Smart AI Education | Study Smart

Smart AI Education

পরীক্ষার প্রস্তুতি, দ্রুত রিভিশন এবং স্মার্ট স্টাডির জন্য AI-এর জাদুকরী ব্যবহার শিখুন।

Study Smart, Not Just Hard

AI কে আপনার পার্সোনাল টিউটর হিসেবে ব্যবহার করুন। যেকোনো কঠিন বিষয় বোঝা, নোটস বানানো, কিংবা পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা—সবকিছুই এখন ৩ গুণ দ্রুত!

DOWNLOAD PDF AI GUIDE
DAY 1 PARIBESHER UPADAN : JIBJAGAT CLASS NOTES
চতুর্থ শ্রেণি - আমাদের পরিবেশ | জীবজগৎ
চতুর্থ শ্রেণি | আমাদের পরিবেশ

পরিবেশের উপাদান : জীবজগৎ

অধ্যায় পরিচিতি (পৃষ্ঠা ১ - ১৭)

🌱 জীব ও জড়

যাদের জীবন আছে তারা জীব (মানুষ, গাছপালা, পশুপাখি)। যাদের জীবন নেই তারা জড় (মাটি, জল, বাতাস, পাথর)। এই সব কিছু নিয়েই আমাদের পরিবেশ।

🤝 পারস্পরিক নির্ভরতা

উদ্ভিদ আমাদের অক্সিজেন দেয়, আমরা গাছকে কার্বন ডাই-অক্সাইড দিই। মৌমাছি ও পাখিরা গাছের বংশবিস্তারে সাহায্য করে। আমরা সবাই একে অপরের বন্ধু।

উদ্ভিদ (Plant)

  • সাধারণত এক জায়গায় স্থির থাকে।
  • নিজের খাবার নিজেই তৈরি করতে পারে।
  • উদাহরণ: আম, বট, শ্যাওলা, ফণীমনসা।

প্রাণী (Animal)

  • এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাফেরা করে।
  • খাবারের জন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে।
  • উদাহরণ: মানুষ, বাঘ, মাছ, প্রজাপতি।
✈️
জান কি?

পাখির ওড়ার কায়দা দেখেই মানুষ উড়োজাহাজ বানিয়েছে। বাতাসের বাধা কাটাতে উড়োজাহাজের শরীর পাখির মতো 'মাকু আকৃতি' (সামনে-পিছনে সরু, মাঝে মোটা) করা হয়।

প্রস্তুতকারক: WBBSE AI Engine | পাঠ্যবই: আমাদের পরিবেশ

WBBSE Class IV EVS Notes - জীবজগৎ

আমাদের পরিবেশ (Amader Paribesh)

অধ্যায়: পরিবেশের উপাদান : জীবজগৎ (পৃষ্ঠা ১ - ১৭)

শ্রেণি: চতুর্থ | বিষয়: পরিবেশ বিজ্ঞান

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions - ২০টি)

১. জীব কাকে বলে?

উত্তর: যাদের জীবন আছে, তাদের জীব বলে। যেমন—মানুষ, গাছপালা, পশুপাখি।

২. জড় বস্তু কাকে বলে?

উত্তর: যাদের জীবন নেই, তাদের জড় বলে। যেমন—মাটি, জল, পাথর।

৩. জীবজগৎ কী নিয়ে গঠিত?

উত্তর: গাছপালা আর পশুপাখি অর্থাৎ সমস্ত জীবদের নিয়ে জীবজগৎ গঠিত।

৪. দুটি অণুবীক্ষণিক বা ছোট উদ্ভিদের নাম লেখো।

উত্তর: শ্যাওলা ও মশ।

৫. উদ্ভিদ কীভাবে খাবার তৈরি করে?

উত্তর: উদ্ভিদ সূর্যের আলো ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাহায্যে নিজের খাবার নিজেই তৈরি করতে পারে।

৬. গাছ আমাদের কোন গ্যাস দেয়?

