Bengali Literature (Class 5) Lesson Sixteen: Rain Falls Tapur Tupur (Rabindranath Tagore) – Notes and Answers

DAY 1 বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর CLASS NOTES
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
WBBSE • Class V • পাতাবাহার

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দিনের আলো নিবে এল, সুয্যি ডোবে-ডোবে।

আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে।

মেঘের উপর মেঘ করেছে, রঙের উপর রঙ,

মন্দিরেতে কাঁসর ঘণ্টা বাজল ঠং ঠং।

ও পারেতে বিষ্টি এল, ঝাপসা গাছপালা।

এ পারেতে মেঘের মাথায় একশো মানিক জ্বালা।

বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলেবেলার গান-

বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান॥


আকাশ জুড়ে মেঘ ডেকেছে, কড়কড়িয়ে বাজ,

পুব-হাওয়াতে বৃষ্টি ছুটে এল এত্তেমাজ!

মাঠের যত ঘাসগুলো সব জলে হলো ধোয়া,

গাছের পাতা থেকে ঝরে বৃষ্টির জল ছোঁয়া।

বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলেবেলার গান-

বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান॥

WBBSE AI Engine • পাঠ্যবই: পাতাবাহার (পঞ্চম শ্রেণি) • ষোড়শ পাঠ
WBBSE Class 5 Bengali - বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | পঞ্চম শ্রেণি - পাতাবাহার

WBBSE Study Notes & Question Bank
S

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions - 20)

১. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর: কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।

২. দিনের আলো নিভে এলে কী হয়?

উত্তর: দিনের আলো নিভে এলে সূর্য বা সুয্যি ডোবে-ডোবে হয়।

৩. মেঘেরা কার লোভে আকাশে জুটেছে?

উত্তর: মেঘেরা চাঁদের লোভে আকাশে জুটেছে।

৪. মন্দিরে কীসের শব্দ শোনা গেল?

উত্তর: মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টার 'ঠং ঠং' শব্দ শোনা গেল।

৫. ওপারে বৃষ্টি নামলে গাছপালা কেমন দেখায়?

উত্তর: ওপারে বৃষ্টি নামলে গাছপালা ঝাপসা দেখায়।

৬. 'একশো মানিক জ্বালা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর: মেঘের মাথায় বিদ্যুতের উজ্জ্বল ঝলকানিকে কবি 'একশো মানিক জ্বালা' বলেছেন।

৭. বাদলা হাওয়ায় কবির কী মনে পড়ে?

উত্তর: বাদলা হাওয়ায় কবির ছেলেবেলার সেই বিখ্যাত গান বা ছড়াটি মনে পড়ে।

৮. 'টাপুর টুপুর' শব্দটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার মিষ্টি শব্দকে 'টাপুর টুপুর' বলা হয়েছে।

৯. আকাশ জুড়ে মেঘ কীভাবে ডেকেছে?

উত্তর: আকাশ জুড়ে মেঘ 'কড়কড়িয়ে' বাজ বা বজ্রপাতের শব্দে ডেকেছে।

১০. কোন দিক থেকে হাওয়া বইছে?

উত্তর: পুব দিক থেকে অর্থাৎ পুব-হাওয়া বইছে।

১১. বৃষ্টির জলে কী ধোয়া হয়ে গেল?

উত্তর: মাঠের যত ঘাস ছিল, সব বৃষ্টির জলে ধোয়া হয়ে গেল।

১২. 'সুয্যি' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: 'সুয্যি' শব্দের অর্থ হলো সূর্য।

১৩. 'বান' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: 'বান' বলতে বন্যা বা নদীর জলের প্রবল স্রোতকে বোঝায়।

১৪. 'ঝাপসা' শব্দের একটি সমার্থক শব্দ লেখো।

উত্তর: ঝাপসা শব্দের সমার্থক শব্দ হলো অস্পষ্ট।

১৫. গাছের পাতা থেকে কী ঝরছে?

