DAY 1 তালনবমী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় CLASS NOTES
একবিংশ পাঠ: তালনবমী
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
📖 গল্পের সংক্ষেপিত রূপ
খুদিরাম ভটচাজের দুই ছেলে—নেপাল আর গোপাল। বর্ষাকালীন অভাবের সংসারে ছোটো ছেলে গোপালের খুব আশা, গ্রামের জটি পিসিমাদের বাড়িতে তালনবমীর ব্রত উপলক্ষে তাদের নেমন্তন্ন হবে। জটি পিসিমাকে খুশি করতে সে বিনামূল্যে তালও জোগাড় করে দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সেই আশা পূরণ হয় না।
মূলভাব (সারসংক্ষেপ):
"শিশু মনের অব্যক্ত যন্ত্রণা এবং পল্লিবংলার এক দরিদ্র পরিবারের অসহায়তার এক বিষাদময় চিত্র ফুটে উঠেছে এই গল্পে।"
👥 চরিত্রসমূহ
- নেপাল: ১২ বছর
- গোপাল: ১০ বছর
- বাবা: খুদিরাম ভটচাজ
- পিসিমা: জটি পিসিমা
📅 বিশেষ দিন
সামনের মঙ্গলবার তালনবমী ব্রত।
📝 শব্দার্থ (Word Meanings)
✍️ হাতেকলমে (অনুশীলনী)
এক কথায় উত্তর দাও
১.১ খুদিরাম ভটচাজের দুই ছেলের নাম কী?
উত্তর: নেপাল এবং গোপাল।
১.২ গোপাল স্বপ্নে কী কী খেতে দেখেছিল?
উত্তর: লুচি, তালের বড়া, পায়েস ইত্যাদি।
শূন্যস্থান পূরণ করো
- সামনের মঙ্গলবার তালনবমী।
- নেপালের বয়স বারো, গোপালের দশ।
- জটি পিসিমা তাল পেয়ে খুব খুশি হলেন।
বিপরীত শব্দ
সমার্থক শব্দ
"গল্পের শেষে গোপালের না-পাওয়া পাঠক মনে গভীর বেদনার সৃষ্টি করে।"
তালনবমী
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় | একবিংশ পাঠ
20 সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions)
১. 'তালনবমী' গল্পের লেখকের নাম কী?
উত্তর: 'তালনবমী' গল্পের লেখক হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
২. খুদিরাম ভটচাজের বড়ো ছেলের নাম কী এবং তার বয়স কত?
উত্তর: খুদিরাম ভটচাজের বড়ো ছেলের নাম নেপাল এবং তার বয়স বারো বছর।
৩. গোপালের বয়স কত?
উত্তর: খুদিরাম ভটচাজের ছোটো ছেলে গোপালের বয়স দশ বছর।
৪. কতদিন ধরে বৃষ্টি চলছে?
উত্তর: বর্ষাকালে একটানা পনেরো দিন ধরে সমানে বৃষ্টি চলছে।
৫. কোন দিনটিতে তালনবমীর ব্রত ছিল?
উত্তর: সামনের মঙ্গলবার তালনবমীর ব্রত ছিল।
৬. তালনবমীর ব্রত কাদের বাড়িতে ছিল?
উত্তর: গ্রামের জটি পিসিমাদের বাড়িতে তালনবমীর ব্রত ছিল।
৭. গোপাল কেন জটি পিসিমাকে তাল জোগাড় করে দিয়েছিল?
উত্তর: গোপাল এই আশায় তাল জোগাড় করে দিয়েছিল যে, জটি পিসিমা খুশি হয়ে তাদের বাড়িতে নেমন্তন্ন করবেন।
৮. গোপাল তাল জোগাড় করার জন্য কত টাকা নিয়েছিল?
উত্তর: গোপাল জটি পিসিমাকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাল জোগাড় করে দিয়েছিল।
৯. তাল পেয়ে জটি পিসিমার প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তর: তাল পেয়ে জটি পিসিমা খুব খুশি হয়েছিলেন।
১০. তালনবমীর দিন সকাল থেকে আবহাওয়া কেমন ছিল?
উত্তর: তালনবমীর দিন সকাল থেকেই বৃষ্টি পড়ছিল।
১১. গোপাল সারাদিন কিসের আশায় বসে ছিল?