উত্তর: গাছ আমাদের অক্সিজেন গ্যাস দেয়।

৭. পরাগ মিলনে কারা সাহায্য করে?

উত্তর: মৌমাছি ও প্রজাপতি ফুলের মধু খাওয়ার সময় পরাগ মিলনে সাহায্য করে।

৮. দুটি জলজ উদ্ভিদের নাম লেখো।

উত্তর: কচুরিপানা ও শাপলা।

৯. মরুভূমির একটি গাছের নাম লেখো।

উত্তর: ফণীমনসা বা ক্যাকটাস।

১০. মেরুদণ্ডী প্রাণী কাকে বলে?

উত্তর: যাদের পিঠে শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ড আছে, তাদের মেরুদণ্ডী প্রাণী বলে।

১১. একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর নাম লেখো।

উত্তর: কেঁচো বা প্রজাপতি।

১২. মাছ কিসের সাহায্যে শ্বাস নেয়?

উত্তর: মাছ ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নেয়।

১৩. পতঙ্গদের কয়টি পা থাকে?

উত্তর: পতঙ্গদের সাধারণত তিন জোড়া বা ৬টি পা থাকে।

১৪. স্তন্যপায়ী প্রাণী কাকে বলে?

উত্তর: যারা মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়, তাদের স্তন্যপায়ী প্রাণী বলে। যেমন—মানুষ, গরু।

১৫. চিংড়িকে মাছ বলা হয় না কেন?

উত্তর: কারণ চিংড়ি একটি অমেরুদণ্ডী সন্ধিপদ প্রাণী বা জলের পোকা, এর শিরদাঁড়া নেই।

১৬. উভচর প্রাণী কাকে বলে?

উত্তর: যারা জল ও ডাঙ্গা উভয় জায়গাতেই বাস করতে পারে, তাদের উভচর বলে। যেমন—ব্যাঙ।

১৭. মাকু আকৃতি কী?

উত্তর: যে শরীরের সামনে ও পিছন সরু এবং মাঝখানটা মোটা, তাকে মাকু আকৃতি বলে।

১৮. আমাদের জাতীয় পশুর নাম কী?

উত্তর: বাঘ (রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার)।

১৯. ব্যাঘ্র প্রকল্প কী?

উত্তর: বাঘ বাঁচানোর জন্য সরকার যে সংরক্ষিত জঙ্গল তৈরি করেছে, তাকে ব্যাঘ্র প্রকল্প বলে।

২০. পাখির হাড় কেমন হয়?

উত্তর: পাখির হাড় হালকা ও ভেতরটা ফাঁপা হয়।

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions - ২০টি)

১. উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে তিনটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর: উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রধান তিনটি পার্থক্য হলো:
  • উদ্ভিদ সাধারণত এক জায়গায় স্থির থাকে, কিন্তু প্রাণী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাফেরা করতে পারে।
  • উদ্ভিদ নিজের খাবার নিজেই তৈরি করতে পারে, কিন্তু প্রাণী খাবারের জন্য উদ্ভিদ বা অন্য প্রাণীর ওপর নির্ভর করে।
  • উদ্ভিদের বৃদ্ধি আমৃত্যু চলতে থাকে, কিন্তু প্রাণীর বৃদ্ধি একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত হয়।

২. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উদ্ভিদ ও প্রাণী কীভাবে একে অপরের ওপর নির্ভর করে?

