দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (LAQ)
প্রশ্ন ১
বস্তু এবং পদার্থের মধ্যে পার্থক্য কী? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: আমাদের চারপাশে আমরা যা কিছু দেখতে পাই এবং যা কিছুটা জায়গা জুড়ে থাকে, তাকে 'বস্তু' (Object) বলে। আর একটি বস্তু যা দিয়ে তৈরি হয়, তাকে 'পদার্থ' (Material/Matter) বলে।
উদাহরণ: একটি প্লাস্টিকের বোতল হলো একটি 'বস্তু'। কিন্তু এই বোতলটি যে জিনিস দিয়ে তৈরি, অর্থাৎ প্লাস্টিক হলো 'পদার্থ'। একইভাবে, লোহার পেরেক হলো বস্তু, আর লোহা হলো পদার্থ।
প্রশ্ন ২
কঠিন বস্তু যে জায়গা দখল করে তা একটি পরীক্ষার সাহায্যে বর্ণনা করো।
উত্তর: একটি কাঁচের গ্লাস কানায় কানায় জল দিয়ে ভর্তি করতে হবে। এবার একটি বড় পাথর বা ইটের টুকরো আস্তে আস্তে ওই গ্লাসের জলের মধ্যে ছেড়ে দিলে দেখা যাবে, কিছুটা জল গ্লাস উপচে বাইরে পড়ে গেল।
সিদ্ধান্ত: পাথরটি জলের ভেতরে ঢোকার জন্য নিজের আয়তন অনুযায়ী জায়গা করে নিয়েছে, তাই অতিরিক্ত জল উপচে পড়েছে। এতে প্রমাণিত হয় যে কঠিন বস্তু জায়গা দখল করে।
প্রশ্ন ৩
পদার্থের তিনটি অবস্থা কী কী? প্রত্যেক অবস্থার একটি করে বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর: পদার্থের তিনটি অবস্থা হলো— কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয়।
১. কঠিন: এদের নিজস্ব আকার আছে এবং এরা জায়গা দখল করে (যেমন— ইট, কাঠ)।
২. তরল: এদের নিজস্ব কোনো আকার নেই, যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে, কিন্তু এদের নির্দিষ্ট আয়তন আছে (যেমন— জল, তেল)।
৩. গ্যাসীয়: এদের নিজস্ব কোনো আকার নেই এবং এরা ছড়িয়ে পড়তে চায় (যেমন— ধোঁয়া, বাতাস)।
প্রশ্ন ৪
গ্যাসীয় পদার্থ যে ছড়িয়ে পড়ে তা কীভাবে বোঝা যায়? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো খুব হালকা হয় এবং একে অপরের থেকে দূরে থাকে, তাই তারা সহজেই বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
উদাহরণ: ঘরের এক কোণে যদি একটি ধূপকাঠি জ্বালানো হয়, তবে কিছুক্ষণ পর সারা ঘরে তার সুগন্ধ পাওয়া যায়। ধূপের ধোঁয়া (গ্যাস) বাতাসের সাথে মিশে সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে বলেই আমরা গন্ধ পাই। এটি প্রমাণ করে গ্যাসীয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে।
প্রশ্ন ৫
গ্যাসের যে ভর বা ওজন আছে তা কীভাবে প্রমাণ করবে?
উত্তর: রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার যখন নতুন কেনা হয় তখন সেটি খুব ভারী থাকে। কারণ তার ভেতরে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস ভরা থাকে। কিন্তু রান্না করার ফলে গ্যাস খরচ হতে থাকলে সিলিন্ডারটি ক্রমশ হালকা হতে থাকে। খালি সিলিন্ডার এবং ভরা সিলিন্ডারের ওজনের এই পার্থক্য প্রমাণ করে যে গ্যাসের ভর বা ওজন আছে।
প্রশ্ন ৬
বরফ ভর্তি গ্লাসের বাইরের গায়ে জলকণা জমা হয় কেন? এটি কি গ্লাসের ভেতরের জল?