উত্তর: গাছের পাতা থেকে বৃষ্টির জলের ছোঁয়া বা ফোঁটা ঝরছে।

১৬. মেঘের উপর কী করার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: মেঘের উপর মেঘ এবং রঙের উপর রঙ করার কথা বলা হয়েছে।

১৭. 'আলো' শব্দের বিপরীত শব্দ কী?

উত্তর: আলো শব্দের বিপরীত শব্দ হলো অন্ধকার।

১৮. 'নদে' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর: 'নদে' বলতে কবি নদীকে বুঝিয়েছেন।

১৯. 'মানিক' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: 'মানিক' শব্দের অর্থ হলো মণি বা মূল্যবান রত্ন।

২০. কবিতাটিতে কোন ঋতুর বর্ণনা পাওয়া যায়?

উত্তর: কবিতাটিতে বর্ষা ঋতুর বর্ণনা পাওয়া যায়।

L

ব্যাখ্যামূলক উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions - 20)

১. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতায় সন্ধ্যার আগের প্রাকৃতিক দৃশ্যটি বর্ণনা করো।

উত্তর: কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৃষ্টির দিনের এক অপূর্ব ছবি এঁকেছেন। সন্ধ্যার আগে দিনের আলো যখন নিভে আসে এবং সূর্য ডোবে-ডোবে হয়, তখন আকাশে চাঁদের লোভে মেঘেরা এসে জড়ো হয়। মেঘের স্তরে স্তরে নানা রঙের খেলা চলে। এই গোধূলি লগ্নে মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টা বেজে ওঠে, যা পরিবেশকে শান্ত ও গাম্ভীর্যপূর্ণ করে তোলে।

২. "এ পারেতে মেঘের মাথায় একশো মানিক জ্বালা"—পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: বর্ষার আকাশে যখন ঘন কালো মেঘ জমে, তখন মাঝে মাঝেই বিদ্যুৎ চমকায়। কবি এই বিদ্যুতের উজ্জ্বল ঝলকানিকে 'একশো মানিক'-এর সাথে তুলনা করেছেন। মানিকের মতো উজ্জ্বল ও মূল্যবান রত্ন যেমন অন্ধকারে জ্বলে ওঠে, মেঘের বুকে বিদ্যুতের ছটা ঠিক তেমনই সৌন্দর্য সৃষ্টি করে।

৩. বৃষ্টির দিনে কবির মনে কোন স্মৃতির উদয় হয় এবং কেন?

উত্তর: বৃষ্টির দিনে বাদলা হাওয়া যখন বইতে শুরু করে, তখন কবির মনে তাঁর ছেলেবেলার কথা এবং সেই সময়ের শোনা একটি জনপ্রিয় গানের কথা মনে পড়ে। গানটি হলো— "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান।" বৃষ্টির শব্দের সাথে এই ছড়াটির ছন্দ মিলে যাওয়ায় কবির মনে নস্টালজিয়া বা স্মৃতিকাতরতা তৈরি হয়।

৪. "ও পারেতে বিষ্টি এল, ঝাপসা গাছপালা"—এখানে 'ও পারে' বলতে কী বোঝানো হয়েছে এবং সেখানকার দৃশ্য কেমন?

উত্তর: 'ও পারে' বলতে নদীর অপর তীরের কথা বলা হয়েছে। বৃষ্টির সময় যখন দূরে বৃষ্টি নামে, তখন ঘন বৃষ্টির পর্দার আড়ালে গাছপালা অস্পষ্ট হয়ে যায়। এই অস্পষ্টতাকেই কবি 'ঝাপসা' বলেছেন। এটি বৃষ্টির দিনের এক চিরচেনা রূপ যেখানে দূরের দৃশ্য ঝাপসা হয়ে আসে আর কাছের দৃশ্য বিদ্যুতের আলোয় ঝলমল করে।