উত্তর: উদ্ভিদ ও প্রাণী একে অপরের ওপর নিবিড়ভাবে নির্ভরশীল:
  • গ্যাসীয় আদান-প্রদান: উদ্ভিদ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ে খাবার তৈরি করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। প্রাণীরা সেই অক্সিজেন নিয়ে শ্বাসকার্য চালায় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে।
  • খাদ্য: প্রাণীরা খাদ্যের জন্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে।
  • বংশবৃদ্ধি: মৌমাছি, প্রজাপতি পরাগ মিলনে সাহায্য করে এবং পাখিরা বীজ ছড়িয়ে দিয়ে নতুন গাছ জন্মাতে সাহায্য করে।

৩. জলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

উত্তর: জলজ উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:
  • এরা জলেই জন্মায় এবং বড় হয়।
  • এদের কান্ড সাধারণত খুব নরম ও নমনীয় হয়।
  • কান্ডের ভেতরে বাতাস ভরা কুঠুরি থাকে, যা এদের জলে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
  • উদাহরণ: কচুরিপানা, শাপলা, পদ্ম।

৪. মরুভূমির গাছ কেন কাঁটাযুক্ত হয়?

উত্তর: মরুভূমিতে জলের খুব অভাব থাকে। গাছের পাতা দিয়ে বাষ্পমোচনের মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়। মরুভূমির গাছ যেমন ফণীমনসা, তাদের পাতা কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে যাতে শরীর থেকে জল কম বেরিয়ে যায়। এছাড়া এই কাঁটা তাদের প্রাণীদের হাত থেকেও রক্ষা করে।

৫. পাখির ওড়ার জন্য শরীরের কী কী অভিযোজন দেখা যায়?

উত্তর: পাখির ওড়ার জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:
  • শরীরে এক জোড়া ডানা থাকে যা বাতাসে ভাসতে সাহায্য করে।
  • সারা শরীর পালকে ঢাকা থাকে যা শরীরকে হালকা রাখে।
  • হাড়গুলো ভেতর থেকে ফাঁপা ও হালকা হয়।
  • শরীরের আকৃতি 'মাকু'র মতো, যা বাতাস কাটিয়ে উড়তে সুবিধা দেয়।

৬. বাঘের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রধান কারণগুলি কী কী?

উত্তর: বাঘ কমে যাওয়ার তিনটি প্রধান কারণ হলো:
  • বাসস্থান ধ্বংস: মানুষ জঙ্গল কেটে ফেলায় বাঘের থাকার জায়গা কমে যাচ্ছে।
  • খাদ্যের অভাব: জঙ্গলে হরিণ, শূকর কমে যাওয়ায় বাঘ পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে না।
  • চোরাশিকার: লোভী মানুষ বাঘের চামড়া, হাড় ও নখের জন্য বাঘ শিকার করছে।

৭. ব্যাঙকে কেন উভচর প্রাণী বলা হয়? এর জীবনচক্র সংক্ষেপে বলো।

উত্তর: ব্যাঙ তার জীবনের প্রথম অংশ জলে এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় ডাঙ্গায় কাটায়, তাই একে উভচর বলে।
জীবনচক্র: ব্যাঙের ডিম ফুটে ব্যাঙাচি বের হয়। ব্যাঙাচি মাছের মতো জলে থাকে এবং ফুলকা দিয়ে শ্বাস নেয়। বড় হলে তাদের পা গজায় এবং লেজ বিলুপ্ত হয়। তখন তারা ডাঙ্গায় আসে এবং ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়।

৮. মাছের সাঁতার কাটার কৌশল বর্ণনা করো।

উত্তর: মাছের শরীরে সাঁতার কাটার জন্য পাখনা থাকে। লেজের দিকের পাখনা দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে। মাছের শরীর আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকে যা জল থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এদের শরীরও মাকু আকৃতির হওয়ায় জলের বাধা কাটিয়ে দ্রুত এগোতে পারে।

৯. পতঙ্গ বা কীটপতঙ্গের শরীরের গঠন কেমন হয়?

