এই অধ্যায়টিতে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যের গুরুত্ব, বিভিন্ন ধরণের খাবার এবং তাদের উৎস সম্পর্কে জানতে পারি। আমরা শিখি যে খাবার দুই প্রকারের হতে পারে—উদ্ভিজ্জ (গাছপালা থেকে পাওয়া) এবং প্রাণীজ (প্রাণী থেকে পাওয়া)। শাকসবজি, ফলমূল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। কিছু খাবার কাঁচা খাওয়া যায় আবার কিছু রান্না করে খেতে হয়। আদিম মানুষ কীভাবে আগুনের ব্যবহার শিখে খাবার ঝলসে খেতে শুরু করেছিল এবং কীভাবে দেশ-বিদেশের নানা সবজি (যেমন আলু, টমেটো) আমাদের দেশে এসেছে, তার ইতিহাসও এখানে আলোচনা করা হয়েছে।
- টক বা লোভনীয় খাবার দেখলে জিভে জল আসে, একে লালা বলে। লালা খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
- খাবারের প্রধান স্বাদগুলো হলো—টক, মিষ্টি, ঝাল, নোনতা, তেতো এবং কষা।
- শাক: গাছের পাতা যা আমরা খাই (যেমন—পালং, পুঁই, কলমি, ব্রাহ্মী)।
- আনাজ বা সবজি: গাছের ফল, ফুল, কাণ্ড বা মূল যা রান্না করে খাওয়া হয় (যেমন—বেগুন, পটল, আলু, মোচা)।
- ফল: আম, জাম, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। ফলের রস ও শাঁস শরীরের জন্য খুব উপকারী।
- ঔষধি গুণ: নিমপাতা খোস-পাঁচড়া হতে দেয় না। ব্রাহ্মী শাক স্মৃতির জন্য ভালো। গাজর ও পাকা পেঁপে চোখের জন্য ভালো।
- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, মধু, ঘি, ছানা ইত্যাদি প্রাণীদের থেকে পাওয়া যায়।
- দুধ খুব পুষ্টিকর খাবার।
- আদিম মানুষ প্রথমে কাঁচা মাংস ও ফলমূল খেত।
- পরে তারা আগুন জ্বালাতে শেখে (পাথরে পাথর বা কাঠে কাঠ ঘষে)।
- আগুন আবিষ্কারের ফলে তারা খাবার ঝলসে খেতে শুরু করে, যা হজম করা সহজ ছিল।
- প্রথমে মাটির হাঁড়ি ব্যবহার হতো, পরে ধাতুর বাসনপত্র তৈরি হয়।
| খাবার | উৎস (কোথা থেকে এসেছে) |
|---|---|
| আলু, টমেটো, লঙ্কা, আনারস | বিদেশ থেকে (অন্য দেশ থেকে) |
| আম, কাঁঠাল, মোচা | আমাদের দেশের নিজস্ব খাবার |
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ)
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ)
বড় প্রশ্ন ও উত্তর (LAQ)
- কাঁচা খাবার: যে খাবারগুলো আগুনের তাপে সেদ্ধ না করেই খাওয়া যায়। যেমন—শশা, গাজর, পাকা ফল, পেঁয়াজ, লেবু।
- রান্না করা খাবার: যে খাবারগুলো আগুনের তাপে সেদ্ধ বা রান্না করে খেতে হয়, নাহলে হজম হয় না। যেমন—ভাত, মাছ, মাংস, আলু, পটল।