Bengali Literature (Class 5) Lesson Three: Daroga Babu and Habu (Bhabani Prasad Majumdar) – Notes and Answers

Smart AI Education | Study Smart

Smart AI Education

পরীক্ষার প্রস্তুতি, দ্রুত রিভিশন এবং স্মার্ট স্টাডির জন্য AI-এর জাদুকরী ব্যবহার শিখুন।

Study Smart, Not Just Hard

AI কে আপনার পার্সোনাল টিউটর হিসেবে ব্যবহার করুন। যেকোনো কঠিন বিষয় বোঝা, নোটস বানানো, কিংবা পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা—সবকিছুই এখন ৩ গুণ দ্রুত!

DOWNLOAD PDF AI GUIDE
DAY 1 দারোগাবাবু এবং হাবু CLASS NOTES
দারোগাবাবু এবং হাবু - প্রশ্নোত্তর

দারোগাবাবু এবং হাবু

ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

শ্রেণি: পঞ্চম | বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions - 20)

১. হাবু কখন থানায় গিয়েছিল?

উত্তর: হাবু সেদিন খুব ভোরে থানায় গিয়েছিল।

২. হাবু থানায় গিয়ে কী করেছিল?

উত্তর: হাবু থানায় গিয়ে কেঁদে কেঁদে দারোগাবাবুর কাছে নালিশ জানিয়েছিল।

৩. হাবুরা মোট কয় ভাই?

উত্তর: হাবুরা মোট চার ভাই।

৪. হাবুরা কয়টি ঘরে থাকে?

উত্তর: হাবুরা চার ভাই মিলে একটি ঘরেই থাকে।

৫. বড়দা কী পোষেন?

উত্তর: বড়দা সাতটি ছোটো-বড়ো বেড়াল পোষেন।

৬. মেজদা কয়টি কুকুর পোষেন?

উত্তর: মেজদা আটটি কুকুর পোষেন।

৭. সেজদা কী পোষেন?

উত্তর: সেজদা দশটি ছাগল পোষেন।

৮. হাবুর সেজদাকে কী বলা হয়েছে?

উত্তর: হাবুর সেজদাকে 'পাগল' বলা হয়েছে।

৯. ঘরে কিসের গন্ধে হাবুর প্রাণ যায় যায়?

উত্তর: ঘরে মেজদার কুকুর আর সেজদার ছাগলের গন্ধে হাবুর প্রাণ যায় যায়।

১০. দারোগাবাবু হাবুকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?

উত্তর: দারোগাবাবু হাবুকে ঘরের সদর দরজা খোলা রেখে কুকুর-ছাগল তাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন।

১১. হাবু নিজে কী পোষে?

উত্তর: হাবু নিজে দেড়শো পায়রা পোষে।

১২. দরজা খুললে হাবুর কী অসুবিধা হবে?

উত্তর: দরজা খুললে হাবুর পোষা দেড়শো পায়রা উড়ে যাবে।

১৩. 'নালিশ' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: নালিশ শব্দের অর্থ হলো অভিযোগ।

১৪. 'পরান' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: পরান শব্দের অর্থ হলো প্রাণ বা জীবন।

১৫. 'সদর দরজা' বলতে কী বোঝো?

উত্তর: সদর দরজা বলতে বাড়ির প্রধান বা সামনের বড় দরজাকে বোঝায়।

১৬. 'দারোগাবাবু এবং হাবু' কবিতাটির কবির নাম কী?

উত্তর: কবিতাটির কবির নাম ভবানীপ্রসাদ মজুমদার।

১৭. হাবুর বড়দা কয়টি বেড়াল পোষেন?

উত্তর: হাবুর বড়দা সাতটি বেড়াল পোষেন।

১৮. হাবু কেন কেঁদে কেঁদে দারোগাবাবুর কাছে গিয়েছিল?

উত্তর: ভাইদের পোষা জীবজন্তুর গন্ধে ঘরে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ায় হাবু কেঁদে কেঁদে নালিশ জানাতে গিয়েছিল।

১৯. 'পাগল' শব্দের বিপরীত শব্দ লেখো।

উত্তর: পাগল শব্দের বিপরীত শব্দ হলো স্বাভাবিক বা প্রকৃতিস্থ।

২০. 'ভোর' শব্দের বিপরীত শব্দ লেখো।

উত্তর: ভোর শব্দের বিপরীত শব্দ হলো সন্ধ্যা।

রচনাধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions - 20)

১. হাবু দারোগাবাবুর কাছে কী নালিশ জানিয়েছিল?

উত্তর: হাবু দারোগাবাবুর কাছে নালিশ জানিয়ে বলেছিল যে তারা চার ভাই মিলে একটি ঘরেই থাকে। তার বড়দা সাতটি বেড়াল, মেজদা আটটি কুকুর এবং সেজদা দশটি ছাগল সেই একই ঘরে বেঁধে রাখেন। এই সমস্ত জীবজন্তুর গন্ধে হাবুর প্রাণ ওষ্ঠাগত এবং ঘরে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতির কথাই সে নালিশ হিসেবে জানায়।

২. হাবুর ভাইদের শখ সম্পর্কে কবিতা থেকে যা জানো লেখো।

উত্তর: ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের 'দারোগাবাবু এবং হাবু' কবিতায় হাবুর তিন ভাইয়ের বিচিত্র শখের কথা জানা যায়। বড়দা সাতটি ছোটো-বড়ো বেড়াল পোষেন। মেজদা আটটি কুকুর নিজের কাছে রাখেন। আর সেজদা দশটি ছাগল ঘরের মধ্যেই বেঁধে রাখেন। তারা সবাই একই ঘরের মধ্যে এই বিপুল সংখ্যক পশুদের নিয়ে বসবাস করেন।

৩. দারোগাবাবু হাবুকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং কেন?