উত্তর: কীটপতঙ্গের শরীর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত—মাথা, বুক ও পেট। এদের সাধারণত তিন জোড়া পা থাকে। মাথায় দুটি শুঁড় বা অ্যান্টেনা থাকে যা দিয়ে তারা চারপাশ অনুভব করে। অনেকের ওড়ার জন্য ডানা থাকে। যেমন—আরশোলা, ফড়িং।

১০. স্থলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর: স্থলজ উদ্ভিদ বা ডাঙ্গার গাছের বৈশিষ্ট্য:
  • এদের শেকড় মাটির অনেক গভীরে যায় জল ও খনিজ লবণ সংগ্রহের জন্য।
  • কান্ড সাধারণত শক্ত ও মজবুত হয়।
  • এরা ডাঙ্গার মাটিতে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
  • উদাহরণ: আম, জাম, বট, অশ্বত্থ।

১১. মানুষ কীভাবে ওড়ার যন্ত্র বা উড়োজাহাজ তৈরি করল?

উত্তর: মানুষ অনেক আগে থেকেই পাখির ওড়া দেখে আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখত। পাখির ডানার গঠন এবং বাতাসের বাধা কাটানোর জন্য তাদের শরীরের মাকু আকৃতি পর্যবেক্ষণ করে মানুষ বুদ্ধি খাটিয়ে উড়োজাহাজ তৈরি করেছে। উড়োজাহাজেরও পাখির মতো ডানা ও লেজ থাকে।

১২. অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের কয়েকটি উদাহরণসহ বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর: অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের শরীরে কোনো শিরদাঁড়া থাকে না। এদের শরীর সাধারণত নরম হয় (যেমন কেঁচো, শামুক) অথবা শক্ত খোলসে ঢাকা থাকে (যেমন কাঁকড়া, চিংড়ি)। এরা আকারে সাধারণত ছোট হয়।

১৩. প্রাণীরা কীভাবে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে?

উত্তর: প্রাণীরা বিভিন্নভাবে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে:
  • মৌমাছি ও প্রজাপতি এক ফুল থেকে অন্য ফুলে বসে পরাগ সংযোগ ঘটায়, ফলে ফল ও বীজ তৈরি হয়।
  • পাখি, কাঠবিড়ালি বা বাদুড় ফল খেয়ে দূরে বীজ ফেলে দেয়, ফলে নতুন জায়গায় গাছ জন্মায়।

১৪. "আমরা সবাই মিলে বাঁচব"—এই কথাটির তাৎপর্য কী?

উত্তর: এই কথাটির অর্থ হলো পৃথিবীতে কোনো জীবই একা বাঁচতে পারে না। মানুষ, গাছপালা, পশুপাখি ও কীটপতঙ্গ সবাই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। গাছ অক্সিজেন দেয়, প্রাণীরা কার্বন ডাই-অক্সাইড দেয়। একে অপরের সাহায্য ছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে এবং জীবন বিপন্ন হবে।

১৫. স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর: স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
  • এরা সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে (ব্যতিক্রম ছাড়া) এবং বাচ্চারা মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়।
  • এদের সারা শরীর লোমে ঢাকা থাকে।
  • এরা সাধারণত ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। উদাহরণ: মানুষ, কুকুর, বিড়াল।

১৬. কচ্ছপ ও কুমির জলে থাকলেও কেন ডাঙ্গায় ওঠে?

উত্তর: কচ্ছপ ও কুমির মূলত জলজ পরিবেশে থাকলেও তারা মাঝে মাঝে ডাঙ্গায় ওঠে রোদ পোহানোর জন্য (শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য) এবং বালি বা মাটিতে ডিম পাড়ার জন্য।

১৭. ব্যাঙের ছাতা বা মাশরুম কী? এরা কি উদ্ভিদ?

