Bengali Literature (Class 5) Lesson Four: The Story of Etoa Munda (Mahasweta Devi) – Notes and Answers

Smart AI Education | Study Smart

Smart AI Education

পরীক্ষার প্রস্তুতি, দ্রুত রিভিশন এবং স্মার্ট স্টাডির জন্য AI-এর জাদুকরী ব্যবহার শিখুন।

Study Smart, Not Just Hard

AI কে আপনার পার্সোনাল টিউটর হিসেবে ব্যবহার করুন। যেকোনো কঠিন বিষয় বোঝা, নোটস বানানো, কিংবা পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা—সবকিছুই এখন ৩ গুণ দ্রুত!

DOWNLOAD PDF AI GUIDE
DAY 1 এতোয়া মুন্ডার কাহিনি CLASS NOTES
পঞ্চম শ্রেণি | পাতাবাহার চতুর্থ অধ্যায়

এতোয়া মুন্ডার কাহিনি

— মহাশ্বেতা দেবী

গল্পের পটভূমি: হাতিঘর

গ্রামটার নাম হাতিঘর। একসময় মতিবাবুর পূর্বপুরুষেরা যখন জমিদার ছিলেন, তখন তাঁদের হাতি রাখার পিলখানা ছিল এখানে। আজ জমিদারও নেই, হাতিও নেই—কিন্তু নামটা রয়ে গেছে। এই গ্রামেই বেড়ে উঠছে এক দুরন্ত আদিবাসী কিশোর, যার নাম এতোয়া

এতোয়ার জীবনসংগ্রাম

দশ বছরের এতোয়া প্রতিদিন ডুলং আর সুবর্ণরেখা নদীর মোহনায় গোরু-ছাগল চরাতে যায়। হাতে তার তির-ধনুক আর বাঁশি। সে শুধু কাজই করে না, সে স্বপ্ন দেখে পড়াশোনা করার এবং তার দাদু মঙ্গল মুন্ডার মুখে শোনা বীর বিরসা মুন্ডা বা সিধো-কানহুর মতো নিজের গ্রামের জন্য কিছু করার।

📌 নাম রাখার নিয়ম

  • রবিবার এতোয়া
  • সোমবার সোম্রা
  • মঙ্গলবার মঙ্গলা
  • বুধবার বুধিয়া

"আগে আমাদের অনেক জমি ছিল, বন ছিল..."

— এতোয়ার দাদু মঙ্গল মুন্ডার আক্ষেপ।

এক নজরে ঝালিয়ে নাও (Quick Check)

১. এতোয়ার প্রিয় নদী দুটির নাম কী?

উত্তর: ডুলং ও সুবর্ণরেখা।

২. এতোয়ার হাতে কী কী থাকে?

উত্তর: তির-ধনুক আর একটা বাঁশি।

৩. এতোয়ার দাদু তাকে কাদের গল্প শোনাতেন?

উত্তর: বিরসা মুন্ডা এবং সিধো-কানহুর গল্প।

৪. এতোয়া বড় হয়ে কী করতে চায়?

উত্তর: পড়াশোনা শিখে গ্রামের জন্য কিছু করতে চায়।

বিপরীত: শুকনো ↔ ভেজা
সমার্থক: বন = অরণ্য
বিপরীত: দুঃখ ↔ সুখ
সমার্থক: জল = বারি
এতোয়া মুন্ডার কাহিনি - প্রশ্নোত্তর | WBBSE Class 5
WBBSE Class V | পাতাবাহার

এতোয়া মুন্ডার কাহিনি

মহাশ্বেতা দেবী

অধ্যায়: ৪ বিষয়: বাংলা
S

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Short Answer Questions - 20)

১. 'এতোয়া মুন্ডার কাহিনি' গল্পটির লেখক কে?

উত্তর: গল্পটির লেখক হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী।

২. গ্রামটির নাম 'হাতিঘর' কেন হয়েছিল?

উত্তর: মতিবাবুর পূর্বপুরুষেরা যখন জমিদার ছিলেন, তখন তাঁদের হাতির পিলখানা এই গ্রামে ছিল বলে গ্রামটির নাম হয়েছিল হাতিঘর।

৩. এতোয়ার গায়ের রং ও চোখ কেমন ছিল?

উত্তর: এতোয়ার গায়ের রং কুচকুচে কালো এবং চোখ দুটো উজ্জ্বল ছিল।

৪. এতোয়ার নাম 'এতোয়া' রাখা হলো কেন?

উত্তর: রবিবারে জন্ম হয়েছিল বলে মুন্ডাদের নিয়ম অনুযায়ী ওর নাম রাখা হয়েছে এতোয়া।

৫. মুন্ডাদের নিয়ম অনুযায়ী সোমবারে জন্মালে কী নাম রাখা হয়?