উত্তর: হাবুর দুঃখের কথা শুনে দারোগাবাবু তাকে একটি সহজ পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন হাবুরা যেন ঘরের জানলা ও সদর দরজা সবসময় খোলা রাখে। দরজা-জানলা খোলা রাখলে ঘরের ভেতরের পশুর দুর্গন্ধ বেরিয়ে যাবে এবং কুকুর-ছাগলগুলোও বাইরে চলে যেতে পারবে। হাবুর সমস্যার সমাধান করতেই তিনি এই পরামর্শ দেন।

৪. দারোগাবাবুর পরামর্শ শুনে হাবুর প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

উত্তর: দারোগাবাবুর পরামর্শ শুনে হাবু অত্যন্ত বিচলিত হয়ে পড়ে। সে জানায় যে দরজা-জানলা খোলা রাখলে সে নিজেই মরে যাবে। কারণ হাবু নিজে ওই একই ঘরে দেড়শো পায়রা পুষে রেখেছে। দরজা খোলা পেলে তার সব পায়রা উড়ে চলে যাবে। অর্থাৎ হাবু নিজেও তার ভাইদের মতোই একই দোষে দোষী।

৫. "সেটি হলে যাব যে আমি মরে!" - হাবু কেন এ কথা বলেছে?

উত্তর: দারোগাবাবু যখন হাবুকে ঘরের সদর দরজা খোলা রাখার পরামর্শ দেন, তখন হাবু এই উক্তিটি করে। হাবু আসলে নিজেও ওই ছোট ঘরে দেড়শো পায়রা পোষে। দরজা খোলা রাখলে তার অতি প্রিয় পায়রাগুলো সব উড়ে পালিয়ে যাবে। পায়রা হারিয়ে যাওয়ার ভয়েই হাবু বলেছে যে সেটি হলে সে মরে যাবে।

৬. কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তর: কবিতাটির নাম 'দারোগাবাবু এবং হাবু'। সমগ্র কবিতাটি দারোগাবাবু এবং হাবুর কথোপকথনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। হাবু তার ভাইদের বিরুদ্ধে নালিশ নিয়ে দারোগাবাবুর কাছে যায় এবং দারোগাবাবু তাকে সমাধান বাতলে দেন। গল্পের শেষে হাবুর নিজের গোপন শখটিও প্রকাশিত হয়। যেহেতু এই দুই চরিত্রকে কেন্দ্র করেই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে, তাই নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক।

৭. হাবুর বড়দা, মেজদা ও সেজদা মোট কতগুলি পশু পোষেন? হিসাব করে লেখো।

উত্তর: কবিতা অনুযায়ী, হাবুর বড়দা পোষেন ৭টি বেড়াল। মেজদা পোষেন ৮টি কুকুর। আর সেজদা পোষেন ১০টি ছাগল। সুতরাং হাবুর তিন ভাই মিলে মোট (৭ + ৮ + ১০) = ২৫টি পশু ওই একটি ঘরের মধ্যে পোষেন।

৮. হাবুর নিজের শখটি কী ছিল? সেটি কেন সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল?

উত্তর: হাবুর নিজের শখ ছিল পায়রা পোষা। সে একটি ঘরের মধ্যেই দেড়শো পায়রা পুষে রেখেছিল। এটি সমস্যার কারণ ছিল কারণ একদিকে সে তার ভাইদের পশুদের গন্ধে কষ্ট পাচ্ছিল, আবার অন্যদিকে নিজের পায়রা উড়ে যাওয়ার ভয়ে সে ঘরের দরজা-জানলাও খুলতে পারছিল না। তার এই শখই তাকে এক অদ্ভুত সংকটে ফেলেছিল।

৯. "দুঃখের কথা কী আর বলি বলতে পরান ফাটে!" - হাবুর এই দুঃখের কারণ কী?

উত্তর: হাবুর দুঃখের প্রধান কারণ হলো স্থানাভাব এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। চার ভাই মিলে একটি মাত্র ঘরে থাকা এমনিতেই কষ্টকর, তার ওপর তিন ভাই মিলে পঁচিশটি পশু সেই ঘরেই রাখে। পশুদের গন্ধে ঘরে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই চরম অব্যবস্থার কথা বোঝাতেই হাবু বলেছে যে তার পরান ফেটে যাচ্ছে।

১০. কবিতাটির মধ্যে যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে তা বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: কবিতাটির হাস্যরস লুকিয়ে আছে এর শেষ স্তবকে। হাবু এতক্ষণ ধরে তার ভাইদের পশু পোষার বিরুদ্ধে করুণভাবে নালিশ জানাচ্ছিল। কিন্তু যখন দারোগাবাবু তাকে দরজা খোলার সহজ বুদ্ধি দিলেন, তখন জানা গেল হাবু নিজেও ওই ঘরে দেড়শো পায়রা পুষে রেখেছে। অন্যের দোষ ধরলেও হাবু নিজেও যে একই কাজ করছে, এই বৈপরীত্যই কবিতায় হাসির খোরাক জোগায়।

১১. হাবুর সেজদাকে 'পাগল' বলা হয়েছে কেন?

উত্তর: হাবুর সেজদা দশটি ছাগলকে ঘরের ভেতরেই বেঁধে রাখেন। একটি ছোট ঘরে মানুষের সাথে দশটি ছাগল বসবাস করা স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাজ নয়। ছাগলের গন্ধে ঘর ভরে যায়, যা অত্যন্ত অস্বস্তিকর। সেজদার এই অদ্ভুত ও কান্ডজ্ঞানহীন আচরণের জন্যই হাবু তাকে 'পাগল' বলে সম্বোধন করেছে।

১২. হাবু কেন ভোরে থানায় গিয়েছিল? তার মনের অবস্থা কেমন ছিল?

উত্তর: হাবু তার ভাইদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিকার পাওয়ার আশায় খুব ভোরে থানায় গিয়েছিল। তার মনের অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। সে দারোগাবাবুর সামনে কেঁদে ফেলেছিল। তার কথায় প্রকাশ পাচ্ছিল যে সে অত্যন্ত অসহায় এবং তার 'প্রাণ যায় যায়' অবস্থা। সে ভেবেছিল পুলিশ হয়তো তাকে এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারবে।

১৩. "গন্ধে তাদের প্রাণ যায় যায় মরি কেঁদে কেঁদে!" - কাদের গন্ধে হাবুর এই অবস্থা?

