আবহাওয়া শান্ত থাকে।
১১. স্থানীয় বায়ুপ্রবাহের গুরুত্ব উদাহরণসহ লেখো।
উত্তর: স্থানীয় বায়ু কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জলবায়ুকে প্রভাবিত করে। যেমন:
- লু (Loo): উত্তর-পশ্চিম ভারতে গ্রীষ্মকালে প্রবাহিত অত্যন্ত উষ্ণ বায়ু যা তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
- চিনুক (Chinook): রকি পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত উষ্ণ বায়ু যা বরফ গলাতে সাহায্য করে।
- ফন (Foehn): আল্পস পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত উষ্ণ স্থানীয় বায়ু।
১২. বায়ুর চাপের সাথে উচ্চতার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: বায়ুর চাপের সাথে উচ্চতার ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক। বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও ধূলিকণার পরিমাণ বেশি থাকে বলে চাপ বেশি হয়। যত ওপরে ওঠা যায়, বায়ুর স্তর পাতলা হতে থাকে এবং পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ টান কমতে থাকে। ফলে বায়ুর ঘনত্ব ও ওজন কমে যায় এবং বায়ুর চাপও হ্রাস পায়।
১৩. অশ্ব অক্ষাংশের নামকরণ কেন করা হয়েছিল?
উত্তর: প্রাচীনকালে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয়ের শান্ত অবস্থায় পালতোলা জাহাজগুলি গতিহীন হয়ে পড়ত। একবার মধ্যপ্রাচ্য থেকে ঘোড়া বোঝাই একটি জাহাজ আটলান্টিক মহাসাগরে এই শান্ত বলয়ে আটকে পড়ে। পানীয় জল ও খাবারের অভাব দেখা দিলে নাবিকরা জাহাজ হালকা করতে কিছু ঘোড়াকে সমুদ্রে ফেলে দেয়। এই ঘটনা থেকেই ২৫°-৩৫° অক্ষাংশকে 'অশ্ব অক্ষাংশ' বলা হয়।
১৪. জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু কেন হালকা হয়?
উত্তর: জলীয় বাষ্পের আণবিক গুরুত্ব সাধারণ বায়ুর (নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন) চেয়ে কম। যখন বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ে, তখন সেটি সমপরিমাণ শুষ্ক বায়ুকে অপসারিত করে। যেহেতু জলীয় বাষ্প হালকা, তাই আর্দ্র বায়ুর সামগ্রিক ওজন ও ঘনত্ব কমে যায়। এই কারণেই বর্ষাকালে বা আর্দ্র আবহাওয়ায় বায়ুর চাপ কম থাকে।
১৫. পৃথিবীর সাতটি বায়ুচাপ বলয়ের নাম ও অবস্থান ক্রমানুসারে লেখো।
উত্তর: পৃথিবীর ৭টি বায়ুচাপ বলয় হলো:
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় (৫° উঃ - ৫° দঃ)
- কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় (২৫° - ৩৫° উঃ)
- মকরীয় উচ্চচাপ বলয় (২৫° - ৩৫° দঃ)
- সুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় (৬০° - ৭০° উঃ)
- কুমেরুবৃত্ত প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয় (৬০° - ৭০° দঃ)
- সুমেরু উচ্চচাপ বলয় (মেরু অঞ্চল - উত্তর)
- কুমেরু উচ্চচাপ বলয় (মেরু অঞ্চল - দক্ষিণ)
১৬. বায়ুপ্রবাহের ক্ষেত্রে বাইস ব্যালট সূত্রের গুরুত্ব কী?
উত্তর: ১৮৫৭ সালে ডাচ আবহাওয়াবিদ বাইস ব্যালট এই সূত্রটি দেন। এই সূত্রের মাধ্যমে বায়ুপ্রবাহের দিকের সাথে বায়ুচাপের সম্পর্কের ধারণা পাওয়া যায়। এটি নাবিক ও আবহাওয়াবিদদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমে কোনো স্থানে দাঁড়িয়ে বায়ুর গতিপথ দেখে উচ্চচাপ ও নিম্নচাপের অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
১৭. স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি কী কী?