উত্তর: মুন্ডাদের নিয়ম অনুযায়ী সোমবারে জন্মালে নাম রাখা হয় 'সোম্রা'।

৬. এতোয়ার বর্তমান বয়স কত?

উত্তর: এতোয়ার বর্তমান বয়স দশ বছর।

৭. এতোয়ার দাদুর নাম কী?

উত্তর: এতোয়ার দাদুর নাম মঙ্গল মুন্ডা।

৮. মঙ্গল মুন্ডা এতোয়াকে কাদের বীরত্বের কথা শোনাতেন?

উত্তর: মঙ্গল মুন্ডা এতোয়াকে বীর নেতা বিরসা মুন্ডা এবং সিধো-কানহুর কথা শোনাতেন।

৯. এতোয়া রোজ কোথায় গোরু-ছাগল চরাতে যায়?

উত্তর: এতোয়া রোজ ডুলং নদীর ধারে গোরু-ছাগল চরাতে যায়।

১০. ডুলং নদী কোন নদীর সঙ্গে মিশেছে?

উত্তর: ডুলং নদী সুবর্ণরেখা নদীর সঙ্গে মিশেছে।

১১. গোরু চরাতে যাওয়ার সময় এতোয়ার হাতে কী কী থাকে?

উত্তর: এতোয়ার হাতে থাকে একটা তির-ধনুক আর একটা বাঁশি।

১২. এতোয়া ডুলং নদীর জলে কী করে?

উত্তর: এতোয়া ডুলং নদীর জলে জাল ফেলে মাছ ধরে।

১৩. এতোয়া বন থেকে কী কী কুড়িয়ে আনে?

উত্তর: এতোয়া বনের ভেতর থেকে শুকনো কাঠ, পাতা আর মেটে আলু কুড়িয়ে আনে।

১৪. এতোয়ার মনের বড়ো ইচ্ছে কী?

উত্তর: এতোয়ার খুব ইচ্ছে সে স্কুলে যাবে এবং পড়াশোনা শিখবে।

১৫. এতোয়া কেন স্কুলে যেতে পারে না?

উত্তর: ঘরে অনেক অভাব থাকায় এতোয়াকে রোজ কাজ করতে ও গোরু চরাতে হয়, তাই সে স্কুলে যেতে পারে না।

১৬. মুন্ডাদের জমি ও বন কাদের হাতে চলে গেছে?

উত্তর: মুন্ডাদের জমি ও বন জমিদার আর মহাজনদের হাতে চলে গেছে।

১৭. 'বুধিয়া' নাম রাখা হয় কেন?

উত্তর: মুন্ডাদের মধ্যে বুধবারে জন্মালে নাম রাখা হয় 'বুধিয়া'।

১৮. এতোয়াকে দেখতে কেমন লাগে?

উত্তর: এতোয়াকে দেখলে মনে হয় এক দুরন্ত একরত্তি ছেলে, যার মাথায় ঝাঁকড়া চুল।

১৯. এতোয়া বড়ো হয়ে কী করতে চায়?

উত্তর: এতোয়া বড়ো হয়ে পড়াশোনা শিখে নিজের গ্রামের জন্য কিছু করতে চায়।

২০. হাতিঘর গ্রামে এখন কী নেই?

উত্তর: হাতিঘর গ্রামে এখন আর হাতিও নেই এবং জমিদারও নেই।

L

রচনাধর্মী প্রশ্ন (Long Answer Questions - 20)

১. হাতিঘর গ্রামের নামকরণের ইতিহাসটি নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তর: মহাশ্বেতা দেবীর 'এতোয়া মুন্ডার কাহিনি' গল্পে হাতিঘর গ্রামের নামকরণের একটি সুন্দর ইতিহাস পাওয়া যায়। গ্রামটির বর্তমান নাম হাতিঘর হলেও একসময় এখানে জমিদারি শাসন ছিল। মতিবাবুর পূর্বপুরুষেরা যখন এই গ্রামের জমিদার ছিলেন, তখন তাঁদের অনেক হাতি ছিল। সেই হাতিদের রাখার জন্য গ্রামে একটি বড়ো পিলখানা বা আস্তাবল ছিল। এই পিলখানার উপস্থিতির কারণেই গ্রামের নাম হয়েছিল হাতিঘর। বর্তমানে জমিদার বা হাতি কোনোটিই নেই, কিন্তু নামটা আজও রয়ে গেছে।

২. এতোয়ার চেহারার বর্ণনা দাও। তাকে কেন 'দুরন্ত' বলা হয়েছে?