উত্তর: গোপাল সারাদিন এই আশায় ছিল যে জটি পিসিমাদের বাড়ি থেকে কেউ তাকে নেমন্তন্ন করতে আসবে।
১২. 'জীয়ল মাছ' বলতে কী বোঝো?
উত্তর: যে মাছ জল ছাড়াও অনেকক্ষণ বেঁচে থাকে (যেমন—কৈ, মাগুর, শিঙি) তাদের জীয়ল মাছ বলে।
১৩. 'অদৃষ্ট' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'অদৃষ্ট' শব্দের অর্থ হলো ভাগ্য বা কপাল।
১৪. গোপাল ঘুমের ঘোরে কী দেখেছিল?
উত্তর: গোপাল ঘুমের ঘোরে একটি সুন্দর স্বপ্ন দেখেছিল।
১৫. স্বপ্নে গোপাল কী কী খাবার দেখেছিল?
উত্তর: স্বপ্নে গোপাল তালের বড়া, পায়েস, লুচি ইত্যাদি খাবার দেখেছিল।
১৬. খুদিরাম ভটচাজের পরিবারের অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: খুদিরাম ভটচাজের পরিবার ছিল অত্যন্ত দরিদ্র, তাদের ঠিকমতো পেট ভরে খাওয়ার সংস্থান ছিল না।
১৭. 'ব্রত' বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পুণ্যলাভের জন্য হিন্দু শাস্ত্রমতে পালনীয় বিশেষ ধর্মানুষ্ঠানকে ব্রত বলে।
১৮. তালনবমী কোন মাসে পালিত হয়?
উত্তর: তালনবমী সাধারণত ভাদ্র মাসের শুক্লা নবমী তিথিতে পালিত হয়।
১৯. 'আড়ষ্ট' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'আড়ষ্ট' শব্দের অর্থ হলো জড়সড় বা অসাড়।
২০. গল্পের শেষে গোপালের অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: গল্পের শেষে গোপাল ক্ষুধার্ত অবস্থায় উপোস করে ঘুমিয়ে পড়েছিল এবং তার স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল।
20 দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions)
১. 'তালনবমী' গল্পের প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।
উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'তালনবমী' গল্পের প্রেক্ষাপট হলো পল্লিবংলার এক বর্ষণমুখর দিন এবং একটি দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবার। ভাদ্র মাসের প্রবল বর্ষণে গ্রাম্য জীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন খুদিরাম ভটচাজের পরিবারে চরম অভাব দেখা দেয়। এই অভাবের মধ্যেই গ্রামের সম্পন্ন গৃহস্থ জটি পিসিমাদের বাড়িতে তালনবমীর ব্রত উপলক্ষে উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবকে কেন্দ্র করেই গল্পের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
২. গোপাল কেন জটি পিসিমাকে বিনামূল্যে তাল জোগাড় করে দিয়েছিল?
উত্তর: গোপাল ছিল এক অবোধ ও সরল শিশু। তাদের বাড়িতে খাবারের খুব অভাব ছিল। সে জানত জটি পিসিমাদের বাড়িতে তালনবমীর ব্রত উপলক্ষে বড়ো খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন হবে। তার খুব আশা ছিল যে সেখানে তাদের নেমন্তন্ন হবে। জটি পিসিমাকে খুশি করতে পারলে নেমন্তন্ন পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে—এই শিশুসুলভ বিশ্বাস থেকেই সে অনেক কষ্ট করে বিনামূল্যে তাল জোগাড় করে দিয়েছিল।
৩. তালনবমীর দিন গোপালের অপেক্ষার বর্ণনা দাও।
উত্তর: তালনবমীর দিন সকাল থেকেই বৃষ্টি পড়ছিল। গোপাল সারাদিন অত্যন্ত আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা নিয়ে জটি পিসিমাদের বাড়ির দিকে তাকিয়ে ছিল। সে মনে মনে আশা করছিল যে এই বুঝি কেউ তাকে ডাকতে এল। বৃষ্টির মধ্যেও সে ঘরের দাওয়ায় বসে প্রতীক্ষা করছিল। কিন্তু সময় বয়ে গেলেও কেউ তাকে নেমন্তন্ন করতে এল না। তার এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