উত্তর: হাবুর বড়দার সাতটি বেড়াল, মেজদার আটটি কুকুর এবং বিশেষ করে সেজদার দশটি ছাগল—এই সব কটি পশুর মিলিত গন্ধে হাবুর প্রাণ ওষ্ঠাগত। ছোট একটি বদ্ধ ঘরে এতগুলো পশু থাকলে যে তীব্র দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়, তা সহ্য করতে না পেরে হাবু কেঁদে কেঁদে এই কথা বলেছে।

১৪. হাবুর সমস্যার প্রকৃত সমাধান কী হতে পারত বলে তুমি মনে করো?

উত্তর: হাবুর সমস্যার প্রকৃত সমাধান হলো পশু-পাখিদের জন্য আলাদা থাকার জায়গা বা খামারের ব্যবস্থা করা। শোবার ঘরে পশু রাখা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এছাড়া চার ভাইয়ের উচিত ছিল নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ঘরটিকে পরিষ্কার রাখা এবং পশুদের ঘরের বাইরে রাখার ব্যবস্থা করা। হাবুর নিজেরও উচিত ছিল পায়রাগুলোকে ঘরের ভেতরে না রেখে বাইরে খোপ করে রাখা।

১৫. 'দারোগাবাবু এবং হাবু' কবিতায় পশুপ্রেমের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।

উত্তর: কবিতায় হাবু ও তার ভাইদের পশুপ্রেমের এক চরম ও অদ্ভুত রূপ দেখা যায়। তারা পশুদের এতটাই ভালোবাসে যে নিজেদের শোবার ঘরেই তাদের স্থান দিয়েছে। বেড়াল, কুকুর, ছাগল এমনকি দেড়শো পায়রাকেও তারা আগলে রেখেছে। যদিও এই পশুপ্রেম সাধারণ মানুষের কাছে অসুবিধাজনক ও হাস্যকর, তবুও তাদের এই নিবিড় আসক্তিই কবিতার মূল উপজীব্য।

১৬. হাবু কেন দারোগাবাবুর পরামর্শ মানতে পারল না?

উত্তর: দারোগাবাবু পরামর্শ দিয়েছিলেন সদর দরজা খোলা রাখতে। কিন্তু হাবু তা মানতে পারল না কারণ সে নিজেও ওই ঘরে দেড়শো পায়রা পুষে রেখেছিল। দরজা খুললে তার ভাইদের পশুরা চলে গেলেও হাবুর নিজের পায়রাগুলোও উড়ে চলে যেত। নিজের শখের ধন হারানোর ভয়েই সে দারোগাবাবুর যুক্তিসঙ্গত পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেনি।

১৭. হাবুর চার ভাইয়ের স্বভাবের মধ্যে কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়?

উত্তর: হাবুর চার ভাইয়ের স্বভাবের মধ্যে প্রধান মিল হলো তাদের অদ্ভুত শখ এবং কান্ডজ্ঞানহীনতা। তারা প্রত্যেকেই প্রচুর পরিমাণে পশু বা পাখি পুষতে ভালোবাসে এবং অদ্ভুতভাবে তারা সবাই সেই পশুদের নিজেদের শোবার ঘরেই রাখে। অন্যের অসুবিধা বা পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে তাদের কারোরই কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।

১৮. কবিতাটি পড়ে হাবু চরিত্রটি সম্পর্কে তোমার কী ধারণা হয়?

উত্তর: হাবু চরিত্রটি অত্যন্ত সরল এবং কিছুটা বোকা প্রকৃতির। সে তার ভাইদের পশু পোষার গন্ধে কষ্ট পেলেও নিজে যে দেড়শো পায়রা পুষে সমস্যা বাড়াচ্ছে, তা সে বুঝতে পারে না। সে নালিশ জানাতে থানায় গেলেও নিজের দোষটি অজান্তেই ফাঁস করে দেয়। তার এই সরলতা ও বোকামিই তাকে পাঠকদের কাছে প্রিয় করে তোলে।

১৯. "আমরা চার ভাই মিলে একটা ঘরেই থাকি" - এই পরিস্থিতির সুবিধা ও অসুবিধা লেখো।

উত্তর: এক ঘরে চার ভাই থাকার সুবিধা হলো ভ্রাতৃত্ববোধ ও একতা। কিন্তু অসুবিধার দিকটিই এখানে প্রকট। ছোট ঘরে চারজন মানুষের থাকার জায়গার অভাব হয়। তার ওপর যদি প্রত্যেকেই বিপুল সংখ্যক পশু-পাখি পোষে, তবে সেখানে বাস করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা এই পরিস্থিতিতে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

২০. হাবুর নালিশের ভাষা কেমন ছিল? কবিতা থেকে উদাহরণ দাও।

উত্তর: হাবুর নালিশের ভাষা ছিল অত্যন্ত করুণ ও আবেগপূর্ণ। সে বলেছিল, "নালিশ আমার শুনুন বড়ো দারোগাবাবু!" এবং "বলতে পরান ফাটে!"। সে তার ভাইদের কাজের বর্ণনা দিয়ে বলেছিল, "গন্ধে তাদের প্রাণ যায় যায় মরি কেঁদে কেঁদে!"। এই শব্দগুলি থেকে বোঝা যায় হাবু কতটা মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার মধ্যে ছিল।

© WBBSE AI Engine - পাতাবাহার নোটস (পঞ্চম শ্রেণি)

WBBSE Notes: সবার আমি ছাত্র
WBBSE AI Engine • Study Notes

সবার আমি ছাত্র

কবি: সুনির্মল বসু

শ্রেণি: চতুর্থ/পঞ্চম বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)
S

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions - 20)

১. আকাশ কবিকে কী শিক্ষা দিল?