উত্তর: এতোয়া হলো দশ বছরের এক আদিবাসী বালক। তার গায়ের রং কুচকুচে কালো এবং চোখ দুটো খুব উজ্জ্বল। তার মাথায় রয়েছে একমাথা ঝাঁকড়া চুল। তাকে দেখলে একরত্তি ছেলে মনে হলেও সে আসলে খুব চটপটে। সারাদিন সে গোরু-ছাগল চরানো, মাছ ধরা, বন থেকে কাঠ-আলু সংগ্রহ করা—এইসব কাজে ব্যস্ত থাকে। তার এই চঞ্চলতা এবং সারাদিন বাইরে ঘুরে বেড়ানোর স্বভাবের জন্যই তাকে 'দুরন্ত' বলা হয়েছে।

৩. মুন্ডা সম্প্রদায়ের মধ্যে নামকরণের কী কী নিয়ম প্রচলিত আছে?

উত্তর: মুন্ডা সম্প্রদায়ের মধ্যে সপ্তাহের বারের সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখার একটি বিশেষ নিয়ম প্রচলিত আছে। যেমন—রবিবারে জন্মালে নাম রাখা হয় 'এতোয়া', সোমবারে জন্মালে 'সোম্রা', মঙ্গলবারে জন্মালে 'মঙ্গলা', বুধবারে জন্মালে 'বুধিয়া' এবং শুক্রবারে জন্মালে 'শুক্রা'। এই নিয়ম মেনেই রবিবারে জন্মানোর কারণে গল্পের প্রধান চরিত্রের নাম রাখা হয়েছে এতোয়া।

৪. দাদু মঙ্গল মুন্ডা এতোয়াকে তাদের পুরোনো দিনের কোন কোন দুঃখের কথা শোনাতেন?

উত্তর: এতোয়ার দাদু মঙ্গল মুন্ডা অনেক বয়স্ক মানুষ। তিনি এতোয়াকে শোনাতেন যে, আগে তাঁদের অনেক জমি ছিল এবং বনের ওপর তাঁদের অধিকার ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেই সব জমি আর বন জমিদার এবং মহাজনদের দখলে চলে গেছে। আদিবাসীরা কীভাবে নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে, সেই সব বঞ্চনা ও দুঃখের কাহিনি দাদু এতোয়াকে শোনাতেন।

৫. এতোয়ার রোজকার কাজের একটি তালিকা তৈরি করো।

উত্তর: এতোয়ার জীবন কঠোর পরিশ্রমের। তার রোজকার কাজগুলি হলো: (১) ডুলং নদীর ধারে গোরু-ছাগল চরাতে নিয়ে যাওয়া। (২) গোরু চরানোর ফাঁকে ডুলং নদীর জলে জাল ফেলে মাছ ধরা। (৩) বনের ভেতর থেকে শুকনো কাঠ এবং পাতা কুড়িয়ে আনা। (৪) খাবারের জন্য বন থেকে মেটে আলু খুঁড়ে বের করা। (৫) অবসর সময়ে নদীর ধারে বসে বাঁশি বাজানো।

৬. ডুলং ও সুবর্ণরেখা নদীর মোহনায় এতোয়া কী কী করে?

উত্তর: সুবর্ণরেখা আর ডুলং নদী যেখানে মিশেছে, সেই জায়গাটি এতোয়ার খুব প্রিয়। সেখানে সে গোরু-ছাগলদের চড়তে দিয়ে নিজে নদীর ধারে বসে। কখনো সে হাতে থাকা বাঁশিটি বাজিয়ে সুর তোলে, আবার কখনো নদীর জলে জাল ফেলে মাছ ধরে। প্রকৃতির এই নির্জন পরিবেশে সে তার গবাদি পশুদের দেখাশোনা করার পাশাপাশি নিজের মতো করে সময় কাটায়।

৭. "এতোয়া স্বপ্ন দেখে"—এতোয়া কী স্বপ্ন দেখে এবং কেন?

উত্তর: এতোয়া স্বপ্ন দেখে যে সে একদিন স্কুলে যাবে এবং পড়াশোনা শিখবে। যদিও তাদের সংসারে অনেক অভাব এবং তাকে সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হয়, তবুও সে শিক্ষার আলো পেতে চায়। সে স্বপ্ন দেখে পড়াশোনা শিখে সে অনেক বড়ো হবে এবং দাদুর মুখে শোনা সেই বীর আদিবাসী নেতাদের মতো নিজের গ্রামের উন্নতির জন্য কিছু কাজ করবে।

৮. বিরসা মুন্ডা ও সিধো-কানহুর নাম গল্পের প্রেক্ষাপটে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: বিরসা মুন্ডা এবং সিধো-কানহু হলেন আদিবাসী সমাজের বীর নেতা যারা ব্রিটিশ শাসন ও জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। মঙ্গল মুন্ডা এতোয়াকে তাঁদের বীরত্বের গল্প শোনান যাতে এতোয়া নিজের জাতির ইতিহাস ও লড়াই সম্পর্কে জানতে পারে। এই নামগুলি এতোয়ার মনে সাহস জোগায় এবং তাকে নিজের গ্রামের জন্য কিছু করার অনুপ্রেরণা দেয়।

৯. এতোয়ার হাতে তির-ধনুক আর বাঁশি থাকার তাৎপর্য কী?