৪. গোপালের দেখা স্বপ্নটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: সারাদিন উপোস করার পর রাতে ক্ষুধার্ত গোপাল ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমের ঘোরে সে দেখে যে সে জটি পিসিমাদের বাড়িতে খেতে বসেছে এবং সেখানে প্রচুর তালের বড়া, লুচি ও পায়েস সাজানো রয়েছে। এই স্বপ্নটি আসলে গোপালের অপূর্ণ ইচ্ছার প্রতিফলন। বাস্তবে যা সে পায়নি, অবচেতন মনে সেই খাবারের স্বাদ পাওয়ার চেষ্টাই এই স্বপ্নের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
৫. 'তালনবমী' গল্পে সামাজিক বৈষম্যের চিত্র কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তর: গল্পে দেখা যায় জটি পিসিমাদের মতো সম্পন্ন পরিবারে উৎসবের আয়োজন হচ্ছে এবং গ্রামের অনেককেই নেমন্তন্ন করা হয়েছে। অন্যদিকে খুদিরাম ভটচাজের মতো দরিদ্র পরিবার অভাবের তাড়নায় ঠিকমতো খেতে পায় না। গোপাল কষ্ট করে তাল জোগাড় করে দিলেও জটি পিসিমা তাকে নেমন্তন্ন করার প্রয়োজন বোধ করেননি। এই ঘটনাটি সমাজের ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে থাকা গভীর ব্যবধান ও অবহেলাকে ফুটিয়ে তোলে।
৬. জটি পিসিমা চরিত্রটি সম্পর্কে তোমার ধারণা লেখো।
উত্তর: জটি পিসিমা গ্রামের একজন গৃহকর্ত্রী যিনি তালনবমীর ব্রত পালন করেন। তিনি গোপালের আনা তাল পেয়ে খুশি হয়েছিলেন এবং তাকে আশীর্বাদও করেছিলেন। কিন্তু গল্পের শেষে দেখা যায়, তিনি দরিদ্র গোপালদের নেমন্তন্ন করেননি। এর থেকে বোঝা যায় যে তিনি হয়তো সামাজিক প্রথা বা আভিজাত্যের কারণে দরিদ্র প্রতিবেশীদের কথা ভুলে গিয়েছিলেন, যা তার চরিত্রের একটি উদাসীন দিক প্রকাশ করে।
৭. গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তর: গল্পের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে 'তালনবমী' ব্রতকে কেন্দ্র করে। তাল জোগাড় করা থেকে শুরু করে নেমন্তন্ন পাওয়ার আশা এবং শেষে সেই বিশেষ দিনে গোপালের স্বপ্নভঙ্গ—সবই এই তিথিটিকে ঘিরে। গল্পের মূল আবেগ ও ঘটনাপ্রবাহ তালনবমীর উৎসবের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর নামকরণ অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।
৮. খুদিরাম ভটচাজের পরিবারের অভাবের চিত্রটি বর্ণনা করো।
উত্তর: খুদিরাম ভটচাজের পরিবার ছিল অত্যন্ত দরিদ্র। বর্ষাকালে যখন কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তাদের ঘরে খাবারের সংকট দেখা দেয়। নেপাল ও গোপাল দুই ভাই ঠিকমতো পেট ভরে খেতে পায় না। জটি পিসিমাদের বাড়িতে ভোজের আয়োজন শুনে তাদের মনে যে প্রবল আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, তা মূলত তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষুধারই বহিঃপ্রকাশ।
৯. গোপাল ও নেপালের চরিত্রের তুলনা করো।
উত্তর: নেপাল বড়ো ভাই হিসেবে কিছুটা বাস্তববাদী হলেও সেও অভাবের শিকার। অন্যদিকে ছোটো ভাই গোপাল অনেক বেশি সরল ও আশাবাদী। সে নেমন্তন্ন পাওয়ার জন্য সক্রিয়ভাবে তাল জোগাড় করে এবং জটি পিসিমাকে খুশি করার চেষ্টা করে। গোপালের মধ্যে শিশুসুলভ সারল্য ও বিশ্বাসের পরিমাণ নেপালের চেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