উত্তর: ব্যাঙের ছাতা হলো এক ধরণের ছত্রাক। বিজ্ঞানের ভাষায় এদের উদ্ভিদ জগতের অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়, তবে এরা সবুজ উদ্ভিদের মতো নিজের খাবার নিজে তৈরি করতে পারে না। এরা পচা গলা বস্তু থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে।

১৮. সাপের চলাফেরার বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর: সাপের কোনো পা নেই। এরা মেরুদণ্ডী প্রাণী হওয়া সত্ত্বেও এদের শরীর খুব নমনীয়। সাপ তার বুকের ওপর ভর দিয়ে এঁকেবেঁকে চলাফেরা করে। একে সরীসৃপ জাতীয় চলন বলা হয়।

১৯. বাঘ বাঁচানোর জন্য সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

উত্তর: বাঘ বাঁচানোর পদক্ষেপ:
  • বাঘ শিকার করা আইনত নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং শিকারির জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
  • সুন্দরবনের মতো জঙ্গলকে 'ব্যাঘ্র প্রকল্প' হিসেবে ঘোষণা করে বাঘের প্রজনন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
  • জঙ্গলে বাঘের খাবারের অভাব মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

২০. পরিবেশের উপাদান হিসেবে জীব ও জড়ের সম্পর্ক বুঝিয়ে বলো।

উত্তর: জীব ও জড় মিলেই আমাদের পরিবেশ। জীবরা বেঁচে থাকার জন্য জড় বস্তুর ওপর সরাসরি নির্ভর করে। যেমন—শ্বাস নেওয়ার জন্য বাতাস (জড়), তৃষ্ণা মেটানোর জন্য জল (জড়) এবং বসবাসের জন্য মাটি বা স্থান (জড়) প্রয়োজন। জড় বস্তু ছাড়া জীবের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।

© WBBSE AI Engine - Class IV EVS Study Material

অধ্যায়: পরিবেশের উপাদান : জীবজগৎ

WBBSE Mock Test - Class IV EVS

WBBSE Mock Test Bank

শ্রেণি: চতুর্থ | বিষয়: আমাদের পরিবেশ

অধ্যায়: পরিবেশের উপাদান : জীবজগৎ (পৃষ্ঠা ১ - ১৭)

মোট প্রশ্ন: ৬০ সময়: ৬০ মিনিট
WBBSE Online Exam - Class IV EVS

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)

অনলাইন মূল্যায়ন - ২০২৪

শ্রেণি: চতুর্থ বিষয়: আমাদের পরিবেশ অধ্যায়: জীবজগৎ

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)

১. নিচের কোনটি একটি জীব?

২. গাছ খাবার তৈরির সময় কোন গ্যাস গ্রহণ করে?

৩. একটি জলজ উদ্ভিদের নাম হলো—

৪. নিচের কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?

৫. পতঙ্গদের সাধারণত কয়টি পা থাকে?

৬. চিংড়ি আসলে কী?

৭. ব্যাঙকে উভচর বলা হয় কারণ—

৮. পাখির শরীরের আকৃতি কেমন?

৯. সুন্দরবনের বাঘের নাম কী?

১০. বাঘ বাঁচানোর জন্য তৈরি জঙ্গলকে কী বলে?

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Descriptive)

১. জীব ও জড়ের মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

২. উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরতা বলতে কী বোঝো?

৩. প্রাণীরা কীভাবে উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে?

৪. জলজ উদ্ভিদের কান্ড কেন নরম ও ফাঁপা হয়?

৫. মরুভূমির গাছের পাতা কেন কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে?

৬. মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি করে উদাহরণ দাও।

৭. মাছ কীভাবে জলের নিচে শ্বাস নেয়?

৮. স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

৯. মানুষ কীভাবে ওড়ার যন্ত্র বা উড়োজাহাজ তৈরির বুদ্ধি পেল?