উত্তর: এতোয়ার হাতের তির-ধনুক তার আদিবাসী সত্তা এবং আত্মরক্ষার প্রতীক। এটি শিকারি ও যোদ্ধা মুন্ডা জাতির ঐতিহ্যের পরিচয় দেয়। অন্যদিকে, বাঁশিটি তার মনের আনন্দ এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার প্রতীক। কাজের ফাঁকে বাঁশি বাজিয়ে সে তার একঘেয়েমি দূর করে। এই দুটি বস্তু এতোয়ার চরিত্রের দুটি দিক—সাহস ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরে।

১০. আদিবাসীদের জমি ও বন হারানোর কারণ গল্প অনুযায়ী আলোচনা করো।

উত্তর: গল্পের দাদু মঙ্গল মুন্ডার কথা থেকে জানা যায় যে, একসময় বন ও জমির ওপর আদিবাসীদের পূর্ণ অধিকার ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে প্রভাবশালী জমিদার এবং ধূর্ত মহাজনরা কৌশলে সেই সব জমি দখল করে নেয়। আইনি জটিলতা এবং ঋণের জালে জড়িয়ে আদিবাসীরা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি হারায়। বনের ওপর থেকেও তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, যার ফলে তারা আজ ভূমিহীন শ্রমিকে পরিণত হয়েছে।

১১. এতোয়ার জীবনসংগ্রামের একটি চিত্র তুলে ধরো।

উত্তর: মাত্র দশ বছর বয়সেই এতোয়াকে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে। পড়াশোনার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও দারিদ্র্যের কারণে সে স্কুলে যেতে পারে না। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তাকে রোজ গোরু-ছাগল চরাতে হয়। খাবার জোগাড়ের জন্য তাকে বন থেকে আলু খুঁড়তে হয় বা নদী থেকে মাছ ধরতে হয়। এই অল্প বয়সেই সে প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে, যা তার জীবনসংগ্রামের পরিচয় দেয়।

১২. 'এতোয়া মুন্ডার কাহিনি' গল্পে প্রকৃতির ভূমিকা কী?

উত্তর: এই গল্পে প্রকৃতি একটি জীবন্ত চরিত্রের মতো। ডুলং নদী, সুবর্ণরেখা নদী এবং গভীর বন এতোয়ার নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রকৃতিই তাকে খাবার (মাছ, মেটে আলু) এবং জ্বালানি (শুকনো কাঠ) দেয়। নদীর ধারের নির্জনতা তাকে বাঁশি বাজানোর সুযোগ করে দেয়। এতোয়ার জীবন পুরোপুরি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল, এবং লেখক খুব সুন্দরভাবে আদিবাসী জীবনের সঙ্গে প্রকৃতির এই নিবিড় সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলেছেন।

১৩. মঙ্গল মুন্ডা চরিত্রটি গল্পের জন্য কেন প্রয়োজনীয়?

উত্তর: মঙ্গল মুন্ডা চরিত্রটি হলো গল্পের ইতিহাসের যোগসূত্র। তিনি কেবল এতোয়ার দাদু নন, তিনি অতীতের সাক্ষী। তাঁর মাধ্যমেই পাঠক মুন্ডা বিদ্রোহ, সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং আদিবাসীদের জমি হারানোর ইতিহাস জানতে পারে। তিনি এতোয়ার মনে বীরত্বের বীজ বুনে দেন এবং তাকে শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করেন।

১৪. এতোয়া কেন বন থেকে মেটে আলু আর শুকনো কাঠ কুড়িয়ে আনে?

উত্তর: এতোয়াদের পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। অভাবের সংসারে দুবেলা পেট ভরে খাওয়ার মতো সংস্থান সবসময় থাকে না। তাই বনের মেটে আলু তাদের খাদ্যের চাহিদা মেটায়। অন্যদিকে, রান্নার জ্বালানি কেনার সামর্থ্য তাদের নেই, তাই বন থেকে কুড়িয়ে আনা শুকনো কাঠ ও পাতা দিয়ে তারা উনুন জ্বালায়। এটি তাদের চরম দারিদ্র্যের পরিচয় দেয়।

১৫. এতোয়া কীভাবে তার অবসর সময় কাটায়?