১০. 'বাস্তবে তার এই স্বপ্ন আর পূরণ হয় না'—উক্তিটির মাধ্যমে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: এই উক্তিটির মাধ্যমে লেখক এক রূঢ় বাস্তবকে তুলে ধরেছেন। দরিদ্র মানুষের ইচ্ছা বা স্বপ্ন প্রায়ই অপূর্ণ থেকে যায়। গোপাল তার সাধ্যমতো চেষ্টা করেও জটি পিসিমার নেমন্তন্ন পায়নি। তার দেখা খাবারের স্বপ্নটি কেবল ঘুমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সমাজ ও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে একটি শিশুর সামান্য খাবারের ইচ্ছাও যে পূরণ হয় না, লেখক এখানে সেই বিষাদময় সত্যটিই ফুটিয়ে তুলেছেন।
১১. বর্ষাকালের প্রকৃতির বর্ণনা দাও যা গল্পে পাওয়া যায়।
উত্তর: গল্পে বর্ষাকালের এক অবিরাম বৃষ্টির চিত্র পাওয়া যায়। পনেরো দিন ধরে সমানে বৃষ্টি চলছে। চারপাশ জলমগ্ন, কাদা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। তালনবমীর দিন সকালেও আকাশ মেঘলা এবং বৃষ্টি পড়ছে। এই নিরানন্দ ও ধূসর আবহাওয়া গল্পের বিষাদময় পরিণতির সাথে একাত্ম হয়ে এক করুণ আবহ তৈরি করেছে।
১২. জটি পিসিমা তাল পেয়ে খুশি হয়ে গোপালকে কী বলেছিলেন?
উত্তর: গোপাল যখন তাল নিয়ে জটি পিসিমার কাছে গেল, তিনি খুব খুশি হলেন। তিনি গোপালকে বলেছিলেন যে তালগুলো খুব ভালো হয়েছে এবং তিনি এর জন্য অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি গোপালকে আশীর্বাদও করেছিলেন। কিন্তু তিনি একবারও তাকে তালনবমীর দিন খেতে আসার কথা বা নেমন্তন্নের কথা সরাসরি বলেননি।
১৩. 'তালনবমী' গল্পটি পাঠ করে তোমার মনে কী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়?
উত্তর: গল্পটি পাঠ করে মন এক গভীর বেদনায় ভরে ওঠে। একটি ছোটো শিশুর সরল বিশ্বাস এবং তার সামান্য খাবারের প্রত্যাশা যেভাবে ভেঙে যায়, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিশেষ করে গোপালের ক্ষুধার্ত অবস্থায় স্বপ্ন দেখার বিষয়টি পাঠকের মনে করুণ রসের সৃষ্টি করে এবং সমাজের অবহেলিত শিশুদের প্রতি সহমর্মিতা জাগিয়ে তোলে।
১৪. গল্পের মূলভাব নিজের ভাষায় সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: 'তালনবমী' গল্পের মূলভাব হলো দারিদ্র্যের কষাঘাতে পিষ্ট এক শিশুর আশা ও নিরাশার কাহিনী। জটি পিসিমাদের বাড়ির উৎসবের নেমন্তন্ন পাওয়ার আশায় গোপাল অনেক পরিশ্রম করে তাল জোগাড় করে দিলেও শেষ পর্যন্ত সে অবহেলিতই থেকে যায়। তার ক্ষুধার্ত পেটের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পায় না। এটি মূলত শিশু মনের অব্যক্ত যন্ত্রণা ও সামাজিক নিষ্ঠুরতার এক আলেখ্য।
১৫. তালের বড়া বা তাল দিয়ে তৈরি খাবারের চল কোন তিথিতে দেখা যায়?
উত্তর: ভাদ্র মাসের শুক্লা নবমী তিথিতে অর্থাৎ তালনবমীর দিন তালের বড়া বা তাল দিয়ে তৈরি বিভিন্ন মিষ্টান্ন খাওয়ার চল আছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে এই দিনে ব্রত পালন করে তালের তৈরি পদ দিয়ে দেবতাকে ভোগ নিবেদন করার প্রথা প্রচলিত রয়েছে।
১৬. গোপাল কেন রাতে উপোস করে ঘুমিয়ে পড়েছিল?