উত্তর: না, এটি গ্লাসের ভেতরের জল নয়। বাতাসে সবসময় জলীয় বাষ্প ভেসে বেড়ায়। গ্লাসে বরফ থাকার কারণে গ্লাসের বাইরের দেওয়াল খুব ঠান্ডা হয়ে যায়। বাতাসের জলীয় বাষ্প যখন এই ঠান্ডা গ্লাসের সংস্পর্শে আসে, তখন তা ঠান্ডা হয়ে ছোট ছোট জলকণায় পরিণত হয় এবং গ্লাসের গায়ে জমা হয়। একে ঘনীভবন বলে।
প্রশ্ন ৭
প্রকৃতিতে জলের অবস্থার পরিবর্তন কীভাবে ঘটে তা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী ও পুকুরের জল বাষ্প হয়ে উপরে উঠে যায় (গ্যাসীয় অবস্থা)। উপরে উঠে ঠান্ডা হয়ে এই বাষ্প জলকণায় পরিণত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়ে জল আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে (তরল অবস্থা)। আবার খুব ঠান্ডা জায়গায় বা পাহাড়ে জল জমে বরফ বা শিলা হয়ে পড়ে (কঠিন অবস্থা)। এভাবেই প্রকৃতিতে জল কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় পরিবর্তিত হতে থাকে।
প্রশ্ন ৮
রোদে ভিজে কাপড় শুকালে জল কোথায় যায়? এই প্রক্রিয়াটির নাম কী?
উত্তর: রোদে ভিজে কাপড় মেলে দিলে সূর্যের তাপে কাপড়ের জল বাষ্পে পরিণত হয় এবং বাতাসে মিশে যায়। তাই কাপড় শুকিয়ে যায়। তরল জল থেকে বাষ্প হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে 'বাষ্পীভবন' (Evaporation) বলে।
প্রশ্ন ৯
শীতকালে নারকেল তেলের শিশিতে তেল জমে যায় কেন? আবার রোদে রাখলে কী হয়?
উত্তর: শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে নারকেল তেল ঠান্ডা হয়ে জমে কঠিন আকার ধারণ করে। এটি পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন (তরল থেকে কঠিন)। আবার শিশিটি রোদে বা গরমে রাখলে তাপ পেয়ে কঠিন তেল গলে পুনরায় তরল হয়ে যায়।
প্রশ্ন ১০
মিশ্রণ কাকে বলে? আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দেখা দুটি মিশ্রণের উদাহরণ দাও।
উত্তর: যখন দুই বা তার বেশি ভিন্ন ধরনের পদার্থ বা বস্তু একে অপরের সাথে মিশে থাকে, তখন তাকে মিশ্রণ বলে।
উদাহরণ:
১. মুড়ি মাখা: এতে মুড়ি, চানাচুর, পেঁয়াজ, লঙ্কা ইত্যাদি মিশে থাকে।
২. বাতাস: বাতাস হলো অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, জলীয় বাষ্প এবং ধূলিকণার একটি মিশ্রণ।
প্রশ্ন ১১
ধান থেকে তুষ কীভাবে আলাদা করা হয়? এই পদ্ধতির সুবিধা কী?
উত্তর: ধান ও তুষের মিশ্রণকে হাওয়ার সামনে উপর থেকে নিচে ফেলা হয়। ধান ভারী বলে নিচে জমা হয়, আর তুষ হালকা বলে হাওয়ায় উড়ে কিছুটা দূরে গিয়ে পড়ে। বাতাসের সাহায্য নিয়ে এই আলাদা করার পদ্ধতিকে অনেক সময় 'ওড়ানো' বা 'ঝাড়াই' বলা হয়। এর সুবিধা হলো খুব সহজেই হালকা ও ভারী বস্তুকে আলাদা করা যায়।
প্রশ্ন ১২
ছাঁকনি বা চালুনি ব্যবহার করে কীভাবে মিশ্রণ আলাদা করা হয়? উদাহরণ দাও।
উত্তর: মিশ্রণের উপাদানগুলোর আকার যদি আলাদা হয়, তবে ছাঁকনি বা চালুনি ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
১. চা তৈরি করার পর ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে চায়ের পাতা আলাদা করা হয়।
২. আটা বা ময়দা চালুনির সাহায্যে চেলে ভুসি বা পোকা আলাদা করা হয়। এখানে ছোট কণাগুলো ছিদ্র দিয়ে পড়ে যায় এবং বড় কণাগুলো আটকে যায়।
প্রশ্ন ১৩
ঘোলা জল পরিষ্কার করার জন্য 'থিতানো' পদ্ধতিটি কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: একটি পাত্রে ঘোলা জল নিয়ে কিছুক্ষণ স্থিরভাবে রেখে দিলে, জলের মধ্যে ভাসমান কাদা ও মাটির কণাগুলো ভারী হওয়ার কারণে পাত্রের তলায় জমা হয়। একে 'থিতানো' (Sedimentation) বলে। এরপর উপরের পরিষ্কার জলটি সাবধানে অন্য পাত্রে ঢেলে নেওয়া হয়।
প্রশ্ন ১৪
সমুদ্রের জল থেকে কীভাবে নুন তৈরি করা হয়?