উত্তর: এতোয়ার জীবনে আলাদা করে কোনো অবসর নেই। গোরু-ছাগল যখন নিজেদের মনে চরে বেড়ায়, সেই সময়টুকুই তার কাছে অবসর। তখন সে ডুলং নদীর ধারে বসে একা একা বাঁশি বাজায়। সুরের মাধ্যমে সে হয়তো তার মনের না বলা কথাগুলো প্রকাশ করে। আবার কখনো সে নদীর স্বচ্ছ জলে জাল ফেলে মাছ ধরার নেশায় মেতে ওঠে।

১৬. "এখন আর হাতিও নেই, জমিদারও নেই"—এই উক্তিটির তাৎপর্য কী?

উত্তর: এই উক্তিটির মাধ্যমে লেখক সময়ের পরিবর্তনের কথা বুঝিয়েছেন। একসময় হাতিঘর গ্রামে জমিদারি প্রতাপ ছিল, হাতির পিলখানা ছিল। কিন্তু এখন জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে। জমিদারদের সেই জৌলুস বা হাতি কিছুই অবশিষ্ট নেই। কেবল গ্রামের নামটির মধ্যে সেই ইতিহাসের স্মৃতিটুকু টিকে আছে। এটি সমাজের বিবর্তনের একটি দিক নির্দেশ করে।

১৭. এতোয়া কেন তার দাদুর বলা বীরদের মতো হতে চায়?

উত্তর: এতোয়া তার দাদুর কাছ থেকে শুনেছে কীভাবে বিরসা মুন্ডা বা সিধো-কানহু নিজেদের জাতির অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। সে দেখেছে তার নিজের গ্রাম আজ অবহেলিত এবং তারা দরিদ্র। তাই সে মনে করে পড়াশোনা শিখে বড়ো হয়ে সে যদি ওই বীরদের মতো সাহসী হতে পারে, তবে সেও তার গ্রামের মানুষের দুঃখ দূর করতে পারবে এবং হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে পারবে।

১৮. 'এতোয়া মুন্ডার কাহিনি' গল্পে আদিবাসী জীবনের কোন চিত্র ফুটে উঠেছে?

উত্তর: গল্পটিতে আদিবাসী জীবনের সরলতা ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের নিজস্ব নামকরণের রীতি, বন ও নদীর ওপর নির্ভরতা, দারিদ্র্য এবং শিক্ষার অভাব—সবই এখানে স্পষ্ট। একই সঙ্গে তাদের বীরত্বপূর্ণ ইতিহাস এবং বর্তমানের ভূমিহীন অবস্থার করুণ ছবি লেখক অত্যন্ত দরদ দিয়ে এঁকেছেন। এতোয়ার চরিত্রের মধ্য দিয়ে আদিবাসী শিশুদের অদম্য ইচ্ছাশক্তিও প্রকাশিত হয়েছে।

১৯. এতোয়াকে 'দুরন্ত একরত্তি ছেলে' বলার কারণ কী?

উত্তর: এতোয়া বয়সে ছোট (দশ বছর) এবং আকারেও ছোটখাটো, তাই তাকে 'একরত্তি' বলা হয়েছে। কিন্তু তার কাজের পরিধি অনেক বড়ো। সে একা হাতে গোরু চরায়, মাছ ধরে, বন থেকে জিনিস সংগ্রহ করে এবং সারাদিন চঞ্চলভাবে ঘুরে বেড়ায়। তার এই অফুরন্ত প্রাণশক্তি এবং চটপটে স্বভাবের কারণেই লেখক তাকে 'দুরন্ত' বিশেষণে ভূষিত করেছেন।

২০. গল্পটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তর: গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এতোয়া নামের একটি মুন্ডা বালক। তার দৈনন্দিন জীবন, তার সংগ্রাম, তার পূর্বপুরুষের ইতিহাস এবং তার ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে ঘিরেই পুরো কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। এতোয়া কেবল একটি চরিত্র নয়, সে সমগ্র মুন্ডা জাতির বর্তমান প্রজন্মের প্রতিনিধি। তাই তার নামানুসারে 'এতোয়া মুন্ডার কাহিনি' নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।

© WBBSE AI Engine - Notes Tab | পাতাবাহার: পঞ্চম শ্রেণি

"শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড"

WBBSE Mock Test - এতোয়া মুন্ডার কাহিনি
WBBSE Class V - Bengali (পাতাবাহার)

এতোয়া মুন্ডার কাহিনি

মহাশ্বেতা দেবী | ৬০-প্রশ্নের ইন্টারঅ্যাক্টিভ মক টেস্ট

প্রশ্ন ১ / ৬০ স্কোর: ০

অনলাইন পরীক্ষা: এতোয়া মুন্ডার কাহিনি

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)

বিষয়: বাংলা (পাতাবাহার) | পঞ্চম শ্রেণি

অধ্যায়: এতোয়া মুন্ডার কাহিনি - মহাশ্বেতা দেবী

পূর্ণমান: ৫০ সময়: ৪৫ মিনিট

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ):

১.১ গ্রামটার নাম 'হাতিঘর' হওয়ার কারণ কী?