উত্তর: গোপাল সারাদিন এই আশায় ছিল যে জটি পিসিমাদের বাড়ি থেকে নেমন্তন্ন আসবে এবং সে সেখানে পেট ভরে ভালো মন্দ খাবে। এই আশায় সে বাড়িতেও হয়তো কিছু খায়নি বা তাদের বাড়িতে খাওয়ার মতো তেমন কিছু ছিলও না। সারাদিন অপেক্ষা করেও যখন কেউ ডাকতে এল না, তখন সে নিরাশ হয়ে এবং ক্ষুধার জ্বালায় ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল।
১৭. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখনীর বৈশিষ্ট্য এই গল্পে কীভাবে ধরা পড়েছে?
উত্তর: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পল্লিবংলার প্রকৃতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে অত্যন্ত দরদ দিয়ে ফুটিয়ে তোলেন। এই গল্পেও তিনি বর্ষার প্রকৃতি, গ্রাম্য পরিবেশ এবং একটি দরিদ্র শিশুর মনস্তত্ত্বকে অত্যন্ত নিপুণভাবে চিত্রিত করেছেন। অতি সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে গভীর মানবিক আবেদন সৃষ্টি করা তাঁর লেখনীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা এখানেও স্পষ্ট।
১৮. 'অদৃষ্ট' শব্দটির প্রয়োগ গল্পে কীভাবে প্রাসঙ্গিক?
উত্তর: 'অদৃষ্ট' মানে ভাগ্য। গোপাল তার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছিল জটি পিসিমাকে খুশি করতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে নেমন্তন্ন পায়নি। এই না-পাওয়াকে অনেক সময় ভাগ্যের লিখন বা অদৃষ্ট বলে মেনে নিতে হয়। গোপালের মতো দরিদ্র শিশুদের জীবনে আনন্দ বা উৎসবের সুযোগ যে কত কম, তা তাদের মন্দ অদৃষ্টেরই পরিচয় দেয়।
১৯. জটি পিসিমাদের বাড়িতে কী কী খাবারের আয়োজন হয়েছিল?
উত্তর: জটি পিসিমাদের বাড়িতে তালনবমীর ব্রত উপলক্ষে বড়ো খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন হয়েছিল। গোপালের স্বপ্ন অনুযায়ী সেখানে তালের বড়া, পায়েস, লুচি এবং আরও অনেক সুস্বাদু খাবারের আয়োজন হওয়ার কথা ছিল। গ্রামের অনেককেই এই ভোজের জন্য নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল।
২০. এই গল্প থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?
উত্তর: এই গল্প থেকে আমরা শিখি যে আমাদের চারপাশে অনেক অভাবী মানুষ ও শিশু রয়েছে যাদের সামান্য আশা-আকাঙ্ক্ষাও অনেক সময় অপূর্ণ থেকে যায়। আমাদের উচিত তাদের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া এবং উৎসবের আনন্দ সবার সাথে ভাগ করে নেওয়া। কোনো শিশুকে মিথ্যে আশা দেওয়া বা তাকে অবহেলা করা যে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তা এই গল্প আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
© WBBSE AI Engine - পাতাবাহার (পঞ্চম শ্রেণি) নোটস
বিংশ পাঠ: মিষ্টি
কবি: প্রেমেন্দ্র মিত্র
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer Questions)
১. 'মিষ্টি' কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: কবি প্রেমেন্দ্র মিত্রের লেখা।
২. কবির মতে কোন আকাশ ভালো লাগে না?
উত্তর: যে আকাশে ঝড় ওঠে না বা মেঘ ডাকে না।
৩. 'মুখ্খু' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: মূর্খ বা বোকা।
৪. কবি কেমন রাস্তা পছন্দ করেন?
উত্তর: চড়াই-ভাঙা বা উঁচু-নিচু রাস্তা।
৫. আখ কেন সবচেয়ে মিষ্টি লাগে?
উত্তর: কারণ আখ চিবিয়ে কষ্ট করে খেতে হয়।
৬. 'চড়াই-ভাঙা' মানে কী?
উত্তর: খাড়া বা উঁচু পথ পার হওয়া।
৭. 'দুখ্খু' শব্দের বিপরীত শব্দ লেখো।
উত্তর: সুখ বা আনন্দ।
৮. 'আকাশ' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ লেখো।
উত্তর: গগন বা অম্বর।
৯. কারা গড়িয়ে চলার পথে মজা পায়?