১০. বাঘের সংখ্যা কমে যাওয়ার দুটি কারণ উল্লেখ করো।

Revision: জীবজগৎ (পৃষ্ঠা ১-১৭)

অধ্যায়: পরিবেশের উপাদান : জীবজগৎ

শ্রেণি: চতুর্থ | বিষয়: আমাদের পরিবেশ (পৃষ্ঠা ১ - ১৭)

Revision Tab: Mistake Analysis & Power Summary

⚠️ সাধারণ ভুল ও সঠিক ধারণা (Mistake Analysis)

সাধারণ ভুল ধারণা (Common Pitfalls)সঠিক ধারণা (Correct Concept)
চিংড়ি একটি মাছ।চিংড়ি মাছ নয়, এটি একটি জলের পোকা। এদের শিরদাঁড়া নেই এবং শরীর শক্ত খোলসে ঢাকা।
গাছেরা চলাফেরা করতে পারে না মানে তাদের প্রাণ নেই।গাছেরা প্রাণীদের মতো স্থান পরিবর্তন করতে পারে না, কিন্তু তারা জীব। তারা উদ্দীপনায় সাড়া দেয় এবং বংশবৃদ্ধি করে।
সব জলজ প্রাণীই মাছ।জলে থাকলেই মাছ হয় না। যেমন—শামুক, কচ্ছপ, কুমির বা ব্যাঙ মাছ নয়। এদের বৈশিষ্ট্য আলাদা।
মরুভূমির গাছের পাতা নেই।মরুভূমির গাছের (যেমন: ফণীমনসা) পাতা আসলে কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে যাতে শরীর থেকে জল বেরিয়ে না যায়।
ব্যাঙ কেবল জলেই শ্বাস নিতে পারে।ব্যাঙ উভচর। ছোটবেলায় (ব্যাঙাচি) ফুলকা দিয়ে জলে শ্বাস নেয়, কিন্তু বড় হলে ফুসফুস দিয়ে ডাঙ্গায় শ্বাস নেয়।

পাওয়ার রিভিশন সামারি (High-Yield Points)

১. জীব ও জড়ের মূল পার্থক্য

  • জীবের প্রাণ আছে, জড়ের নেই।
  • উদ্ভিদ নিজের খাবার নিজে বানাতে পারে, প্রাণীরা পারে না।
  • প্রাণীরা চলাফেরা করতে পারে, উদ্ভিদ সাধারণত এক জায়গায় স্থির থাকে।

২. পারস্পরিক নির্ভরতা

  • গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, আমরা গাছকে কার্বন ডাই-অক্সাইড দিই।
  • প্রাণীরা (মৌমাছি, পাখি) পরাগ মিলন ও বীজ ছড়াতে সাহায্য করে।

৩. উদ্ভিদের অভিযোজন

  • জলজ: কান্ড নরম ও বাতাস ভরা (যেমন: কচুরিপানা)।
  • মরুভূমি: পাতা কাঁটায় পরিণত হয় (যেমন: ফণীমনসা)।

৪. প্রাণীর শ্রেণিবিভাগ

  • মেরুদণ্ডী: শিরদাঁড়া আছে (মানুষ, মাছ, সাপ)।
  • অমেরুদণ্ডী: শিরদাঁড়া নেই (কেঁচো, প্রজাপতি, চিংড়ি)।
  • কীটপতঙ্গ: ৬টি পা এবং শরীর ৩টি অংশে বিভক্ত।

৫. ওড়ার কৌশল ও মাকু আকৃতি

  • পাখির হাড় হালকা ও ফাঁপা।
  • শরীরের আকার মাকু (সামনে-পিছনে সরু, মাঝে মোটা) হওয়ায় বাতাস কেটে উড়তে সুবিধা হয়।

৬. বাঘ সংরক্ষণ

  • বাঘ আমাদের জাতীয় পশু (রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার)।
  • জঙ্গল ধ্বংস ও শিকারের কারণে বাঘ কমছে।
  • সংরক্ষণের জন্য 'ব্যাঘ্র প্রকল্প' তৈরি করা হয়েছে।
* এই সারাংশটি 'আমাদের পরিবেশ' পাঠ্যবইয়ের পৃষ্ঠা ১ থেকে ১৭-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। পরীক্ষার আগে দ্রুত ঝালাই করে নেওয়ার জন্য এটি আদর্শ।
Active Recall Toolkit - WBBSE Class IV EVS