১.২ এতোয়ার জন্ম কোন বারে হয়েছিল?

১.৩ এতোয়ার দাদুর নাম কী?

১.৪ এতোয়ার বয়স এখন কত?

১.৫ সুবর্ণরেখা নদীর সাথে কোন নদী মিশেছে?

১.৬ এতোয়ার মাথায় চুল কেমন?

১.৭ এতোয়া গোরু চরাতে গিয়ে হাতে কী রাখে?

১.৮ মুন্ডাদের বীর নেতা কে ছিলেন?

১.৯ 'এতোয়া' শব্দের অর্থ কী?

১.১০ এতোয়া বনের ভেতর থেকে কী কুড়িয়ে আনে?

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Big Questions):

Revision Tab

এতোয়া মুন্ডার কাহিনি

মহাশ্বেতা দেবী | পঞ্চম শ্রেণি (পাতাবাহার)

Mistake Analysis (ভুল সংশোধন)

সাধারণ ভুল (Common Mistake)সঠিক ধারণা (Correction/Fact)
"হাতিঘর" গ্রামে এখনো অনেক হাতি আছে।গ্রামে এখন আর হাতি নেই। জমিদারদের হাতির পিলখানা ছিল বলে গ্রামের নাম হাতিঘর হয়েছে।
এতোয়ার নাম "এতোয়া" কারণ সে খুব দুরন্ত।না, রবিবারে জন্ম বলে ওর নাম রাখা হয়েছে "এতোয়া" (মুন্ডাদের বার মিলিয়ে নাম রাখার নিয়ম অনুযায়ী)।
এতোয়া কেবল গোরু-ছাগল চরাতেই ভালোবাসে।এতোয়া অভাবের কারণে কাজ করে, কিন্তু তার মনে মনে স্কুলে যাওয়ার ও পড়াশোনা শেখার তীব্র ইচ্ছে আছে।
ডুলং ও গঙ্গা নদীর মোহনায় এতোয়া যায়।ভুল নদী। এতোয়া যায় যেখানে সুবর্ণরেখাডুলং নদী একসঙ্গে মিশেছে।

Power Revision Summary

এতোয়ার পরিচয়

  • দশ বছরের দুরন্ত মুন্ডা বালক।
  • গায়ের রং কুচকুচে কালো, চোখ উজ্জ্বল, মাথায় ঝাঁকড়া চুল।
  • রবিবারে জন্ম বলে নাম 'এতোয়া'।

নামকরণের নিয়ম (মুন্ডা সমাজ)

  • সোমবার: সোম্রা | মঙ্গলবার: মঙ্গলা
  • বুধবার: বুধিয়া | শুক্রবার: শুক্রা

এতোয়ার দৈনন্দিন কাজ

  • ডুলং ও সুবর্ণরেখার মোহনায় গোরু-ছাগল চরানো।
  • হাতে থাকে তির-ধনুক আর বাঁশি।
  • মাছ ধরা, শুকনো কাঠ ও মেটে আলু সংগ্রহ করা।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

  • দাদু মঙ্গল মুন্ডার কাছে বীর বিরসা মুন্ডার গল্প শোনা।
  • সিধো-কানহু ও সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাস।
  • জমিদার ও মহাজনদের হাতে জমি হারানোর দুঃখ।

💡 মনে রেখো (Quick Tips)

গ্রাম: হাতিঘর
দাদু: মঙ্গল মুন্ডা
নদী: ডুলং ও সুবর্ণরেখা
স্বপ্ন: পড়াশোনা শেখা
WBBSE Revision Engine • Class V Bengali • Patabahar
Revision: ওরে গৃহবাসী - WBBSE AI Engine
Revision Tab Class: V | Subject: Bengali

ওরে গৃহবাসী — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Identify common pitfalls and master the chapter with this power revision guide.