৫. কবিতার দ্বিতীয় স্তবকে বৃষ্টির যে তীব্রতার বর্ণনা আছে তা নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তর: দ্বিতীয় স্তবকে কবি বৃষ্টির এক ভয়ংকর অথচ সুন্দর রূপ তুলে ধরেছেন। আকাশ জুড়ে মেঘের কড়কড়িয়ে ডাক এবং বজ্রপাত শুরু হয়েছে। পুব-হাওয়া বৃষ্টির ঝাপটাকে উড়িয়ে নিয়ে আসছে। এই প্রবল বৃষ্টিতে মাঠের ঘাসগুলো ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে এবং গাছের পাতা থেকে বৃষ্টির জল টুপটুপ করে ঝরছে।

৬. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটির মূলভাব সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর: এই কবিতায় কবি বৃষ্টির দিনের প্রাকৃতিক পরিবর্তনের সাথে মানুষের মনের অনুভূতির মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। একদিকে মেঘ, বিদ্যুৎ এবং বৃষ্টির শব্দের মাধ্যমে প্রকৃতির রূপ বর্ণিত হয়েছে, অন্যদিকে বৃষ্টির দিনে শৈশবের হারানো স্মৃতি ও ছড়ার প্রতি কবির টান প্রকাশ পেয়েছে। প্রকৃতি ও শৈশব—এই দুইয়ের মিলনই হলো কবিতার মূল উপজীব্য।

৭. "আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে"—এই কল্পনাটি কবির কবিপ্রতিভার পরিচয় দেয় কীভাবে?

উত্তর: কবি এখানে মেঘকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে কল্পনা করেছেন। মেঘেরা যেন কোনো এক দুর্লভ বস্তুর (চাঁদ) লোভে আকাশে ভিড় জমিয়েছে। সাধারণ মেঘের আনাগোনাকে কবি একটি শৈল্পিক রূপ দিয়েছেন, যেখানে চাঁদকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মেঘেরা আকাশ দখল করে নেয়। এটি কবির গভীর কল্পনাপ্রসূত চিন্তার ফসল।

৮. মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টা বাজার অনুষঙ্গটি কবিতায় কেন আনা হয়েছে?

উত্তর: মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টা বাজার মাধ্যমে কবি সন্ধ্যার আগমনকে নিশ্চিত করেছেন। বৃষ্টির মেঘে আকাশ অন্ধকার হয়ে আসায় দিনের আলো ফুরিয়ে গেছে। এই সময়ে আরতি বা সন্ধ্যার উপাসনার জন্য মন্দিরে ঘণ্টা বাজে। এই শব্দ বৃষ্টির শব্দের সাথে মিশে এক শান্ত ও পবিত্র পরিবেশ তৈরি করে।

৯. "নদেয় এল বান"—এই কথাটির মাধ্যমে বৃষ্টির কোন রূপ ফুটে উঠেছে?

উত্তর: 'নদেয় এল বান' কথাটির অর্থ হলো নদীতে বন্যা আসা। এটি বৃষ্টির প্রবলতা ও আধিক্যকে বোঝায়। যখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি পড়ে, তখন নদীর জলস্তর বেড়ে যায় এবং দুকূল ছাপিয়ে বন্যা দেখা দেয়। এটি বর্ষার এক শক্তিশালী ও বিধ্বংসী রূপের ইঙ্গিত দেয়।

১০. "মেঘের উপর মেঘ করেছে, রঙের উপর রঙ"—এই পঙক্তিটি মেঘলা আকাশের কোন অবস্থাকে নির্দেশ করে?

উত্তর: সূর্যাস্তের সময় মেঘলা আকাশে রঙের খেলা দেখা যায়। মেঘের স্তরে স্তরে সূর্যের শেষ আলো পড়ে ধূসর, কালো, লাল বা সোনালি রঙের আভা তৈরি হয়। কবি সেই বিচিত্র রঙের সমাহার এবং মেঘের ঘনঘটা বোঝাতেই এই কথাটি ব্যবহার করেছেন।

১১. বৃষ্টির দিনে মাঠের ঘাস ও গাছের পাতার অবস্থা কেমন হয়?