উত্তর: আকাশ কবিকে উদার হওয়ার শিক্ষা দিয়েছে।

২. কর্মী হবার মন্ত্র কবি কার কাছে পান?

উত্তর: কবি বায়ুর কাছে কর্মী হবার মন্ত্র পান।

৩. পাহাড় কবিকে কী হতে শেখায়?

উত্তর: পাহাড় কবিকে মৌন-মহান হতে শেখায়।

৪. খোলা মাঠের উপদেশে কবি কী হন?

উত্তর: খোলা মাঠের উপদেশে কবি 'দিল-খোলা' হন।

৫. সূর্য কবিকে কী মন্ত্রণা দেয়?

উত্তর: সূর্য কবিকে আপন তেজে জ্বলতে মন্ত্রণা দেয়।

৬. চাঁদ কবিকে কী শিখিয়েছে?

উত্তর: চাঁদ কবিকে হাসতে এবং মধুর কথা বলতে শিখিয়েছে।

৭. সাগর কবিকে কী শিক্ষা দেয়?

উত্তর: সাগর কবিকে শিক্ষা দেয় যেন তাঁর অন্তর রত্ন-আকর হয়।

৮. নদীর কাছ থেকে কী শিক্ষা পাওয়া যায়?

উত্তর: নদীর কাছ থেকে আপন বেগে চলার শিক্ষা পাওয়া যায়।

৯. মাটি কবিকে কী শিখিয়েছে?

উত্তর: মাটি কবিকে সহিষ্ণুতা শিখিয়েছে।

১০. পাষাণ কবিকে কী দীক্ষা দিল?

উত্তর: পাষাণ কবিকে নিজের কাজে কঠোর হওয়ার দীক্ষা দিল।

১১. ঝরনা কবির প্রাণে কী জাগাল?

উত্তর: ঝরনা তার সহজ গানে কবির প্রাণে গান জাগাল।

১২. শ্যাম-বনানী কবিকে কী ভিক্ষা দিল?

উত্তর: শ্যাম-বনানী কবিকে সরসতা ভিক্ষা দিল।

১৩. কবির কাছে পাঠশালা কোনটি?

উত্তর: কবির কাছে গোটা বিশ্বই হলো পাঠশালা।

১৪. কবি দিবারাত্র কী শিখছেন?

উত্তর: কবি দিবারাত্র নানান ভাবের নতুন জিনিস শিখছেন।

১৫. পৃথিবীর বিরাট খাতা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: সমগ্র পৃথিবীকে কবি একটি বিশাল খাতার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

১৬. কবি কীভাবে শিখছেন?

উত্তর: কবি অত্যন্ত কৌতূহলের সঙ্গে শিখছেন।

১৭. 'সবার আমি ছাত্র' কবিতার কবির নাম কী?

উত্তর: কবিতার কবির নাম সুনির্মল বসু।

১৮. 'মৌন-মহান' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: নীরব থেকেও যে মহান বা বড়।

১৯. 'রত্ন-আকর' বলতে সাগরকে কেন বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: সাগরের বুকে অনেক রত্ন থাকে, তাই তাকে রত্ন-আকর বলা হয়েছে।

২০. কবি নিজেকে কার ছাত্র বলেছেন?

উত্তর: কবি নিজেকে এই বিশ্বপ্রকৃতির সবার ছাত্র বলেছেন।

L

বিশদ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions - 20)

১. "আকাশ আমায় শিক্ষা দিল উদার হতে ভাই রে" - পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কবি সুনির্মল বসু তাঁর 'সবার আমি ছাত্র' কবিতায় আকাশকে এক মহান শিক্ষক হিসেবে তুলে ধরেছেন। আকাশ যেমন সীমাহীন এবং তার বিস্তৃতি বিশাল, তেমনি সে আমাদের মনকে সংকীর্ণতা মুক্ত করে উদার হতে শেখায়। আকাশের এই বিশালতা মানুষের হৃদয়ে মহত্ত্বের সঞ্চার করে, যাতে মানুষ পরোপকারী ও বড় মনের অধিকারী হতে পারে।

২. বায়ুর কাছ থেকে কবি কীভাবে কর্মী হবার মন্ত্র পান?

উত্তর: বায়ু বা বাতাস সবসময় প্রবহমান। সে এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্রাম নেয় না। বায়ুর এই নিরন্তর গতিশীলতা কবিকে অলসতা ত্যাগ করে সবসময় কাজে লিপ্ত থাকার অনুপ্রেরণা দেয়। বাতাসের মতো চঞ্চল ও কর্মঠ হওয়ার শিক্ষাই হলো 'কর্মী হবার মন্ত্র'।

৩. পাহাড়ের 'মৌন-মহান' হওয়ার শিক্ষার গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর: পাহাড় অটল এবং শান্ত। সে কোনো কথা না বলে নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে নিজের উচ্চতা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখে। কবি পাহাড়ের কাছ থেকে শিখেছেন যে, প্রকৃত মহান ব্যক্তিরা বেশি কথা বলেন না, বরং নিজেদের কাজের মাধ্যমে এবং চারিত্রিক দৃঢ়তার মাধ্যমে নিজেদের মহত্ত্ব প্রকাশ করেন।

৪. 'দিল-খোলা' হওয়ার জন্য কবি কার কাছে ঋণী এবং কেন?

উত্তর: কবি 'দিল-খোলা' বা মুক্তমনা হওয়ার জন্য খোলা মাঠের কাছে ঋণী। মাঠ যেমন উন্মুক্ত এবং কোনো সীমানায় আবদ্ধ নয়, তেমনি মাঠের উপদেশ কবিকে শিখিয়েছে নিজের মনকে সংকীর্ণ গণ্ডি থেকে বের করে এনে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে।

৫. সূর্যের কাছ থেকে কবি কী ধরনের তেজস্বিতার শিক্ষা পেয়েছেন?