Mistake Analysis (ভুল বনাম সংশোধন)

Common Mistake (সাধারণ ভুল)Correct Concept (সঠিক ধারণা)
মনে করা যে 'মউমাছি' ঘাসে ঘাসে দুলছে।কবিতা অনুযায়ী, প্রজাপতি ঘাসে ঘাসে দোলে। মউমাছি ফুলের দখিনা যাচনা করে।
'ভিখারির বীণা' বলতে কোনো মানুষকে কল্পনা করা।এখানে মউমাছির পাখার শব্দকে ভিখারির বীণার সাথে তুলনা করা হয়েছে।
'দোল' বলতে শুধু দোলনা ভাবা।এখানে 'দোল' বলতে বসন্ত উৎসব বা দোলযাত্রা এবং প্রকৃতির আনন্দময় স্পন্দনকে বোঝানো হয়েছে।
অশোক ও পলাশকে সাদা বা অন্য রঙের ফুল ভাবা।কবিতায় এদের 'রাঙা হাসি' বলা হয়েছে, অর্থাৎ এগুলি লাল রঙের ফুল।
বিপরীত শব্দে 'নবীন' এর বিপরীত 'পুরানো' লেখা।পাঠ্যবইয়ের মান অনুযায়ী 'নবীন' এর সঠিক বিপরীত শব্দ প্রবীণ

Power Revision Summary (দ্রুত রিভিশন)

মূল বিষয়: বসন্তের আগমনে কবি গৃহবাসীকে ঘরের দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে উৎসবে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রকৃতির রূপ: স্থলে, জলে ও বনতলে দোল লেগেছে। অশোক ও পলাশ ফুলে রাঙা হাসি দেখা যাচ্ছে।

আকাশের অবস্থা: প্রভাত-আকাশে মেঘের সাথে 'রাঙা নেশা' মিশে আছে।

শব্দ ও গন্ধ: দখিন-বাতাসে বেণুবন (বাঁশবাগান) 'মর্মর' শব্দ করছে। মাধবীবিতানে বাতাস গন্ধে বিভোর।

প্রাণীকুল: প্রজাপতি ঘাসে ঘাসে দুলছে। মউমাছি ফুলের থেকে 'দখিনা' (উপহার/পাওনা) সংগ্রহ করছে।

গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ:
নবীন: নতুন
হিল্লোল: তরঙ্গ বা ঢেউ
মর্মর: পাতার শব্দ

© WBBSE Patabahar Revision Module | Class V Bengali
Active Recall: এতোয়া মুন্ডার কাহিনি
WBBSE Class V | Bengali (পাতাবাহার)

এতোয়া মুন্ডার কাহিনি

মহাশ্বেতা দেবী

Active Recall Toolkit

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

  1. হাতিঘর গ্রামটির নাম কেন 'হাতিঘর' হয়েছিল?
  2. এতোয়ার গায়ের রং এবং চোখ কেমন ছিল?
  3. রবিবারে জন্ম বলে ছেলেটির নাম কী রাখা হয়েছে?
  4. মুন্ডাদের নিয়ম অনুযায়ী সোমবারে জন্মালে কী নাম রাখা হয়?
  5. এতোয়ার বয়স কত?
  6. এতোয়ার দাদুর নাম কী?
  7. দাদু এতোয়াকে কোন বীর নেতাদের কথা শোনাতেন?
  8. আগে মুন্ডাদের কী কী ছিল যা এখন জমিদারদের হাতে চলে গেছে?
  1. এতোয়া রোজ কোথায় গোরু-ছাগল চরাতে যায়?
  2. গোরু চরাতে যাওয়ার সময় এতোয়ার হাতে কী কী থাকে?
  3. নদীর ধারে বসে এতোয়া কী বাজায়?
  4. এতোয়া বন থেকে কী কী কুড়িয়ে আনে?
  5. এতোয়ার মনে মনে কী করার খুব ইচ্ছে?
  6. 'পিলখানা' শব্দটির অর্থ কী?
  7. সুবর্ণরেখা ছাড়া আর কোন নদীর কথা গল্পে আছে?

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

৫ বছরের শিশুকে বোঝানোর মতো স্ক্রিপ্ট:

"জানো, একটা ছোট্ট ছেলে ছিল যার নাম এতোয়া। তার গায়ের রং কুচকুচে কালো আর চোখগুলো খুব উজ্জ্বল। সে হাতিঘর নামে একটা গ্রামে থাকত। রবিবারে জন্মেছিল বলে ওর নাম হয়েছে এতোয়া! সে প্রতিদিন নদীর ধারে গোরু-ছাগল চরাতে যেত, আর সেখানে বসে বাঁশি বাজাত। তার দাদু তাকে অনেক পুরনো দিনের বীরদের গল্প শোনাতেন। এতোয়া খুব গরিব ছিল, তাই তাকে কাজ করতে হতো, কিন্তু তার খুব ইচ্ছে ছিল সে স্কুলে যাবে আর পড়াশোনা শিখে বড় হয়ে নিজের গ্রামের জন্য অনেক কিছু করবে। সে আসলে একটা খুব সাহসী আর স্বপ্ন দেখা ছেলে!"