উত্তর: বৃষ্টির প্রবল ধারায় মাঠের ধুলোবালি ধুয়ে যায় এবং ঘাসগুলো সতেজ ও সবুজ হয়ে ওঠে। গাছের পাতাগুলো বৃষ্টির জলে স্নান করে পরিষ্কার হয় এবং বৃষ্টির জল পাতার ডগা থেকে টুপটুপ করে ঝরতে থাকে। প্রকৃতি যেন এক নতুন সজীবতা ফিরে পায়।

১২. "পুব-হাওয়াতে বৃষ্টি ছুটে এল এত্তেমাজ"—এখানে 'এত্তেমাজ' শব্দটির তাৎপর্য কী?

উত্তর: 'এত্তেমাজ' শব্দটি দিয়ে বৃষ্টির তীব্রতা বা সমারোহকে বোঝানো হয়েছে। পুব দিক থেকে আসা হাওয়া যখন বৃষ্টির ঝাপটাকে প্রবল বেগে উড়িয়ে নিয়ে আসে, তখন মনে হয় বৃষ্টি যেন এক বিশাল আয়োজন করে ধেয়ে আসছে। এটি বর্ষার গতিশীল রূপকে প্রকাশ করে।

১৩. কবিতাটিতে শব্দের ব্যবহার (যেমন: ঠং ঠং, টাপুর টুপুর, কড়কড়িয়ে) কীভাবে আবহাওয়া ফুটিয়ে তুলেছে?

উত্তর: কবি বিভিন্ন ধ্বন্যাত্মক শব্দ ব্যবহার করে বৃষ্টির পরিবেশকে জীবন্ত করে তুলেছেন। 'ঠং ঠং' শব্দে সন্ধ্যার নিস্তব্ধতা, 'টাপুর টুপুর' শব্দে বৃষ্টির মিষ্টতা এবং 'কড়কড়িয়ে' শব্দে বজ্রপাতের ভয়ংকরতা ফুটে উঠেছে। এই শব্দগুলো পাঠককে সরাসরি সেই বৃষ্টির দিনে নিয়ে যায়।

১৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কবিতায় প্রকৃতির সাথে শৈশবের সম্পর্ক কীভাবে দেখানো হয়েছে?

উত্তর: কবির কাছে প্রকৃতি কেবল জড় বস্তু নয়, তা স্মৃতির বাহক। বৃষ্টির শব্দ বা বাদলা হাওয়া কবির মনে শৈশবের গান ফিরিয়ে আনে। বড় হয়েও মানুষ যখন বৃষ্টির শব্দ শোনে, তখন সে অজান্তেই তার ছোটবেলার দিনগুলোতে ফিরে যায়। প্রকৃতি এভাবেই মানুষের অতীত ও বর্তমানের মধ্যে সেতু তৈরি করে।

১৫. "দিনের আলো নিবে এল"—এই বাক্যটি দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: এটি দিয়ে কবি সূর্যাস্ত এবং সন্ধ্যার আগমনকে বুঝিয়েছেন। সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে যখন সূর্য দিগন্তে বিলীন হয়, তখন চারদিকের আলো কমে আসে। বৃষ্টির মেঘের কারণে এই অন্ধকার আরও ঘন হয়ে ওঠে, যা কবিতার পরবর্তী বর্ণনার পটভূমি তৈরি করে।

১৬. 'বাদলা হাওয়া' কবির মনে কী ধরনের প্রভাব ফেলে?

উত্তর: বাদলা হাওয়া কবির মনে এক ধরনের উদাসীনতা ও স্মৃতিকাতরতা তৈরি করে। এই হাওয়া কবির মনে কোনো এক পুরনো দিনের সুর বা গান জাগিয়ে তোলে। এটি কবিকে বর্তমান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় তাঁর হারানো ছেলেবেলার দিনগুলোতে।

১৭. বৃষ্টির দিনে নদীর দৃশ্য কেমন হয় বলে কবিতায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়?