উত্তর: সূর্য নিজের আলোয় জগতকে আলোকিত করে। সে অন্যের ওপর নির্ভর না করে আপন তেজে জ্বলে ওঠে। কবির মতে, মানুষের উচিত সূর্যের মতো আত্মনির্ভরশীল হওয়া এবং নিজের ভেতরের শক্তি বা প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলে অন্ধকার দূর করা।

৬. চাঁদের হাসি ও মধুর কথা বলার শিক্ষার প্রাসঙ্গিকতা বুঝিয়ে বলো।

উত্তর: চাঁদ তার স্নিগ্ধ আলো দিয়ে পৃথিবীকে শান্ত করে। চাঁদের এই কোমলতা কবিকে শিখিয়েছে মানুষের সঙ্গে সবসময় হাসিমুখে কথা বলতে এবং কর্কশ ভাষা ত্যাগ করে মধুর বচনে সবার মন জয় করতে। সামাজিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এই শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

৭. "অন্তর হোক রত্ন-আকর" - সাগরের এই ইঙ্গিতের অর্থ কী?

উত্তর: সাগরের গভীরে যেমন অসংখ্য মূল্যবান রত্ন লুকানো থাকে, তেমনি কবি চান মানুষের অন্তরেও যেন সদ্গুণ, জ্ঞান এবং দয়ার মতো মূল্যবান রত্ন সঞ্চিত থাকে। সাগর আমাদের ইঙ্গিত দেয় বাইরের চাকচিক্য নয়, বরং ভেতরের সমৃদ্ধি বা চারিত্রিক সম্পদ অর্জন করতে।

৮. নদীর গতিশীলতা কবিকে কীভাবে অনুপ্রাণিত করে?

উত্তর: নদী কোনো বাধা মানেনা, সে আপন বেগে সামনের দিকে এগিয়ে চলে। নদীর এই নিরন্তর বয়ে চলা কবিকে শিখিয়েছে জীবনের পথে আসা সমস্ত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকতে এবং সবসময় অগ্রগামী হতে।

৯. মাটির কাছ থেকে পাওয়া 'সহিষ্ণুতা'র শিক্ষা আমাদের জীবনে কেন প্রয়োজন?

উত্তর: মাটি পৃথিবীর সমস্ত ভার সহ্য করে, তবুও সে শান্ত থাকে। মানুষের জীবনেও অনেক দুঃখ-কষ্ট ও প্রতিকূলতা আসে। মাটির মতো সহিষ্ণু বা ধৈর্যশীল হতে পারলে মানুষ সেই কঠিন সময়েও ভেঙে না পড়ে শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে।

১০. পাষাণ বা পাথর কীভাবে কবিকে কঠোর হওয়ার দীক্ষা দেয়?

উত্তর: পাথর যেমন শক্ত ও দৃঢ়, কবিও চান নিজের আদর্শ ও কর্তব্যের পথে পাথরের মতো কঠোর হতে। এখানে কঠোরতা মানে নিষ্ঠুরতা নয়, বরং নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকা এবং কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার মানসিক দৃঢ়তা।

১১. ঝরনার গান কবির প্রাণে কীভাবে প্রভাব ফেলে?

উত্তর: ঝরনা পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে চলার সময় এক সুন্দর শব্দ বা গান তৈরি করে। এই সহজ ও সাবলীল গান কবির মনকে আনন্দিত করে এবং তাঁর প্রাণে সৃজনশীলতার অনুপ্রেরণা জাগায়। ঝরনা শেখায় জীবনকে ছন্দময় ও আনন্দময় করে তুলতে।

১২. শ্যাম-বনানী বা সবুজ বন কবিকে কী দান করেছে?

উত্তর: শ্যাম-বনানী বা সবুজ অরণ্য তার সজীবতা ও স্নিগ্ধতা দিয়ে কবিকে 'সরসতা' দান করেছে। যান্ত্রিক জীবনে মানুষ যখন শুষ্ক ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন প্রকৃতির এই সবুজ বনানী মানুষকে সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকার শিক্ষা দেয়।

১৩. "বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর" - কবির এই ভাবনার কারণ কী?

উত্তর: কবি মনে করেন শিক্ষার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। শুধু বই পড়ে শিক্ষা লাভ হয় না; প্রকৃতির প্রতিটি উপাদান—আকাশ, বাতাস, পাহাড়, নদী—সবই আমাদের কিছু না কিছু শেখায়। তাই পুরো পৃথিবীই কবির কাছে একটি বিশাল বিদ্যালয় বা পাঠশালা।

১৪. "সবার আমি ছাত্র" - এই উক্তির মাধ্যমে কবির কোন মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: এই উক্তির মাধ্যমে কবির বিনয় এবং শেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। কবি নিজেকে ছোট বড় সবার থেকে নিচু স্তরে রেখে প্রকৃতির প্রতিটি তুচ্ছ জিনিসের থেকেও শিক্ষা নিতে প্রস্তুত। এই নিরহংকার মানসিকতাই একজন প্রকৃত শিক্ষার্থীর পরিচয়।

১৫. পৃথিবীর 'বিরাট খাতা'র পাতায় পাতায় কবি কী শিখছেন?

উত্তর: কবি পৃথিবীকে একটি বিশাল খাতার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যার প্রতিটি পরতে বা পাতায় নতুন নতুন শিক্ষার বিষয় রয়েছে। প্রকৃতির বিচিত্র রূপ, ঋতু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্য থেকে কবি জীবন গড়ার নানা পাঠ কৌতূহলের সঙ্গে শিখে চলেছেন।

১৬. কৌতূহল কীভাবে কবির শিক্ষার পথে সহায়ক হয়েছে?