উত্তর: সমুদ্রবায়ু দিনের বেলা সমুদ্র থেকে স্থলের দিকে প্রবাহিত হয় কারণ দিনের বেলা স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয়ে নিম্নচাপ তৈরি করে। অন্যদিকে, স্থলবায়ু রাতের বেলা স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় কারণ রাতে স্থলভাগ দ্রুত তাপ বিকিরণ করে শীতল হয় এবং উচ্চচাপ তৈরি করে। সমুদ্রবায়ু বিকেলের দিকে বেশি শক্তিশালী হয়, আর স্থলবায়ু শেষ রাতে বা ভোরে বেশি সক্রিয় থাকে।
১৮. আকস্মিক বায়ুপ্রবাহের ফলে আবহাওয়ার কী পরিবর্তন ঘটে?
উত্তর: আকস্মিক বায়ু যেমন ঘূর্ণবাতের ফলে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয় এবং প্রবল ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। বায়ুর চাপ হঠাৎ কমে যায়। অন্যদিকে প্রতীপ ঘূর্ণবাতের ফলে মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ ও শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করে। এই বায়ুপ্রবাহগুলি কোনো অঞ্চলের স্বাভাবিক আবহাওয়াকে হঠাৎ বদলে দিতে সক্ষম।
১৯. বায়ুপ্রবাহ কেন সবসময় উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকেই হয়?
উত্তর: বায়ুমণ্ডল সবসময় তার চাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়। কোনো স্থানে নিম্নচাপ তৈরি হলে সেখানে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায়। তখন পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপ অঞ্চল (যেখানে বায়ুর ঘনত্ব বেশি) থেকে বায়ু সেই শূন্যস্থান পূরণ করার জন্য ছুটে আসে। এই চাপের সমতা রক্ষার প্রাকৃতিক প্রবণতার কারণেই বায়ু সবসময় উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
২০. মৌসুমি বায়ুকে কেন সাময়িক বায়ু বলা হয়?
উত্তর: মৌসুমি বায়ু বছরের একটি নির্দিষ্ট ঋতুতে প্রবাহিত হয়। এটি মূলত স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর একটি বৃহৎ সংস্করণ। গ্রীষ্মকালে সমুদ্র থেকে স্থলের দিকে এবং শীতকালে স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। যেহেতু এটি সারাবছর প্রবাহিত না হয়ে ঋতুভেদে বা সময়ের ব্যবধানে প্রবাহিত হয়, তাই একে সাময়িক বায়ু বলা হয়।
Day 2: (AMADER PRITHIBI) Chapbaloy o Bayupravah CHAPTER ACTIVITIES
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ
Pressure Belts and Wind Systems - অনুশীলন ও কার্যক্রম
📝 ৪.১ বায়ুর চাপ ও পরিমাপ সংক্রান্ত প্রশ্ন
প্রশ্ন ১: বায়ুর চাপ কাকে বলে? সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
উত্তর: বায়ু তার ওজনের জন্য চারদিকে যে চাপ দেয় তাকে বায়ুর চাপ বলে। সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ হলো ১০১৩.২৫ মিলিবার (mb)।
প্রশ্ন ২: বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী এবং বায়ু কোন দিক থেকে কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
উত্তর: বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার। বায়ু সবসময় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
🌍 ৪.২ বায়ুর চাপের পার্থক্যের কারণ বিশ্লেষণ
প্রশ্ন ৩: বায়ুর চাপের তারতম্যের প্রধান কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর: বায়ুর চাপের পার্থক্যের প্রধান ৪টি কারণ হলো:
- উষ্ণতা: বায়ু উষ্ণ হলে হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায় (নিম্নচাপ), আর শীতল হলে ভারী হয়ে নিচে নামে (উচ্চচাপ)।
- উচ্চতা: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে যাওয়া যায়, বায়ুর চাপ তত কমে।
- জলীয় বাষ্প: জলীয় বাষ্প সাধারণ বায়ুর চেয়ে হালকা, তাই বায়ুতে জলীয় বাষ্প বাড়লে চাপ কমে।
- পৃথিবীর আবর্তন: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে বায়ু বিক্ষিপ্ত হয়, যা চাপের তারতম্য ঘটায়।
🌀 ৪.৩ পৃথিবীর বায়ুচাপ বলয়সমূহ
প্রশ্ন ৪: পৃথিবীতে মোট কয়টি বায়ুচাপ বলয় আছে? নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়কে 'ডোলড্রামস' বলা হয় কেন?