উত্তর: কবিতায় সরাসরি নদীর বর্ণনা না থাকলেও 'নদেয় এল বান' কথাটির মাধ্যমে বোঝা যায় যে, বৃষ্টির ফলে নদী কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। নদীর স্রোত বেড়ে যায় এবং বৃষ্টির ঝাপটায় নদীর জল ও ওপারের দৃশ্য ঝাপসা হয়ে এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে।

১৮. কবিতাটির ছন্দ ও মিল সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

উত্তর: কবিতাটি অত্যন্ত ছন্দোবদ্ধ এবং শ্রুতিমধুর। 'লোভে লোভে-ডোবে ডোবে', 'রঙ-ঠং ঠং', 'গাছপালা-জ্বালা', 'গান-বান'—এই অন্ত্যমিলগুলো কবিতাকে একটি গানের রূপ দিয়েছে। এই ছন্দের কারণেই কবিতাটি ছোটদের কাছে খুব জনপ্রিয় এবং সহজেই মুখস্থ করা যায়।

১৯. 'মানিক' এবং 'বিদ্যুৎ'—এই দুটির মধ্যে কবি কেন তুলনা করেছেন?

উত্তর: মানিক বা রত্ন যেমন অন্ধকারে স্বকীয় আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, কালো মেঘের অন্ধকার আকাশে বিদ্যুৎও তেমনই ক্ষণস্থায়ী কিন্তু তীব্র আলো বিচ্ছুরণ করে। বিদ্যুতের এই সৌন্দর্য ও উজ্জ্বলতাকে মহিমান্বিত করতেই কবি তাকে 'মানিক' বা রত্নের সাথে তুলনা করেছেন।

২০. তোমার দেখা একটি বৃষ্টির দিনের অভিজ্ঞতার সাথে এই কবিতার মিল কোথায়?

উত্তর: কবিতার মতোই বাস্তব জীবনেও বৃষ্টির দিনে আকাশ কালো হয়ে আসে, মেঘের ডাক শোনা যায় এবং চারদিকের গাছপালা সতেজ দেখায়। কবিতার সেই 'টাপুর টুপুর' শব্দ আমরা টিনের চালে বা গাছের পাতায় শুনতে পাই। সবচেয়ে বড় মিল হলো, বৃষ্টির দিনে আমাদের সবারই কোনো না কোনো পুরনো স্মৃতি বা ছড়া মনে পড়ে যায়।

© 2024 WBBSE AI Engine - Educational Resource for Class 5 Bengali.
WBBSE Mock Test - বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

WBBSE Interactive Test Bank

শ্রেণি: পঞ্চম | বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)

ষোড়শ পাঠ: বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

প্রশ্ন: 1 / 60 স্কোর: 0

লোড হচ্ছে...

WBBSE Online Exam - Class V Bengali
WBBSE Online Assessment System

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

পঞ্চম শ্রেণি | বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার)

অধ্যায়: ষোড়শ পাঠ পূর্ণমান: ৫০ সময়: ৪৫ মিনিট

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)

১.১ সুয্যি কখন ডোবে-ডোবে হয়?

১.২ আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে কিসের লোভে?

১.৩ মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টা কীভাবে বাজল?

১.৪ 'একশো মানিক জ্বালা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

১.৫ বাদলা হাওয়ায় কবির কী মনে পড়ে?

১.৬ 'সুয্যি' শব্দের অর্থ কী?

১.৭ 'বান' শব্দের অর্থ কী?

১.৮ 'ঝাপসা' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

১.৯ 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

১.১০ 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি কার লেখা?