উত্তর: কোনো কিছু জানার প্রবল ইচ্ছাই হলো কৌতূহল। কবির মনে এই কৌতূহল আছে বলেই তিনি প্রকৃতির ছোটখাটো বিষয়গুলোকেও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেখান থেকে জীবনের মূল্যবান শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। কৌতূহল ছাড়া প্রকৃত জ্ঞানার্জন সম্ভব নয়।

১৭. 'সবার আমি ছাত্র' কবিতার মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তর: কবিতার মূল বক্তব্য হলো—প্রকৃতিই মানুষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। আকাশ, বাতাস, পাহাড়, সূর্য, চাঁদ, সাগর ও মাটি প্রত্যেকেই আমাদের মহত্ত্ব, কর্মতৎপরতা, ধৈর্য ও উদারতার শিক্ষা দেয়। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতিটি জিনিস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

১৮. প্রকৃতির কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া কেন জরুরি বলে তুমি মনে করো?

উত্তর: প্রকৃতি নিঃস্বার্থভাবে আমাদের সব দান করে। প্রকৃতির নিয়মগুলো শৃঙ্খলিত এবং অর্থবহ। প্রকৃতির কাছ থেকে শিক্ষা নিলে মানুষের চরিত্রে ধৈর্য, উদারতা এবং পরোপকারের মতো গুণাবলি বিকশিত হয়, যা কেবল পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে সম্ভব নয়। এটি মানুষকে প্রকৃত মানুষ হতে সাহায্য করে।

১৯. "শিখছি দিবারাত্র" - কবি কেন দিবারাত্র শিখছেন?

উত্তর: শিক্ষা একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। পৃথিবী প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং নতুন নতুন অভিজ্ঞতার জন্ম দিচ্ছে। কবি মনে করেন, শেখার কোনো শেষ নেই এবং কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। তাই তিনি দিন-রাত প্রকৃতির প্রতিটি স্পন্দন থেকে নতুন নতুন জ্ঞান আহরণ করছেন।

২০. সুনির্মল বসুর এই কবিতাটি বর্তমান ছাত্রসমাজের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: বর্তমান যুগে ছাত্ররা যখন কেবল বই আর পরীক্ষার নম্বরের পেছনে ছুটছে, তখন এই কবিতাটি তাদের চারপাশের পরিবেশকে দেখতে এবং সেখান থেকে জীবনবোধ শিখতে উদ্বুদ্ধ করে। এটি ছাত্রদের শেখায় যে প্রকৃত শিক্ষা চারদিকের জগতকে জানার মধ্যে এবং মানবিক গুণাবলি অর্জনের মধ্যে নিহিত।

© ২০২৪ WBBSE AI Engine - শিক্ষামূলক নোটস। উৎস: পাতাবাহার (চতুর্থ শ্রেণি)।

WBBSE Mock Test - দারোগাবাবু এবং হাবু

WBBSE Mock Test

শ্রেণি: পঞ্চম | বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)

অধ্যায়: দারোগাবাবু এবং হাবু - ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

Progress
1 / 60

WBBSE Online Exam - দারোগাবাবু এবং হাবু

WBBSE Online Assessment

শ্রেণি: পঞ্চম | বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)

অধ্যায়: দারোগাবাবু এবং হাবু

কবি: ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

বিভাগ ক: সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ) - ১০ x ২ = ২০

১. হাবু নালিশ জানাতে কোথায় গিয়েছিল?

২. হাবুরা মোট কয় ভাই মিলে এক ঘরে থাকে?

৩. বড়দা কয়টি বেড়াল পোষেন?

৪. মেজদা কী পোষেন?

৫. সেজদা কয়টি ছাগল ঘরে বেঁধে রাখেন?

৬. হাবু নিজে কয়টি পায়রা পোষে?

৭. দারোগাবাবু হাবুকে কী খোলা রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন?

৮. হাবু কখন থানায় গিয়েছিল?

৯. "সেটি হলে যাব যে আমি মরে" - এখানে 'সেটি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১০. মেজদা কয়টি কুকুর পোষেন?

বিভাগ খ: সংক্ষিপ্ত ও বড়ো প্রশ্ন (Descriptive) - ১০ x ৫ = ৫০

রিভিশন নোটস: দারোগাবাবু এবং হাবু

কবি: ভবানীপ্রসাদ মজুমদার | বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)

ভুল সংশোধন (Mistake Analysis)

সাধারণ ভুল (Common Pitfalls)সঠিক ধারণা (Correct Concept)
ভাইদের পোষা প্রাণীর সংখ্যা গুলিয়ে ফেলা (যেমন: মেজদার ১০টি ছাগল)।সঠিক সংখ্যা মনে রাখার কৌশল: বড়দা (৭ বেড়াল), মেজদা (৮ কুকুর), সেজদা (১০ ছাগল)।
হাবু কেন দরজা খুলতে চায় না তা ভুল বোঝা।হাবু দরজা খুললে তার নিজের পোষা ১৫০টি পায়রা উড়ে যাবে, তাই সে দরজা খুলতে চায় না।
হাবু কেবল অভিযোগকারী (Victim) হিসেবে ভাবা।কবিতার শেষে বোঝা যায় হাবু নিজেও একই দোষে দোষী; সেও ঘরের মধ্যে ১৫০টি পায়রা পুষে নোংরা করে।
বানান ভুল: 'নালিশ' বা 'পায়রা' বানান ভুল করা।সঠিক বানান: নালিশ (তালব্য-শ), পায়রা (অন্তস্থ-য়)।

পাওয়ার রিভিশন সামারি (Quick Review)

মূল চরিত্র ও ঘটনা

  • হাবু: চার ভাইয়ের মধ্যে একজন, যে দারোগাবাবুর কাছে নালিশ জানাতে থানায় গিয়েছিল।
  • দারোগাবাবু: হাবুর সমস্যার সমাধান হিসেবে সদর দরজা খুলে রাখার পরামর্শ দেন।
  • সময়: হাবু খুব ভোরে থানায় গিয়েছিল।
  • পরিবেশ: এক ঘরের মধ্যে চার ভাই এবং প্রচুর পশুপাখি একসাথে থাকে।

প্রাণীর হিসাব (High-Yield)

  • 🐱 বড়দা: ৭টি বেড়াল
  • 🐶 মেজদা: ৮টি কুকুর
  • 🐐 সেজদা: ১০টি ছাগল
  • 🕊️ হাবু: ১৫০টি পায়রা