উত্তর: সমুদ্রের জল নোনা, অর্থাৎ এতে প্রচুর নুন মিশে থাকে। সমুদ্রের ধারে ছোট ছোট জমিতে বা গর্তে সমুদ্রের জল আটকে রাখা হয়। সূর্যের তাপে জল বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, কিন্তু নুন বাষ্প হতে পারে না। তাই জল শুকিয়ে গেলে নিচে নুন পড়ে থাকে। এভাবেই নুন তৈরি করা হয়।
প্রশ্ন ১৫
মহাত্মা গান্ধী কেন লবণ আইন অমান্য করেছিলেন?
উত্তর: পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ সরকার লবণের ওপর কর বা ট্যাক্স বসিয়েছিল। নুন মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার, তাই এর ওপর কর বসানোয় সবার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। এই অন্যায়ের প্রতিবাদে মহাত্মা গান্ধী 'লবণ আইন অমান্য' আন্দোলনের ডাক দেন এবং সমুদ্রের জল থেকে নিজেরা নুন তৈরি করে ব্রিটিশ আইনের বিরোধিতা করেন।
প্রশ্ন ১৬
দাঁড়িপাল্লা কীভাবে কাজ করে? এটি দিয়ে আমরা কী পরিমাপ করি?
উত্তর: দাঁড়িপাল্লার দুই দিকে দুটি পাল্লা থাকে। একদিকের পাল্লায় বাটখারা (নির্দিষ্ট ওজনের বস্তু) এবং অন্যদিকের পাল্লায় যে জিনিসটি মাপা হবে তা রাখা হয়। যখন দুই পাল্লা সমান উচ্চতায় থাকে, তখন বোঝা যায় দুই দিকের ওজন সমান। দাঁড়িপাল্লা দিয়ে আমরা কোনো বস্তুর 'ভর' বা 'ওজন' পরিমাপ করি।
প্রশ্ন ১৭
বাতাস যে জায়গা দখল করে তা একটি বেলুনের সাহায্যে কীভাবে বোঝাবে?
উত্তর: একটি চুপসে যাওয়া বেলুন নিলে দেখা যায় সেটি খুব কম জায়গা নিচ্ছে। কিন্তু যখন আমরা মুখে ফুঁ দিয়ে বেলুনটি ফোলাই, তখন সেটি বড় হয়ে যায় এবং অনেকটা জায়গা দখল করে। বেলুনের ভেতরে বাতাস ঢোকার ফলেই সেটি ফুলে ওঠে। এর থেকে বোঝা যায়, বাতাস (গ্যাসীয় পদার্থ) জায়গা দখল করে।
প্রশ্ন ১৮
শিল বা শিলাবৃষ্টি কীভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: সূর্যের তাপে জল বাষ্প হয়ে উপরে উঠে মেঘ হয়। অনেক উঁচুতে বাতাস খুব ঠান্ডা থাকে। সেখানে জলকণাগুলো আরও ঠান্ডা হয়ে জমে বরফের টুকরোয় পরিণত হয়। বৃষ্টির সময় জলের সাথে এই বরফের টুকরোগুলো যখন নিচে পড়ে, তখন তাকে আমরা 'শিল' বলি এবং এই বৃষ্টিকে শিলাবৃষ্টি বলা হয়।
প্রশ্ন ১৯
হাতে করে বেছে ফেলা (Handpicking) পদ্ধতিতে কীভাবে মিশ্রণ আলাদা করা হয়? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: মিশ্রণের উপাদানগুলো যদি আকারে বড় হয় এবং খালি চোখে স্পষ্টভাবে আলাদা করা যায়, তবে হাত দিয়ে বেছে তাদের আলাদা করা সম্ভব।
উদাহরণ: চালের মধ্যে যদি কাঁকর বা ছোট পাথর মিশে থাকে, তবে রান্নার আগে আমরা হাত দিয়ে বেছে কাঁকরগুলো ফেলে দিই।
প্রশ্ন ২০
পলিমাটি কীভাবে চাষের জমির উর্বরতা বাড়ায়?