Active Recall Toolkit 🧠

শ্রেণি: চতুর্থ | বিষয়: আমাদের পরিবেশ

অধ্যায়: পরিবেশের উপাদান : জীবজগৎ (পৃষ্ঠা ১ - ১৭)

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

  1. যাদের জীবন আছে তাদের কী বলা হয়?
  2. উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে প্রধান একটি পার্থক্য কী?
  3. গাছ আমাদের কোন গ্যাস দেয় যা নিয়ে আমরা বাঁচি?
  4. মৌমাছি ও প্রজাপতি কীভাবে গাছের উপকার করে?
  5. একটি জলজ উদ্ভিদের নাম লেখো।
  6. ফণীমনসা গাছের পাতা কেন কাঁটায় রূপান্তরিত হয়েছে?
  7. যাদের শিরদাঁড়া নেই তাদের কী বলে?
  8. চিংড়ি কি মাছ? এটি আসলে কী?
  1. ব্যাঙকে কেন 'উভচর' প্রাণী বলা হয়?
  2. মাছ কিসের সাহায্যে শ্বাস নেয়?
  3. পতঙ্গদের সাধারণত কয়টি পা থাকে?
  4. পাখির হাড়গুলো কেমন হয়?
  5. আমাদের জাতীয় পশুর নাম কী?
  6. সুন্দরবনের বাঘকে কী বলা হয়?
  7. বাঘের সংখ্যা কেন দিন দিন কমে যাচ্ছে? (একটি কারণ)

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

বিষয়: "আমরা সবাই মিলে বাঁচব" (পারস্পরিক নির্ভরতা)

"শোনো ছোট বন্ধু, আমাদের চারপাশের গাছপালা আর পশুপাখিরা সবাই একে অপরের খুব ভালো বন্ধু। যেমন ধরো, গাছ আমাদের শ্বাস নেওয়ার জন্য পরিষ্কার বাতাস (অক্সিজেন) দেয় আর মজার মজার ফল দেয়। আবার আমরা যখন শ্বাস ছাড়ি, গাছ সেই বাতাস নিয়ে নিজের খাবার বানায়। মৌমাছিরা ফুলের মধু খেতে গিয়ে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে বীজ ছড়াতে সাহায্য করে, যাতে নতুন গাছ জন্মায়। তাই গাছ না থাকলে আমরা খাবার আর বাতাস পাব না, আবার আমরা বা পশুপাখিরা না থাকলে গাছও ঠিকমতো বাড়তে পারবে না। আমরা সবাই একটা বড় পরিবারের মতো একে অপরের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকি।"

৩. Spaced Repetition Schedule (পড়ার রুটিন)

১ দিন পর (Day 1)

জীব ও জড়ের পার্থক্য এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো রিভিশন করো।

৩ দিন পর (Day 3)

মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর তালিকা এবং জলজ ও স্থলজ উদ্ভিদের উদাহরণগুলো মনে করার চেষ্টা করো।

৭ দিন পর (Day 7)

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাঘের গুরুত্ব এবং মানুষ কীভাবে যন্ত্র বানাতে পাখির ওড়াকে কাজে লাগালো তা আলোচনা করো।

WBBSE AI Engine | Class IV EVS | Amader Paribesh
    BISWAZ GROWTH ACADEMY - Free WBBSE Class 1 to 10 Books

    Biswaz Growth Academy: Free WBBSE Books & Study Materials

    Welcome to biswaz.com, your premier destination for high-quality educational resources. Explore our comprehensive library of West Bengal Board (WBBSE) textbooks from Class 1 to Class 10. Whether you are looking for Amar Boi, Sahaj Path, Ganit Prabha, Butterfly, Bliss, or Amader Paribesh, we provide easily accessible PDF downloads to support student growth, learning, and exam preparation.

    WBBSE Books PDF Download Class 1 to 10 Syllabus West Bengal Board Solutions Free School Textbooks Biswaz Educational Portal

    Biswaz Growth

    Academy Portal

    Select a Class

    0 items