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দ

বিপরীত শব্দ:

  • বড়ো ↔ ছোটো
  • দুঃখ ↔ সুখ
  • খোলা ↔ বন্ধ
  • দিন ↔ রাত

বাক্য রচনার টিপস:

নালিশ, সদর দরজা, এবং পাগল — এই শব্দগুলো দিয়ে ছোট ও অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরির অভ্যাস করো।

"মনে রেখো: হাবুর সমস্যার মূলে ছিল তাদের চার ভাইয়েরই পশুপাখি প্রীতি, যা এক ঘরের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিল।"

Active Recall Toolkit - শরীর (Body)
Active Recall Toolkit

অধ্যায়: শরীর (Body)

শ্রেণি: চতুর্থ | বিষয়: আমাদের পরিবেশ

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

  1. শরীর ভালো রাখার জন্য প্রধান তিনটি প্রয়োজনীয় জিনিস কী কী?
  2. উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায় এমন তিনটি খাবারের নাম বলো।
  3. মধু আমরা কোথা থেকে পাই—উদ্ভিদ না প্রাণী?
  4. প্যাকেট করা খাবারে অনেক সময় কী মেশানো থাকে যা শরীরের ক্ষতি করে?
  5. দক্ষিণ ভারতের মানুষের প্রিয় খাবার কী কী?
  6. পাহাড়ী অঞ্চলের মানুষ সাধারণত কী জাতীয় খাবার খায়?
  7. দুধের দাঁত সাধারণত কত বছর বয়সে পড়ে যায়?
  8. কোন দাঁত একবার পড়ে গেলে আর নতুন করে ওঠে না?
  9. সামনের দাঁত আমরা কোন কাজে ব্যবহার করি?
  10. খাবার ছেঁড়ার জন্য কোন ধরনের দাঁত দরকার?
  11. মুখের লালা খাবার হজমে কীভাবে সাহায্য করে?
  12. খাদ্যনালী দিয়ে খাবার শরীরের কোন অংশে পৌঁছায়?
  13. রোগ প্রতিরোধের জন্য আমাদের কোন ধরনের খাবার বেশি খাওয়া উচিত?
  14. গাছ খাবার তৈরির সময় কোন শক্তি নিজের মধ্যে জমা রাখে?
  15. সুস্বাস্থ্য বলতে শরীর ছাড়া আর কিসের ভালো থাকাকে বোঝায়?

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

"মনে করো তোমার শরীরটা একটা ছোট জাদুর গাড়ির মতো। এই গাড়ি চালানোর জন্য 'তেল' লাগে, আর আমাদের শরীরের সেই তেল হলো খাবার। গাছেরা সূর্যের আলো থেকে শক্তি নিয়ে খাবার বানায়, আর আমরা সেই গাছ বা ফল খেলে সেই শক্তি আমাদের শরীরে চলে আসে। আমাদের মুখে ছোট ছোট 'কাঁচি' (সামনের দাঁত) আর 'হাতুড়ি' (মাড়ির দাঁত) আছে যা খাবারকে ছোট করে দেয়। তারপর পেটের ভেতর গিয়ে সেই খাবার গলে গিয়ে আমাদের শক্তি দেয় যাতে আমরা দৌড়াতে আর খেলতে পারি। আর হ্যাঁ, গাড়ি যেমন ধোঁয়া পছন্দ করে না, আমাদের শরীরও পরিষ্কার বাতাস আর জল খুব পছন্দ করে!"

৩. Spaced Repetition Schedule (রিভিশন রুটিন)

১ দিন পর (Day 1)
  • • উদ্ভিদ ও প্রাণীজ খাবারের তালিকা
  • • প্যাকেট করা খাবারের অপকারিতা
  • • বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের খাবার
৩ দিন পর (Day 3)
  • • দাঁতের প্রকারভেদ ও কাজ
  • • দাঁতের যত্নের নিয়মাবলী
  • • হজম প্রক্রিয়া ও লালার ভূমিকা
৭ দিন পর (Day 7)
  • • খাবার থেকে শক্তি পাওয়ার উৎস (সূর্য)
  • • রোগ প্রতিরোধ ও ভিটামিন
  • • সুস্বাস্থ্য ও শ্বাসবায়ুর গুরুত্ব
© WBBSE AI Engine | Class IV EVS | Source: Amader Paribesh
Active Recall Toolkit - দারোগাবাবু এবং হাবু
WBBSE AI Engine

Active Recall Toolkit

বিষয়: দারোগাবাবু এবং হাবু | কবি: ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

1

Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

১. হাবু কখন থানায় গিয়েছিল?

২. হাবুরা মোট কয় ভাই এক ঘরে থাকেন?

৩. বড়দা কয়টি বেড়াল পোষেন?

৪. মেজদা কয়টি কুকুর পোষেন?

৫. সেজদা কয়টি ছাগল পোষেন?

৬. হাবুর প্রাণ কেন 'যায় যায়' অবস্থা?

৭. দারোগাবাবু হাবুকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন?

৮. হাবু নিজে কী পোষে?

৯. হাবুর পায়রার সংখ্যা কত?

১০. হাবু কেন সদর দরজা খুলে রাখতে চায় না?

১১. 'নালিশ' শব্দের অর্থ কী?

১২. 'পাগল' শব্দটির বিপরীত শব্দ কী?

১৩. হাবু কার কাছে নালিশ জানাতে গিয়েছিল?

১৪. কবিতায় কোন কোন পশুর নাম আছে?

১৫. 'দুঃখ' শব্দটির বিপরীত শব্দ কী?