উত্তর: পৃথিবীতে মোট ৭টি প্রধান বায়ুচাপ বলয় রয়েছে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে বায়ু উষ্ণ ও হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায়, ফলে এখানে বায়ুর অনুভূমিক প্রবাহ বোঝা যায় না। তাই একে 'শান্ত বলয়' বা ডোলড্রামস (Doldrums) বলে।
প্রশ্ন ৫: 'অশ্ব অক্ষাংশ' (Horse Latitude) বলতে কী বোঝ?
উত্তর: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় (২৫° থেকে ৩৫° উভয় গোলার্ধে) অঞ্চলে বায়ু শীতল ও ভারী হয়ে নিচে নেমে আসে। এই শান্ত বলয় অঞ্চলটিকেই অশ্ব অক্ষাংশ বলা হয়।
⚖️ ৪.৪ বায়ুপ্রবাহের সূত্রাবলী
প্রশ্ন ৬: কোরিওলিস বল, ফেরেলের সূত্র ও বাইস ব্যালট সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।
কোরিওলিস বল: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন যে বল বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে।
ফেরেলের সূত্র: কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
বাইস ব্যালট সূত্র: উত্তর গোলার্ধে বায়ু যেদিক থেকে বইছে সেদিকে পিছন ফিরে দাঁড়ালে ডানদিকে উচ্চচাপ এবং বামদিকে নিম্নচাপ থাকে।
💨 ৪.৫ বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ
প্রশ্ন ৭: বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহের একটি তালিকা তৈরি করো।
১. নিয়ত বায়ু
আয়ন বায়ু, পশ্চিমী বায়ু, মেরু বায়ু।
২. সাময়িক বায়ু
স্থলবায়ু, সমুদ্রবায়ু, মৌসুমি বায়ু।
৩. আকস্মিক বায়ু
ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাত।
৪. স্থানীয় বায়ু
লু, আঁধি, ফন, চিনুক।
Day 3: (AMADER PRITHIBI) Chapbaloy o BayupravahCHAPTER MOCK TEST
মক টেস্ট (Mock Test)
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ | অষ্টম শ্রেণী
চমৎকার!
আপনি পরীক্ষাটি সম্পন্ন করেছেন।
Day 4: (AMADER PRITHIBI) Chapbaloy o Bayupravah CHAPTER ONLINE EXAM
অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষা ২০২৪
শ্রেণী: অষ্টম | বিষয়: আমাদের পৃথিবী
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ
আপনার ফলাফল
* বড় প্রশ্নগুলি আপনার শিক্ষক মূল্যায়ন করবেন।
Day 5: (AMADER PRITHIBI) Chapbaloy o Bayupravah CHAPTER Activities Revision + Mistake Analysis Active Recall / Teaching Leave a Reply
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ
Class VIII | বিষয়: আমাদের পৃথিবী | Revision Module
সাধারণ ভুল ও সংশোধনী
| সাধারণ ভুল (Common Mistake) | সঠিক ধারণা (Correction) |
|---|---|
| বায়ু নিম্নচাপ থেকে উচ্চচাপের দিকে প্রবাহিত হয়। | বায়ু সবসময় উচ্চচাপ (High Pressure) অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ (Low Pressure) অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। |
| জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু শুষ্ক বায়ুর চেয়ে ভারী। | জলীয় বাষ্প সাধারণ বায়ুর চেয়ে হালকা। তাই বায়ুতে জলীয় বাষ্প বাড়লে বায়ুর চাপ কমে (নিম্নচাপ হয়)। |
| ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ু সব গোলার্ধেই ডানদিকে বেঁকে যায়। | বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। |
| অশ্ব অক্ষাংশ ও ডোলড্রামস একই অঞ্চল। | ডোলড্রামস নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ে ($5^\circ$ উঃ-$5^\circ$ দঃ) অবস্থিত, আর অশ্ব অক্ষাংশ কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয়ে ($25^\circ$-$35^\circ$) অবস্থিত। |
| উষ্ণতা বাড়লে বায়ুর চাপ বাড়ে। | উষ্ণতা ও বায়ুচাপের সম্পর্ক বিপরীত। বায়ু উষ্ণ হলে হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়, ফলে নিম্নচাপ তৈরি হয়। |
দ্রুত রিভিশন সারসংক্ষেপ