উত্তর: বন্যার সময় নদীর জল যখন দুকূল ছাপিয়ে মাঠে প্রবেশ করে, তখন জলের সাথে প্রচুর পলিমাটি ভেসে আসে। জল সরে গেলে বা শুকিয়ে গেলে এই পলিমাটি জমির ওপর থিতিয়ে পড়ে। পলিমাটি খুব উর্বর হয়, তাই বন্যার পরবর্তী সময়ে ওই জমিতে ফসল খুব ভালো হয়।
সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)
১. বস্তু কাকে বলে?
উত্তর: আমাদের চারপাশে যা কিছু কিছুটা জায়গা দখল করে থাকে, তাকে বস্তু বলে।
২. পদার্থ কাকে বলে?
উত্তর: একটি বস্তু যা দিয়ে তৈরি হয়, তাকে পদার্থ বলে। যেমন— প্লাস্টিকের বোতলে 'প্লাস্টিক' হলো পদার্থ।
৩. পদার্থের তিনটি অবস্থা কী কী?
উত্তর: পদার্থের তিনটি অবস্থা হলো— কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয়।
৪. কঠিন পদার্থের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর: কঠিন পদার্থের নিজস্ব আকার আছে এবং এরা সহজে আকৃতি পরিবর্তন করে না।
৫. তরল পদার্থের নিজস্ব আকার আছে কি?
উত্তর: না, তরল পদার্থের নিজস্ব কোনো আকার নেই। এটি যে পাত্রে রাখা হয়, সেই পাত্রের আকার ধারণ করে।
৬. গ্যাসীয় পদার্থ কি চোখে দেখা যায়?
উত্তর: বেশিরভাগ গ্যাস চোখে দেখা যায় না (যেমন বাতাস), তবে ধোঁয়া বা রঙিন গ্যাস দেখা যায়।
৭. একটি গ্লাসে কানায় কানায় জল নিয়ে তাতে পাথর ফেললে কী ঘটবে?
উত্তর: পাথরটি জলের নিচে জায়গা দখল করবে, ফলে কিছুটা জল গ্লাস থেকে উপচে পড়বে।
৮. বেলুন ফোলানোর সময় বেলুনের ভেতরে কী জমা হয়?
উত্তর: বেলুনের ভেতরে বাতাস (গ্যাসীয় পদার্থ) জমা হয়।
৯. গ্যাস যে ছড়িয়ে পড়ে তার একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: ধূপকাঠি জ্বালালে তার সুগন্ধ বা ধোঁয়া সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়া।
১০. দাঁড়িপাল্লা দিয়ে কী মাপা হয়?
উত্তর: দাঁড়িপাল্লা দিয়ে কোনো বস্তুর ভর বা ওজন মাপা হয়।
১১. গ্যাসের কি ভর আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, গ্যাসের ভর আছে। ভরা সিলিন্ডার খালি সিলিন্ডারের চেয়ে ভারী হয়।
১২. বরফ গলে কীসে পরিণত হয়?
উত্তর: বরফ গলে তরল জলে পরিণত হয়।
১৩. জল ফোটালে কী পাওয়া যায়?
উত্তর: জল ফোটালে জলীয় বাষ্প পাওয়া যায়।
১৪. শীতকালে নারকেল তেল জমে যায় কেন?
উত্তর: শীতকালে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে নারকেল তেল জমে কঠিন হয়ে যায়।
১৫. 'শিল' কী?
উত্তর: বৃষ্টির সময় আকাশ থেকে পড়া বরফের টুকরোকে শিল বলে।
১৬. চাল থেকে কাঁকর আলাদা করার সহজ উপায় কী?
উত্তর: হাত দিয়ে বেছে ফেলা (Handpicking)।
১৭. হাওয়ার সাহায্যে কীভাবে ধান থেকে তুষ আলাদা করা হয়?
উত্তর: হাওয়ার সামনে ধান ও তুষের মিশ্রণ ফেললে হালকা তুষ উড়ে দূরে গিয়ে পড়ে এবং ভারী ধান নিচে জমা হয়।
১৮. ছাঁকনির কাজ কী?
উত্তর: ছাঁকনির কাজ হলো মিশ্রণ থেকে তরল ও কঠিন বা বড় ও ছোট দানা আলাদা করা।
১৯. থিতানো (Sedimentation) বলতে কী বোঝো?
উত্তর: তরল মিশ্রণে ভারী কণাগুলোকে পাত্রের নিচে জমা হতে দেওয়াকে থিতানো বলে।
২০. নুন কোথা থেকে পাওয়া যায়?
উত্তর: সমুদ্রের জল শুকিয়ে নুন পাওয়া যায়।