2

The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

৫ বছরের শিশুকে বোঝানোর মতো করে স্ক্রিপ্ট:

"শোনো, হাবু নামে একটা ছেলে ছিল। সে আর তার তিন ভাই মিলে একটা ছোট্ট ঘরে থাকত। কিন্তু সমস্যা হলো, তার দাদারা সবাই ঘরে অনেক পশু পুষত! বড়দা ৭টা বেড়াল, মেজদা ৮টা কুকুর আর সেজদা ১০টা ছাগল রাখত। গন্ধে হাবুর নাভিশ্বাস উঠত! সে পুলিশের কাছে গিয়ে নালিশ করল। পুলিশ বলল, 'দরজা-জানলা খুলে দাও, সব পশু পালিয়ে যাবে।' তখন হাবু কেঁদে বলল, 'তা কী করে হয়? তাহলে তো আমার নিজের পোষা ১৫০টা পায়রাও উড়ে যাবে!' অর্থাৎ হাবু নিজেও কিন্তু ঘরের ভেতরেই পায়রা পুষত, তাই সেও অন্যদের মতোই ভুল করছিল!"
3

Spaced Repetition Schedule (স্মরণ তালিকা)

Day 1

প্রাথমিক ধারণা ও সংখ্যা

ভাইদের সংখ্যা এবং কে কয়টি পশু পোষে সেই তালিকাটি মুখস্থ করো।

Day 3

শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দ

নালিশ, সদর দরজা, পাগল, দুঃখ - এই শব্দগুলোর অর্থ ও বিপরীত শব্দ ঝালিয়ে নাও।

Day 7

গভীর বিশ্লেষণ ও নালিশের কারণ

দারোগাবাবুর পরামর্শ এবং হাবুর শেষ উত্তরের মধ্যে যে মজা বা পরিহাস আছে তা মনে করার চেষ্টা করো।

© WBBSE AI Engine | Class V Patabahar Bengali
Active Recall Toolkit - শরীর (Body)
Active Recall Toolkit

অধ্যায়: শরীর (Body)

শ্রেণি: চতুর্থ | বিষয়: আমাদের পরিবেশ

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

  1. শরীর ভালো রাখার জন্য প্রধান তিনটি প্রয়োজনীয় জিনিস কী কী?
  2. উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায় এমন তিনটি খাবারের নাম বলো।
  3. মধু আমরা কোথা থেকে পাই—উদ্ভিদ না প্রাণী?
  4. প্যাকেট করা খাবারে অনেক সময় কী মেশানো থাকে যা শরীরের ক্ষতি করে?
  5. দক্ষিণ ভারতের মানুষের প্রিয় খাবার কী কী?
  6. পাহাড়ী অঞ্চলের মানুষ সাধারণত কী জাতীয় খাবার খায়?
  7. দুধের দাঁত সাধারণত কত বছর বয়সে পড়ে যায়?
  8. কোন দাঁত একবার পড়ে গেলে আর নতুন করে ওঠে না?
  9. সামনের দাঁত আমরা কোন কাজে ব্যবহার করি?
  10. খাবার ছেঁড়ার জন্য কোন ধরনের দাঁত দরকার?
  11. মুখের লালা খাবার হজমে কীভাবে সাহায্য করে?
  12. খাদ্যনালী দিয়ে খাবার শরীরের কোন অংশে পৌঁছায়?
  13. রোগ প্রতিরোধের জন্য আমাদের কোন ধরনের খাবার বেশি খাওয়া উচিত?
  14. গাছ খাবার তৈরির সময় কোন শক্তি নিজের মধ্যে জমা রাখে?
  15. সুস্বাস্থ্য বলতে শরীর ছাড়া আর কিসের ভালো থাকাকে বোঝায়?

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

"মনে করো তোমার শরীরটা একটা ছোট জাদুর গাড়ির মতো। এই গাড়ি চালানোর জন্য 'তেল' লাগে, আর আমাদের শরীরের সেই তেল হলো খাবার। গাছেরা সূর্যের আলো থেকে শক্তি নিয়ে খাবার বানায়, আর আমরা সেই গাছ বা ফল খেলে সেই শক্তি আমাদের শরীরে চলে আসে। আমাদের মুখে ছোট ছোট 'কাঁচি' (সামনের দাঁত) আর 'হাতুড়ি' (মাড়ির দাঁত) আছে যা খাবারকে ছোট করে দেয়। তারপর পেটের ভেতর গিয়ে সেই খাবার গলে গিয়ে আমাদের শক্তি দেয় যাতে আমরা দৌড়াতে আর খেলতে পারি। আর হ্যাঁ, গাড়ি যেমন ধোঁয়া পছন্দ করে না, আমাদের শরীরও পরিষ্কার বাতাস আর জল খুব পছন্দ করে!"

৩. Spaced Repetition Schedule (রিভিশন রুটিন)

১ দিন পর (Day 1)
  • • উদ্ভিদ ও প্রাণীজ খাবারের তালিকা
  • • প্যাকেট করা খাবারের অপকারিতা
  • • বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের খাবার
৩ দিন পর (Day 3)
  • • দাঁতের প্রকারভেদ ও কাজ
  • • দাঁতের যত্নের নিয়মাবলী
  • • হজম প্রক্রিয়া ও লালার ভূমিকা
৭ দিন পর (Day 7)
  • • খাবার থেকে শক্তি পাওয়ার উৎস (সূর্য)
  • • রোগ প্রতিরোধ ও ভিটামিন
  • • সুস্বাস্থ্য ও শ্বাসবায়ুর গুরুত্ব
© WBBSE AI Engine | Class IV EVS | Source: Amader Paribesh

    About the Author

    You may also like these

    BISWAZ GROWTH ACADEMY - Free WBBSE Class 1 to 10 Books

    Biswaz Growth Academy: Free WBBSE Books & Study Materials

    Welcome to biswaz.com, your premier destination for high-quality educational resources. Explore our comprehensive library of West Bengal Board (WBBSE) textbooks from Class 1 to Class 10. Whether you are looking for Amar Boi, Sahaj Path, Ganit Prabha, Butterfly, Bliss, or Amader Paribesh, we provide easily accessible PDF downloads to support student growth, learning, and exam preparation.

    WBBSE Books PDF Download Class 1 to 10 Syllabus West Bengal Board Solutions Free School Textbooks Biswaz Educational Portal

    Biswaz Growth

    Academy Portal

    Select a Class

    0 items