সংক্ষিপ্ত ও বড় উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Descriptive)

২.১ 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতায় সন্ধ্যার প্রকৃতির বর্ণনা দাও।

২.২ 'ও পারেতে বিষ্টি এল, ঝাপসা গাছপালা'—এই পঙক্তিটির অর্থ বুঝিয়ে লেখো।

২.৩ 'একশো মানিক জ্বালা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

২.৪ বাদলা হাওয়ায় কবির মনে কোন গানের কথা মনে পড়ে? গানটি লেখো।

২.৫ 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতার মূলভাব নিজের ভাষায় লেখো।

২.৬ 'সুয্যি' এবং 'কাঁসর' শব্দ দুটির অর্থ লিখে বাক্য রচনা করো।

২.৭ 'আকাশ' এবং 'ছেলেবেলা' শব্দ দুটি দিয়ে বাক্য রচনা করো।

২.৮ 'মেঘ' এবং 'নদী' শব্দ দুটির দুটি করে সমার্থক শব্দ লেখো।

২.৯ 'আলো' এবং 'ডোবে' শব্দ দুটির বিপরীত শব্দ লেখো।

২.১০ মেঘের উপর মেঘ করলে এবং রঙের উপর রঙ হলে প্রকৃতির রূপ কেমন হয়?

Revision: বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

সংশোধন ও পুনরালোচনা (Revision)

ষোড়শ পাঠ: বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Class V Bengali (পাতাবাহার) WBBSE

সাধারণ ভুল ও সংশোধনী (Mistake Analysis)

সাধারণ ভুল (Common Mistake)সঠিক ধারণা (Correct Concept)
"একশো মানিক জ্বালা" বলতে দামী রত্ন বা গয়না বোঝানো হয়েছে।এখানে 'মানিক' বলতে মেঘের বুকে **বিদ্যুতের ঝলকানিকে** রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
"সুয্যি" একটি আলাদা কোনো গ্রহ বা নক্ষত্র।"সুয্যি" হলো **'সূর্য'** শব্দের একটি কথ্য বা কাব্যিক রূপ।
মেঘেরা বৃষ্টির লোভে আকাশে জমা হয়েছে।কবিতার লাইন অনুযায়ী, মেঘেরা **"চাঁদের লোভে লোভে"** আকাশ ঘিরে জুটেছে।
"বান" বলতে কোনো তীরের কথা বলা হয়েছে।এখানে "বান" মানে **বন্যা বা নদীর জলের প্রবল স্রোত**।
কবিতাটি শুধুমাত্র বৃষ্টির বর্ণনা দেয়।এটি বৃষ্টির বর্ণনার পাশাপাশি কবির **শৈশবের স্মৃতি বা নস্টালজিয়াকে** তুলে ধরে।

পাওয়ার রিভিশন সামারি (High-Yield Points)

প্রাকৃতিক পটভূমি

  • সময়: দিনের আলো শেষ হয়ে যখন **সূর্য ডুবছে**।
  • আকাশ: মেঘে ঢাকা, রঙের উপর রঙ খেলা করছে।
  • শব্দ: মন্দিরে **কাঁসর ঘণ্টার** 'ঠং ঠং' শব্দ।

বৈপরীত্য (Contrast)

  • **ও পারে:** বৃষ্টি নেমেছে, গাছপালা ঝাপসা দেখাচ্ছে।
  • **এ পারে:** মেঘের মাথায় বিদ্যুতের ঝলকানি (একশো মানিক)।
  • **বাতাস:** পুব-হাওয়া এবং বাদলা হাওয়া বইছে।

মূল আবেগ ও স্মৃতি

  • বৃষ্টির দিনে কবির মনে পড়ে যায় তাঁর **ছেলেবেলার গান**।
  • সেই বিখ্যাত ছড়াটি হলো: "বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান।"

দ্রুত শব্দার্থ (Quick Meanings)

**ঝাপসা:** অস্পষ্ট **কাঁসর:** বাদ্যযন্ত্র **বাদলা:** বর্ষাকাল **এত্তেমাজ:** আয়োজন/সমাবেশ

© WBBSE AI Engine - পাতাবাহার (পঞ্চম শ্রেণি) রিভিশন মডিউল

Active Recall Toolkit - বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
Active Recall Toolkit