১. বায়ুর চাপ ও পরিমাপ
- স্বাভাবিক চাপ: ১০১৩.২৫ মিলিবার (mb)।
- পরিমাপক যন্ত্র: ব্যারোমিটার।
- উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে।
২. প্রধান বায়ুচাপ বলয় (৭টি)
- ডোলড্রামস: নিরক্ষীয় শান্ত বলয় ($5^\circ$ উঃ - $5^\circ$ দঃ)।
- অশ্ব অক্ষাংশ: কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় ($25^\circ$ - $35^\circ$)।
- মেরু অঞ্চলে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে উচ্চচাপ থাকে।
৩. বায়ুপ্রবাহের নিয়মাবলি
- কোরিওলিস বল: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে বায়ুর দিক পরিবর্তন।
- ফেরেলের সূত্র: উঃ গোলার্ধে ডানদিকে, দঃ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে চলা।
- বাইস ব্যালট সূত্র: বায়ুর চাপের সাথে দিকের সম্পর্ক।
৪. বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ
- নিয়ত বায়ু: আয়ন, পশ্চিমী ও মেরু বায়ু।
- সাময়িক বায়ু: স্থলবায়ু, সমুদ্রবায়ু, মৌসুমি বায়ু।
- স্থানীয় বায়ু: লু, আঁধি, ফন, চিনুক।
- আকস্মিক বায়ু: ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাত।
WBBSE AI Engine - Revision Module | Class VIII Geography
অধ্যায় ৪: চাপ বলয় ও বায়ুপ্রবাহ (Active Recall Toolkit)
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি এবং দীর্ঘস্থায়ী শিখনের জন্য এই টুলকিটটি ব্যবহার করো।
১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)
*নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর মনে মনে দেওয়ার চেষ্টা করো। কোনো অপশন নেই, সরাসরি স্মৃতি থেকে উত্তর দাও।*
১. সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত মিলিবার?
২. বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী?
৩. বায়ু কোন দিক থেকে কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
৪. বায়ু উষ্ণ হলে চাপের কী পরিবর্তন ঘটে?
৫. উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?
৬. জলীয় বাষ্প সাধারণ বায়ুর চেয়ে হালকা না ভারী?
৭. পৃথিবীতে মোট কয়টি প্রধান বায়ুচাপ বলয় আছে?
৮. 'ডোলড্রামস' বা শান্ত বলয় কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
৯. 'অশ্ব অক্ষাংশ' কোন চাপ বলয়কে বলা হয়?
১০. কোরিওলিস বল কেন তৈরি হয়?
১১. ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে বায়ু কোন দিকে বেঁকে যায়?
১২. বাইস ব্যালট সূত্রটি বায়ুর কোন দুটি বিষয়ের সম্পর্ক বোঝায়?
১৩. আয়ন বায়ু কোন ধরনের বায়ুপ্রবাহের উদাহরণ?
১৪. মৌসুমি বায়ু কোন শ্রেণির বায়ুপ্রবাহ?
১৫. 'লু' বা 'আঁধি' কোন ধরনের বায়ু?
২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)
বিষয়: বায়ু কেন প্রবাহিত হয়? (৫ বছরের শিশুকে বোঝানোর মতো স্ক্রিপ্ট)
"মনে করো, তোমার কাছে এক বালতি জল আছে আর পাশে একটা খালি বালতি। তুমি যদি একটা পাইপ দিয়ে দুটোকে জুড়ে দাও, জল ভর্তি বালতি থেকে খালি বালতির দিকে ছুটে যাবে, তাই না? বাতাসও ঠিক তেমন!
সূর্যের তাপে কোনো জায়গার বাতাস যখন গরম হয়ে হালকা হয়ে উপরে চলে যায়, সেখানে একটা 'খালি জায়গা' বা নিম্নচাপ তৈরি হয়। তখন পাশের ঠান্ডা আর ভারী বাতাস (যেখানে অনেক ভিড় বা উচ্চচাপ) সেই খালি জায়গাটা ভরিয়ে দেওয়ার জন্য দৌড়ে আসে। বাতাসের এই দৌড়ানোকেই আমরা বলি 'বায়ুপ্রবাহ'।"
৩. Spaced Repetition Schedule
১ দিন পর (Day 1)
বায়ুর চাপের সংজ্ঞা, মাপার যন্ত্র এবং চাপের পার্থক্যের কারণসমূহ।
৩ দিন পর (Day 3)
৭টি বায়ুচাপ বলয়, ডোলড্রামস, অশ্ব অক্ষাংশ এবং কোরিওলিস বল ও ফেরেলের সূত্র।
৭ দিন পর (Day 7)
বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ (নিয়ত, সাময়িক, আকস্মিক ও স্থানীয় বায়ু)।
© WBBSE Geography Learning System - Chapter 4