উত্তর: যারা 'মুখ্খু' বা নির্বোধ।
১০. 'রোদ্দুর' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সূর্যের আলো বা রৌদ্র।
১১. পথে কী না থাকলে কবি মজা পান না?
উত্তর: পিছলে পড়া বা হোঁচট খাওয়া না থাকলে।
১২. 'মিষ্টি' শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
উত্তর: তেতো বা টক।
১৩. 'রাস্তা' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ লেখো।
উত্তর: পথ বা সড়ক।
১৪. 'হোঁচট' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: চলতে গিয়ে পায়ে বাধা পাওয়া।
১৫. 'অনেক' শব্দের বিপরীত শব্দ লেখো।
উত্তর: কম।
১৬. কবি আকাশে কী কী দেখতে চান?
উত্তর: ঝড়, বৃষ্টি এবং রোদ্দুর।
১৭. 'আখ' থেকে কী তৈরি হয়?
উত্তর: গুড় বা চিনি তৈরি হয়।
১৮. 'রোদ' শব্দের সমার্থক শব্দ কী?
উত্তর: রৌদ্র বা কিরণ।
১৯. 'মুখ্খু' শব্দের বিপরীত শব্দ লেখো।
উত্তর: চালাক বা জ্ঞানী।
২০. 'মিষ্টি' কবিতায় কোন ঋতুর অনুষঙ্গ আছে?
উত্তর: ঝড়-বৃষ্টি (বর্ষা) ও রোদ্দুরের অনুষঙ্গ আছে।
বিশদ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions)
১. 'মিষ্টি' কবিতার মূলভাব নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র 'মিষ্টি' কবিতায় জীবনের সংগ্রামের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন যে, বিনা পরিশ্রমে পাওয়া জিনিসের কোনো মূল্য নেই। যে পথে বাধা নেই, হোঁচট খাওয়ার ভয় নেই, সেই পথ একঘেয়ে। ঠিক যেমন চিবিয়ে খেতে হয় বলে আখ সবচেয়ে মিষ্টি লাগে, তেমনই কষ্টের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যই জীবনে প্রকৃত আনন্দ বা 'মিষ্টি' স্বাদ নিয়ে আসে।
২. কবি কেন সহজ ও মসৃণ পথকে 'মুখ্খু'দের পথ বলেছেন?
উত্তর: কবি মনে করেন, জীবনে চড়াই-উতরাই বা বাধা-বিপত্তি থাকলেই মানুষ প্রকৃত শিক্ষা পায় এবং শক্তিশালী হয়। যারা কোনো পরিশ্রম না করে কেবল সহজভাবে গড়িয়ে চলতে চায়, তারা জীবনের আসল আনন্দ ও অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত থাকে। তাই কবি এই ধরণের অলস ও সংগ্রামহীন মানসিকতার মানুষদের 'মুখ্খু' বা বোকা বলেছেন।
৩. "চিবিয়ে খেতে হয় বলে আখ / মিষ্টি সবার চাইতে!"—এই পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: আখ একটি শক্ত ফল, যা সরাসরি খাওয়া যায় না; একে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে রস বের করতে হয়। এই চিবানোর পরিশ্রমটুকুই আখের মিষ্টি স্বাদকে আরও বাড়িয়ে তোলে। কবি এখানে আখের মাধ্যমে জীবনের সত্যকে তুলে ধরেছেন—যে কাজে যত বেশি পরিশ্রম ও সংগ্রাম থাকে, তার ফল তত বেশি মধুর হয়।
৪. কবি কেমন আকাশ এবং কেমন রাস্তা কামনা করেছেন এবং কেন?
উত্তর: কবি এমন আকাশ চেয়েছেন যেখানে ঝড় উঠবে, মেঘ ডাকবে এবং বৃষ্টি হবে। আবার তিনি এমন রাস্তা চেয়েছেন যা হবে চড়াই-ভাঙা এবং অনেক দূর বিস্তৃত। কারণ, শান্ত আকাশ বা সমান রাস্তা একঘেয়েমি তৈরি করে। প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে আছে বলে কবি মনে করেন।
৫. "যে পথে নেই পিছলে পড়া, হোঁচট খাওয়া, দুখ্খু"—এই ধরণের পথ সম্পর্কে কবির ধারণা কী?