৩. Spaced Repetition (পড়াশোনার রুটিন)

১ দিন পর (Day 1)

মূল চরিত্র ও নাম রাখার নিয়ম

  • এতোয়ার শারীরিক বর্ণনা ও নাম রাখার কারণ।
  • হাতিঘর গ্রামের নামকরণের ইতিহাস।
৩ দিন পর (Day 3)

কাজ ও ভৌগোলিক পরিবেশ

  • ডুলং ও সুবর্ণরেখা নদীর অবস্থান।
  • এতোয়ার রোজকার কাজের তালিকা (মাছ ধরা, কাঠ কুড়ানো)।
৭ দিন পর (Day 7)

ইতিহাস ও ব্যাকরণ

  • বিরসা মুন্ডা ও সিধো-কানহুর বিদ্রোহের কথা।
  • বিপরীত ও সমার্থক শব্দ অনুশীলন।

WBBSE AI Engine - Active Recall Toolkit | পাতাবাহার: পঞ্চম শ্রেণি

Active Recall Toolkit - ওরে গৃহবাসী
WBBSE Class V

ওরে গৃহবাসী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | পাতাবাহার

১. Blind Questions (স্মৃতি পরীক্ষা)

  1. কবি গৃহবাসীকে কী খুলতে বলেছেন?
  2. কোথায় কোথায় দোল লেগেছে?
  3. কোন্ কোন্ ফুলে রাঙা হাসি দেখা যাচ্ছে?
  4. প্রভাত-আকাশে কী মিশে আছে?
  5. নবীন পাতায় কী লেগেছে?
  6. দখিন-বাতাসে বেণুবন কেমন শব্দ করছে?
  7. ঘাসে ঘাসে কারা দুলছে?
  8. মউমাছি কী যাচনা করে ফিরছে?
  1. মউমাছি তার পাখায় কী বাজায়?
  2. মাধবীবিতানে বায়ু কেমন হয়ে আছে?
  3. 'নবীন' শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
  4. 'গৃহবাসী' শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
  5. 'প্রভাত' শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
  6. 'হাসি' শব্দের বিপরীত শব্দ কী?
  7. 'বেণুবন' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

২. The Feynman Method (সহজ ব্যাখ্যা)

"ছোট্ট বন্ধু, কল্পনা করো তুমি ঘরের ভেতরে বসে আছো। বাইরে বসন্তকাল এসেছে। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তোমাকে বলছেন— 'দরজা খোলো!' কেন জানো? কারণ বাইরে প্রকৃতি উৎসবে মেতেছে। লাল রঙের অশোক আর পলাশ ফুল হাসছে, প্রজাপতিরা ঘাসের ওপর নাচছে, আর মৌমাছিরা গুনগুন করে গান গাইছে। বাতাস ফুলের গন্ধে পাগল হয়ে গেছে। এই সুন্দর দোল উৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য তোমাকে ঘরের বাইরে আসতে বলা হচ্ছে।"

৩. Spaced Repetition (পড়াশোনার রুটিন)

১ দিন পর (Day 1)

  • কবিতার প্রথম ৮টি লাইন মুখস্থ বলো।
  • শব্দার্থগুলো ঝালিয়ে নাও (যেমন: নবীন, বিভোল)।

৩ দিন পর (Day 3)

  • অনুশীলনীর ১.১ থেকে ১.৭ পর্যন্ত প্রশ্নের উত্তর দাও।
  • শূন্যস্থান পূরণ (অনুশীলনী ২) অভ্যাস করো।

৭ দিন পর (Day 7)

  • বিপরীত শব্দ ও বাক্য রচনা (অনুশীলনী ৩ ও ৪) লেখো।
  • পুরো কবিতাটি না দেখে খাতায় লেখো।

WBBSE AI Engine - Active Recall Toolkit

    About the Author

    You may also like these

    BISWAZ GROWTH ACADEMY - Free WBBSE Class 1 to 10 Books

    Biswaz Growth Academy: Free WBBSE Books & Study Materials

    Welcome to biswaz.com, your premier destination for high-quality educational resources. Explore our comprehensive library of West Bengal Board (WBBSE) textbooks from Class 1 to Class 10. Whether you are looking for Amar Boi, Sahaj Path, Ganit Prabha, Butterfly, Bliss, or Amader Paribesh, we provide easily accessible PDF downloads to support student growth, learning, and exam preparation.

    WBBSE Books PDF Download Class 1 to 10 Syllabus West Bengal Board Solutions Free School Textbooks Biswaz Educational Portal

    Biswaz Growth

    Academy Portal

    Select a Class

    0 items