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | পঞ্চম শ্রেণি - পাতাবাহার

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

১. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি কার লেখা?
২. দিনের আলো নিভে এলে কী ডোবে-ডোবে হয়?
৩. আকাশ ঘিরে মেঘ কিসের লোভে জুটেছে?
৪. মন্দিরে কীসের ঘণ্টা বাজল?
৫. মন্দিরের ঘণ্টা বাজার শব্দ কেমন ছিল?
৬. ওপারে বৃষ্টি এলে গাছপালা কেমন দেখায়?
৭. 'একশো মানিক জ্বালা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
৮. কখন কবির ছেলেবেলার গান মনে পড়ে?
৯. কবির মনে পড়া ছেলেবেলার গানটি কী?
১০. 'সুয্যি' শব্দের অর্থ কী?
১১. 'কাঁসর' বলতে কী বোঝায়?
১২. 'ঝাপসা' শব্দের অর্থ কী?
১৩. বৃষ্টির জলে মাঠের কী ধুয়ে গেল?
১৪. পুব-হাওয়াতে বৃষ্টি কীভাবে এল?
১৫. 'বান' শব্দের অর্থ কী?

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

"শোনো ছোট বন্ধু, কল্পনা করো সূর্যটা ঘুমাতে যাচ্ছে আর আকাশে কালো মেঘেরা লুকোচুরি খেলছে। মন্দিরে ঠং ঠং করে ঘণ্টা বাজছে। নদীর ওপারে যখন বৃষ্টি নামে, তখন দূরের গাছগুলো ঝাপসা দেখায়। আর এপারে মেঘের বুকে বিদ্যুৎ চমকায়— ঠিক যেন একশোটা দামি মণি-মানিক জ্বলছে! এই বৃষ্টির দিনে ঠান্ডা হাওয়ায় কবির ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যায়। তিনি মনে মনে সেই পুরনো ছড়াটা গেয়ে ওঠেন— 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান'।"

৩. Spaced Repetition Schedule (পড়ার রুটিন)

১ দিন পর (Day 1)
  • • কবিতার মূলভাব বা সারসংক্ষেপ পড়া।
  • • শব্দার্থগুলো (সুয্যি, মানিক, বান) মুখস্থ করা।
  • • কবিতাটি একবার না দেখে লেখা।
৩ দিন পর (Day 3)
  • • ১.১ থেকে ১.৬ পর্যন্ত ছোট প্রশ্নগুলো রিভিশন।
  • • শূন্যস্থান পূরণ ও স্তম্ভ মেলানো অভ্যাস করা।
  • • বিপরীত শব্দগুলো (আলো, ডোবে, ঝাপসা) মনে করা।
৭ দিন পর (Day 7)
  • • সমার্থক শব্দ (মেঘ, গাছ, নদী) ঝালিয়ে নেওয়া।
  • • বাক্য রচনাগুলো নিজে থেকে তৈরি করা।
  • • উপরের ১৫টি Blind Questions-এর উত্তর মুখে বলা।

WBBSE AI Engine - Active Recall Module | Class V Bengali

    About the Author

    You may also like these

    BISWAZ GROWTH ACADEMY - Free WBBSE Class 1 to 10 Books

    Biswaz Growth Academy: Free WBBSE Books & Study Materials

    Welcome to biswaz.com, your premier destination for high-quality educational resources. Explore our comprehensive library of West Bengal Board (WBBSE) textbooks from Class 1 to Class 10. Whether you are looking for Amar Boi, Sahaj Path, Ganit Prabha, Butterfly, Bliss, or Amader Paribesh, we provide easily accessible PDF downloads to support student growth, learning, and exam preparation.

    WBBSE Books PDF Download Class 1 to 10 Syllabus West Bengal Board Solutions Free School Textbooks Biswaz Educational Portal

    Biswaz Growth

    Academy Portal

    Select a Class

    0 items