উত্তর: কবির মতে, যে পথে কোনো বাধা নেই, পিছলে পড়ার ভয় নেই বা দুঃখ নেই, সেই পথ আসলে প্রাণহীন। এমন পথে কেবল গড়িয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু নতুন কিছু শেখা বা জয় করার আনন্দ পাওয়া যায় না। কবি এই ধরণের নিস্তরঙ্গ ও নিরুত্তাপ জীবনকে পছন্দ করেন না।
৬. 'মিষ্টি' কবিতায় 'মিষ্টি' শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: কবিতায় 'মিষ্টি' শব্দটি কেবল স্বাদের অর্থে ব্যবহৃত হয়নি, এটি সাফল্যের আনন্দ ও সার্থকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কষ্টের পর যে সুখ পাওয়া যায়, কবি তাকেই প্রকৃত 'মিষ্টি' বলে অভিহিত করেছেন।
৭. "তাতেই হবে, তাইতে"—কবি এখানে কী হওয়ার কথা বলেছেন?
উত্তর: কবি এখানে বলতে চেয়েছেন যে, যদি আকাশে ঝড়-বৃষ্টি থাকে এবং রাস্তা যদি চড়াই-ভাঙা ও দীর্ঘ হয়, তবেই জীবন পূর্ণতা পাবে। এই প্রতিকূলতাগুলো থাকলেই মানুষের জীবন সার্থক হবে এবং সে প্রকৃত আনন্দের স্বাদ পাবে।
৮. ঝড়-বৃষ্টি ও রোদ্দুর জীবনের কোন দিকের ইঙ্গিত দেয়?
উত্তর: ঝড়-বৃষ্টি জীবনের বিপদ, দুঃখ ও কঠিন সময়ের ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে রোদ্দুর আশা ও আনন্দের প্রতীক। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, রোদ ও বৃষ্টির মিলনেই যেমন প্রকৃতি সুন্দর হয়, তেমনই সুখ ও দুঃখের সংমিশ্রণেই জীবন বৈচিত্র্যময় ও মধুর হয়ে ওঠে।
৯. হোঁচট খাওয়া কেন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় বলে কবি মনে করেন?
উত্তর: হোঁচট খাওয়া মানে ভুল করা বা বাধার সম্মুখীন হওয়া। কবি মনে করেন, হোঁচট না খেলে মানুষ সাবধান হতে শেখে না এবং উঠে দাঁড়ানোর শক্তি পায় না। জীবনের কঠিন পথে হোঁচট খেয়ে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই বীরত্ব ও আনন্দ আছে।
১০. "গড়িয়ে যেতে সে পথে যে পায় মজা সে মুখ্খু"—উক্তিটির মাধ্যমে কবি কী বার্তা দিতে চেয়েছেন?
উত্তর: এই উক্তির মাধ্যমে কবি অলসতা ও সহজলভ্যতার বিরুদ্ধে বার্তা দিয়েছেন। যারা বিনা পরিশ্রমে জীবন কাটাতে চায়, তারা আসলে জীবনের গভীরতা বোঝে না। সংগ্রামহীন জীবন পশুর মতো কেবল টিকে থাকা, কিন্তু মানুষের মতো সার্থকভাবে বেঁচে থাকা নয়।
১১. 'মিষ্টি' কবিতার নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তর: কবিতার নাম 'মিষ্টি' হলেও এখানে কবি তেতো বা কঠিন পরিশ্রমের জয়গান গেয়েছেন। আখের মিষ্টি রসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বুঝিয়েছেন যে, কষ্ট ছাড়া মিষ্টির স্বাদ বোঝা যায় না। জীবনের চরম সত্যটি এখানে 'মিষ্টি'র আবরণে পরিবেশিত হয়েছে, তাই নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক।
১২. চড়াই-ভাঙা রাস্তা অনেক দূর হওয়া কেন ভালো?
উত্তর: চড়াই-ভাঙা রাস্তা মানেই চড়াই বা উঁচু পথ অতিক্রম করা। এই পথ দীর্ঘ হলে মানুষের ধৈর্য ও সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘ সংগ্রামের পর যখন গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, তখন সেই জয়ের আনন্দ অনেক বেশি স্থায়ী ও গভীর হয়।
১৩. কবি কেন রোদ ও জলহীন আকাশকে অপছন্দ করেন?
উত্তর: রোদ ও জলহীন আকাশ মানে একঘেয়ে ও বৈচিত্র্যহীন আকাশ। যেখানে কোনো পরিবর্তন নেই, সেখানে কোনো প্রাণের স্পন্দন নেই। কবি পরিবর্তনশীল ও জীবন্ত প্রকৃতিকে ভালোবাসেন, তাই তিনি এমন আকাশ অপছন্দ করেন।
১৪. 'মিষ্টি' কবিতা থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?
উত্তর: এই কবিতা থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, জীবনে কষ্ট বা বাধাকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। পরিশ্রমের মাধ্যমেই বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব। সহজ পথ আমাদের অলস করে তোলে, কিন্তু কঠিন পথ আমাদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
১৫. আখের উদাহরণটি কবির বক্তব্যের সাথে কীভাবে মানানসই?
উত্তর: আখ খেতে গেলে দাঁত দিয়ে অনেক কসরত করতে হয়। এই পরিশ্রমের পরেই মিষ্টি রস পাওয়া যায়। কবি জীবনের সংগ্রামের সাথে এই কসরতকে তুলনা করেছেন। যেমন আখের মিষ্টি পেতে পরিশ্রম লাগে, জীবনের সাফল্য পেতেও তেমনই সংগ্রাম প্রয়োজন।
১৬. "রোদ ওঠে না জল পড়ে না, ভালো লাগে তাই কি?"—কবির এই প্রশ্নের উত্তর দাও।
উত্তর: না, কবির এটি ভালো লাগে না। কারণ রোদ ও বৃষ্টির খেলা প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। এই বৈচিত্র্য না থাকলে প্রকৃতি তার সৌন্দর্য হারায়। মানুষের জীবনেও সুখ ও দুঃখের পর্যায়ক্রমিক উপস্থিতি না থাকলে জীবন আনন্দহীন হয়ে পড়ে।
১৭. 'চড়াই-ভাঙা' পথ বলতে কবি জীবনের কোন অবস্থাকে বুঝিয়েছেন?
উত্তর: 'চড়াই-ভাঙা' পথ বলতে কবি জীবনের কঠিন সময়, দারিদ্র্য, বাধা বা প্রতিকূল অবস্থাকে বুঝিয়েছেন। এই কঠিন সময়গুলো পার করেই মানুষ সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে পারে।
১৮. কবির কাছে 'মজা' পাওয়ার প্রকৃত অর্থ কী?
উত্তর: কবির কাছে মজা পাওয়ার অর্থ হলো প্রতিকূলতাকে জয় করা। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে এগিয়ে যাওয়া বা চড়াই পথ অতিক্রম করার মধ্যে যে রোমাঞ্চ ও তৃপ্তি আছে, কবি তাকেই প্রকৃত মজা বা আনন্দ বলে মনে করেন।
১৯. "আকাশে থাক ঝড় বৃষ্টি, আর কিছু রোদ্দুর"—এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবির কোন মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: এর মাধ্যমে কবির ইতিবাচক ও লড়াকু মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি জীবনকে তার সমস্ত চড়াই-উতরাই সহ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। তিনি কেবল সুখ চান না, বরং দুঃখ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসা সুখকে বেশি গুরুত্ব দেন।
২০. 'মিষ্টি' কবিতাটি ছোটদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: ছোটরা অনেক সময় কষ্ট করতে চায় না বা সহজে সব পেতে চায়। এই কবিতা তাদের শেখায় যে, বড় হতে গেলে পরিশ্রম করতে হবে। জীবনের ছোট ছোট বাধাগুলোই যে ভবিষ্যতের বড় সাফল্যের চাবিকাঠি, সেই মূল্যবান পাঠ এই কবিতাটি দেয়।
DAY 2 তালনবমী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় MOCK TEST
একবিংশ পাঠ: তালনবমী
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় | পঞ্চম শ্রেণি (পাতাবাহার)
পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে!
আপনি ৬০টির মধ্যে ০ টি সঠিক উত্তর দিয়েছেন।
WBBSE Mock Test
পঞ্চম শ্রেণি | বিষয়: বাংলা | পাঠ: মিষ্টি (প্রেমেন্দ্র মিত্র)
পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে!
আপনার স্কোর: 0 / 60